সূরা বাকারা
بِسْمِ
اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ
শুরু
করছি
আল্লাহর নামে
যিনি
পরম
করুণাময়, অতি
দয়ালু
الم
আলিফ
লাম
মীম।(সূরা বাকারা ২:১ )
ذَلِكَ
الْكِتَابُ لاَ رَيْبَ فِيهِ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ
এ
সেই
কিতাব
যাতে
কোনই
সন্দেহ
নেই।
পথ
প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য,(সূরা বাকারা ২:২ )
الَّذِينَ
يُؤْمِنُونَ بِالْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ الصَّلاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ
يُنفِقُونَ
যারা
অদেখা
বিষয়ের উপর
বিশ্বাস স্থাপন
করে
এবং
নামায
প্রতিষ্ঠা করে।
আর
আমি
তাদেরকে যে
রুযী
দান
করেছি
তা
থেকে
ব্যয়
করে(সূরা বাকারা ২:৩ )
والَّذِينَ
يُؤْمِنُونَ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْكَ وَمَا أُنزِلَ مِن قَبْلِكَ وَبِالآخِرَةِ
هُمْ يُوقِنُونَ
এবং
যারা
বিশ্বাস স্থাপন
করেছে
সেসব
বিষয়ের উপর
যা
কিছু
তোমার
প্রতি
অবতীর্ণ হয়েছে
এবং
সেসব
বিষয়ের উপর
যা
তোমার
পূর্ববর্তীদের প্রতি
অবতীর্ণ হয়েছে। আর
আখেরাতকে যারা
নিশ্চিত বলে
বিশ্বাস করে।(সূরা বাকারা ২:৪ )
أُوْلَـئِكَ
عَلَى هُدًى مِّن رَّبِّهِمْ وَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
তারাই
নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে
সুপথ
প্রাপ্ত, আর
তারাই
যথার্থ
সফলকাম।(সূরা
বাকারা
২:৫ )
إِنَّ
الَّذِينَ كَفَرُواْ سَوَاءٌ عَلَيْهِمْ أَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ
لاَ يُؤْمِنُونَ
নিশ্চিতই যারা
কাফের
হয়েছে
তাদেরকে আপনি
ভয়
প্রদর্শন করুন
আর
নাই
করুন
তাতে
কিছুই
আসে
যায়
না,
তারা
ঈমান
আনবে
না।(সূরা বাকারা ২:৬ )
خَتَمَ
اللّهُ عَلَى قُلُوبِهمْ وَعَلَى سَمْعِهِمْ وَعَلَى أَبْصَارِهِمْ غِشَاوَةٌ
وَلَهُمْ عَذَابٌ عظِيمٌ
আল্লাহ
তাদের
অন্তকরণ এবং
তাদের
কানসমূহ বন্ধ
করে
দিয়েছেন, আর
তাদের
চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে
দিয়েছেন। আর
তাদের
জন্য
রয়েছে
কঠোর
শাস্তি।(সূরা
বাকারা
২:৭ )
وَمِنَ
النَّاسِ مَن يَقُولُ آمَنَّا بِاللّهِ وَبِالْيَوْمِ الآخِرِ وَمَا هُم
بِمُؤْمِنِينَ
আর
মানুষের মধ্যে
কিছু
লোক
এমন
রয়েছে
যারা
বলে,
আমরা
আল্লাহ
ও
পরকালের প্রতি
ঈমান
এনেছি
অথচ
আদৌ
তারা
ঈমানদার নয়।(সূরা বাকারা ২:৮ )
يُخَادِعُونَ
اللّهَ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَمَا يَخْدَعُونَ إِلاَّ أَنفُسَهُم وَمَا
يَشْعُرُونَ
তারা
আল্লাহ
এবং
ঈমানদারগণকে ধোঁকা
দেয়।
অথচ
এতে
তারা
নিজেদেরকে ছাড়া
অন্য
কাউকে
ধোঁকা
দেয়
না
অথচ
তারা
তা
অনুভব
করতে
পারে
না।(সূরা বাকারা ২:৯ )
فِي
قُلُوبِهِم مَّرَضٌ فَزَادَهُمُ اللّهُ مَرَضاً وَلَهُم عَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا
كَانُوا يَكْذِبُونَ
তাদের
অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর
আল্লাহ
তাদের
ব্যধি
আরো
বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের
জন্য
নির্ধারিত রয়েছে
ভয়াবহ
আযাব,
তাদের
মিথ্যাচারের দরুন।(সূরা বাকারা ২:১০ )
وَإِذَا
قِيلَ لَهُمْ لاَ تُفْسِدُواْ فِي الأَرْضِ قَالُواْ إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ
আর
যখন
তাদেরকে বলা
হয়
যে,
দুনিয়ার বুকে
দাঙ্গা-হাঙ্ গামা সৃষ্টি
করো
না,
তখন
তারা
বলে,
আমরা
তো
মীমাংসার পথ
অবলম্বন করেছি।(সূরা বাকারা ২:১১ )
أَلا
إِنَّهُمْ هُمُ الْمُفْسِدُونَ وَلَـكِن لاَّ يَشْعُرُونَ
মনে
রেখো,
তারাই
হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু
তারা
তা
উপলব্ধি করে
না।(সূরা বাকারা ২:১২ )
وَإِذَا
قِيلَ لَهُمْ آمِنُواْ كَمَا آمَنَ النَّاسُ قَالُواْ أَنُؤْمِنُ كَمَا آمَنَ
السُّفَهَاء أَلا إِنَّهُمْ هُمُ السُّفَهَاء وَلَـكِن لاَّ يَعْلَمُونَ
যখন
তাদেরকে বলা
হয়,
অন্যান্যরা যেভাবে
ঈমান
এনেছে
তোমরাও
সেভাবে
ঈমান
আন,
তখন
তারা
বলে,
আমরাও
কি
ঈমান
আনব
বোকাদেরই মত!
মনে
রেখো,
প্রকৃতপক্ষে তারাই
বোকা,
কিন্তু
তারা
তা
বোঝে
না।(সূরা বাকারা ২:১৩ )
وَإِذَا
لَقُواْ الَّذِينَ آمَنُواْ قَالُواْ آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْاْ إِلَى
شَيَاطِينِهِمْ قَالُواْ إِنَّا مَعَكْمْ إِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُونَ
আর
তারা
যখন
ঈমানদারদের সাথে
মিশে,
তখন
বলে,
আমরা
ঈমান
এনেছি।
আবার
যখন
তাদের
শয়তানদের সাথে
একান্তে সাক্ষাৎ করে,
তখন
বলে,
আমরা
তোমাদের সাথে
রয়েছি। আমরা
তো
(মুসলমানদের সাথে)
উপহাস
করি
মাত্রা।(সূরা
বাকারা
২:১৪ )
اللّهُ
يَسْتَهْزِئُ بِهِمْ وَيَمُدُّهُمْ فِي طُغْيَانِهِمْ يَعْمَهُونَ
বরং
আল্লাহই তাদের
সাথে
উপহাস
করেন।
আর
তাদেরকে তিনি
ছেড়ে
দিয়েছেন যেন
তারা
নিজেদের অহংকার
ও
কুমতলবে হয়রান
ও
পেরেশান থাকে।(সূরা বাকারা ২:১৫ )
أُوْلَـئِكَ
الَّذِينَ اشْتَرُوُاْ الضَّلاَلَةَ بِالْهُدَى فَمَا رَبِحَت تِّجَارَتُهُمْ
وَمَا كَانُواْ مُهْتَدِينَ
তারা
সে
সমস্ত
লোক,
যারা
হেদায়েতের বিনিময়ে গোমরাহী খরিদ
করে।
বস্তুতঃ তারা
তাদের
এ
ব্যবসায় লাভবান
হতে
পারেনি
এবং
তারা
হেদায়েতও লাভ
করতে
পারেনি।(সূরা
বাকারা
২:১৬ )
مَثَلُهُمْ
كَمَثَلِ الَّذِي اسْتَوْقَدَ نَاراً فَلَمَّا أَضَاءتْ مَا حَوْلَهُ ذَهَبَ
اللّهُ بِنُورِهِمْ وَتَرَكَهُمْ فِي ظُلُمَاتٍ لاَّ يُبْصِرُونَ
তাদের
অবস্থা
সে
ব্যক্তির মত,
যে
লোক
কোথাও
আগুন
জ্বালালো এবং
তার
চারদিককার সবকিছুকে যখন
আগুন
স্পষ্ট
করে
তুললো,
ঠিক
এমনি
সময়
আল্লাহ
তার
চারদিকের আলোকে
উঠিয়ে
নিলেন
এবং
তাদেরকে অন্ধকারে ছেড়ে
দিলেন।
ফলে,
তারা
কিছুই
দেখতে
পায়
না।(সূরা বাকারা ২:১৭ )
صُمٌّ
بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لاَ يَرْجِعُونَ
তারা
বধির,
মূক
ও
অন্ধ।
সুতরাং
তারা
ফিরে
আসবে
না।(সূরা বাকারা ২:১৮ )
أَوْ
كَصَيِّبٍ مِّنَ السَّمَاء فِيهِ ظُلُمَاتٌ وَرَعْدٌ وَبَرْقٌ يَجْعَلُونَ
أَصْابِعَهُمْ فِي آذَانِهِم مِّنَ الصَّوَاعِقِ حَذَرَ الْمَوْتِ واللّهُ مُحِيطٌ
بِالْكافِرِينَ
আর
তাদের
উদাহরণ
সেসব
লোকের
মত
যারা
দুর্যোগপূর্ণ ঝড়ো
রাতে
পথ
চলে,
যাতে
থাকে
আঁধার,
গর্জন
ও
বিদ্যুৎচমক। মৃত্যুর ভয়ে
গর্জনের সময়
কানে
আঙ্গুল
দিয়ে
রক্ষা
পেতে
চায়।
অথচ
সমস্ত
কাফেরই
আল্লাহ
কর্তৃক
পরিবেষ্ঠিত।(সূরা
বাকারা
২:১৯ )
يَكَادُ
الْبَرْقُ يَخْطَفُ أَبْصَارَهُمْ كُلَّمَا أَضَاء لَهُم مَّشَوْاْ فِيهِ وَإِذَا
أَظْلَمَ عَلَيْهِمْ قَامُواْ وَلَوْ شَاء اللّهُ لَذَهَبَ بِسَمْعِهِمْ
وَأَبْصَارِهِمْ إِنَّ اللَّه عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
বিদ্যুতালোকে যখন
সামান্য আলোকিত
হয়,
তখন
কিছুটা
পথ
চলে।
আবার
যখন
অন্ধকার হয়ে
যায়,
তখন
ঠাঁয়
দাঁড়িয়ে থাকে।
যদি
আল্লাহ
ইচ্ছা
করেন,
তাহলে
তাদের
শ্রবণশক্তি ও
দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নিতে পারেন। আল্লাহ
যাবতীয় বিষয়ের উপর
সর্বময় ক্ষমতাশীল।(সূরা
বাকারা
২:২০ )
يَا
أَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُواْ رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالَّذِينَ مِن
قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
হে
মানব
সমাজ!
তোমরা
তোমাদের পালনকর্তার এবাদত
কর,
যিনি
তোমাদিগকে এবং
তোমাদের পূর্ববর্তীদিগকে সৃষ্টি
করেছেন। তাতে
আশা
করা
যায়,
তোমরা
পরহেযগারী অর্জন
করতে
পারবে।(সূরা বাকারা ২:২১ )
الَّذِي
جَعَلَ لَكُمُ الأَرْضَ فِرَاشاً وَالسَّمَاء بِنَاء وَأَنزَلَ مِنَ السَّمَاء
مَاء فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقاً لَّكُمْ فَلاَ تَجْعَلُواْ لِلّهِ
أَندَاداً وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
যে
পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য
ভূমিকে
বিছানা
এবং
আকাশকে
ছাদ
স্বরূপ
স্থাপন
করে
দিয়েছেন, আর
আকাশ
থেকে
পানি
বর্ষণ
করে
তোমাদের জন্য
ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন
তোমাদের খাদ্য
হিসাবে। অতএব,
আল্লাহর সাথে
তোমরা
অন্য
কাকেও
সমকক্ষ
করো
না।
বস্তুতঃ এসব
তোমরা
জান।(সূরা বাকারা ২:২২ )
وَإِن
كُنتُمْ فِي رَيْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلَى عَبْدِنَا فَأْتُواْ بِسُورَةٍ مِّن
مِّثْلِهِ وَادْعُواْ شُهَدَاءكُم مِّن دُونِ اللّهِ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ
এতদসম্পর্কে যদি
তোমাদের কোন
সন্দেহ
থাকে
যা
আমি
আমার
বান্দার প্রতি
অবতীর্ণ করেছি,
তাহলে
এর
মত
একটি
সূরা
রচনা
করে
নিয়ে
এস।
তোমাদের সেসব
সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে
নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া,
যদি
তোমরা
সত্যবাদী হয়ে
থাকো।(সূরা বাকারা ২:২৩ )
فَإِن
لَّمْ تَفْعَلُواْ وَلَن تَفْعَلُواْ فَاتَّقُواْ النَّارَ الَّتِي وَقُودُهَا
النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِينَ
আর
যদি
তা
না
পার-অবশ্য তা তোমরা
কখনও
পারবে
না,
তাহলে
সে
দোযখের
আগুন
থেকে
রক্ষা
পাওয়ার চেষ্টা
কর,
যার
জ্বালানী হবে
মানুষ
ও
পাথর।
যা
প্রস্তুত করা
হয়েছে
কাফেরদের জন্য।(সূরা বাকারা ২:২৪ )
وَبَشِّرِ
الَّذِين آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن
تَحْتِهَا الأَنْهَارُ كُلَّمَا رُزِقُواْ مِنْهَا مِن ثَمَرَةٍ رِّزْقاً قَالُواْ
هَـذَا الَّذِي رُزِقْنَا مِن قَبْلُ وَأُتُواْ بِهِ مُتَشَابِهاً وَلَهُمْ فِيهَا
أَزْوَاجٌ مُّطَهَّرَةٌ وَهُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
আর
হে
নবী
(সাঃ),
যারা
ঈমান
এনেছে
এবং
সৎকাজসমূহ করেছে,
আপনি
তাদেরকে এমন
বেহেশতের সুসংবাদ দিন,
যার
পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে।
যখনই
তারা
খাবার
হিসেবে
কোন
ফল
প্রাপ্ত হবে,
তখনই
তারা
বলবে,
এতো
অবিকল
সে
ফলই
যা
আমরা
ইতিপূর্বেও লাভ
করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই
প্রকৃতির ফল
প্রদান
করা
হবে।
এবং
সেখানে
তাদের
জন্য
শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে।
আর
সেখানে
তারা
অনন্তকাল অবস্থান করবে।(সূরা বাকারা ২:২৫ )
إِنَّ
اللَّهَ لاَ يَسْتَحْيِي أَن يَضْرِبَ مَثَلاً مَّا بَعُوضَةً فَمَا فَوْقَهَا
فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُواْ فَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ الْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ
وَأَمَّا الَّذِينَ كَفَرُواْ فَيَقُولُونَ مَاذَا أَرَادَ اللَّهُ بِهَـذَا
مَثَلاً يُضِلُّ بِهِ كَثِيراً وَيَهْدِي بِهِ كَثِيراً وَمَا يُضِلُّ بِهِ إِلاَّ
الْفَاسِقِينَ
আল্লাহ
পাক
নিঃসন্দেহে মশা
বা
তদুর্ধ্ব বস্তু
দ্বারা
উপমা
পেশ
করতে
লজ্জাবোধ করেন
না।
বস্তুতঃ যারা
মুমিন
তারা
নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে
যে,
তাদের
পালনকর্তা কর্তৃক
উপস্থাপিত এ
উপমা
সম্পূর্ণ নির্ভূল ও
সঠিক।
আর
যারা
কাফের
তারা
বলে,
এরূপ
উপমা
উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই
বা
কি
ছিল। এ দ্বারা
আল্লাহ
তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন,
আবার
অনেককে
সঠিক
পথও
প্রদর্শন করেন।
তিনি
অনুরূপ
উপমা
দ্বারা
অসৎ
ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন
কাকেও
বিপথগামী করেন
না।(সূরা বাকারা ২:২৬ )
الَّذِينَ
يَنقُضُونَ عَهْدَ اللَّهِ مِن بَعْدِ مِيثَاقِهِ وَيَقْطَعُونَ مَا أَمَرَ اللَّهُ
بِهِ أَن يُوصَلَ وَيُفْسِدُونَ فِي الأَرْضِ أُولَـئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ
(বিপথগামী ওরাই)
যারা
আল্লাহর সঙ্গে
অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার
পর
তা
ভঙ্গ
করে
এবং
আল্লাহ
পাক
যা
অবিচ্ছিন্ন রাখতে
নির্দেশ দিয়েছেন, তা
ছিন্ন
করে,
আর
পৃথিবীর বুকে
অশান্তি সৃষ্টি
করে।
ওরা
যথার্থই ক্ষতিগ্রস্ত।(সূরা
বাকারা
২:২৭ )
كَيْفَ
تَكْفُرُونَ بِاللَّهِ وَكُنتُمْ أَمْوَاتاً فَأَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ
ثُمَّ يُحْيِيكُمْ ثُمَّ إِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
কেমন
করে
তোমরা
আল্লাহর ব্যাপারে কুফরী
অবলম্বন করছ?
অথচ
তোমরা
ছিলে
নিষ্প্রাণ। অতঃপর
তিনিই
তোমাদেরকে প্রাণ
দান
করেছেন,
আবার
মৃত্যু
দান
করবেন।
পুনরায় তোমাদেরকে জীবনদান করবেন।
অতঃপর
তারই
প্রতি
প্রত্যাবর্তন করবে।(সূরা বাকারা ২:২৮ )
هُوَ
الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الأَرْضِ جَمِيعاً ثُمَّ اسْتَوَى إِلَى السَّمَاء
فَسَوَّاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
তিনিই
সে
সত্ত্বা যিনি
সৃষ্টি
করেছেন
তোমাদের জন্য
যা
কিছু
জমীনে
রয়েছে
সে
সমস্ত।
তারপর
তিনি
মনোসংযোগ করেছেন
আকাশের
প্রতি।
বস্তুতঃ তিনি
তৈরী করেছেন সাত
আসমান।
আর
আল্লাহ
সর্ববিষয়ে অবহিত।(সূরা বাকারা ২:২৯ )
وَإِذْ
قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلاَئِكَةِ إِنِّي جَاعِلٌ فِي الأَرْضِ خَلِيفَةً قَالُواْ
أَتَجْعَلُ فِيهَا مَن يُفْسِدُ فِيهَا وَيَسْفِكُ الدِّمَاء وَنَحْنُ نُسَبِّحُ
بِحَمْدِكَ وَنُقَدِّسُ لَكَ قَالَ إِنِّي أَعْلَمُ مَا لاَ تَعْلَمُونَ
আর
তোমার
পালনকর্তা যখন
ফেরেশতাদিগকে বললেনঃ
আমি
পৃথিবীতে একজন
প্রতিনিধি বানাতে
যাচ্ছি,
তখন
ফেরেশতাগণ বলল,
তুমি
কি
পৃথিবীতে এমন
কাউকে
সৃষ্টি
করবে
যে
দাঙ্গা-হাঙ্ গামার সৃষ্টি
করবে
এবং
রক্তপাত ঘটাবে?
অথচ
আমরা
নিয়ত
তোমার
গুণকীর্তন করছি
এবং
তোমার
পবিত্র
সত্তাকে স্মরণ
করছি।
তিনি
বললেন,
নিঃসন্দেহে আমি
জানি,
যা
তোমরা
জান
না।(সূরা বাকারা ২:৩০ )
وَعَلَّمَ
آدَمَ الأَسْمَاء كُلَّهَا ثُمَّ عَرَضَهُمْ عَلَى الْمَلاَئِكَةِ فَقَالَ
أَنبِئُونِي بِأَسْمَاء هَـؤُلاء إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
আর
আল্লাহ
তা’আলা শিখালেন আদমকে
সমস্ত
বস্তু-সামগ্ রীর নাম।
তারপর
সে
সমস্ত
বস্তু-সামগ্ রীকে ফেরেশতাদের সামনে
উপস্থাপন করলেন।
অতঃপর
বললেন,
আমাকে
তোমরা
এগুলোর
নাম
বলে
দাও,
যদি
তোমরা
সত্য
হয়ে
থাক।(সূরা বাকারা ২:৩১ )
قَالُواْ
سُبْحَانَكَ لاَ عِلْمَ لَنَا إِلاَّ مَا عَلَّمْتَنَا إِنَّكَ أَنتَ الْعَلِيمُ
الْحَكِيمُ
তারা
বলল,
তুমি
পবিত্র!
আমরা
কোন
কিছুই
জানি
না,
তবে
তুমি
যা
আমাদিগকে শিখিয়েছ (সেগুলো
ব্যতীত)
নিশ্চয় তুমিই
প্রকৃত
জ্ঞানসম্পন্ন, হেকমতওয়ালা।(সূরা
বাকারা
২:৩২ )
قَالَ
يَا آدَمُ أَنبِئْهُم بِأَسْمَآئِهِمْ فَلَمَّا أَنبَأَهُمْ بِأَسْمَآئِهِمْ قَالَ
أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ إِنِّي أَعْلَمُ غَيْبَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَأَعْلَمُ
مَا تُبْدُونَ وَمَا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ
তিনি
বললেন,
হে
আদম,
ফেরেশতাদেরকে বলে
দাও
এসবের
নাম।
তারপর
যখন
তিনি
বলে
দিলেন
সে
সবের
নাম,
তখন
তিনি
বললেন,
আমি
কি
তোমাদেরকে বলিনি
যে,
আমি
আসমান
ও
যমীনের
যাবতীয় গোপন
বিষয়
সম্পর্কে খুব
ভাল
করেই
অবগত
রয়েছি?
এবং
সেসব
বিষয়ও
জানি
যা
তোমরা
প্রকাশ
কর,
আর
যা
তোমরা
গোপন
কর!(সূরা বাকারা ২:৩৩ )
وَإِذْ
قُلْنَا لِلْمَلاَئِكَةِ اسْجُدُواْ لآدَمَ فَسَجَدُواْ إِلاَّ إِبْلِيسَ أَبَى
وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
এবং
যখন
আমি
হযরত
আদম
(আঃ)-কে সেজদা করার
জন্য
ফেরেশতাগণকে নির্দেশ দিলাম,
তখনই
ইবলীস
ব্যতীত
সবাই
সিজদা
করলো।
সে
(নির্দেশ) পালন
করতে
অস্বীকার করল
এবং
অহংকার
প্রদর্শন করল।
ফলে
সে
কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে
গেল।(সূরা বাকারা ২:৩৪ )
وَقُلْنَا
يَا آدَمُ اسْكُنْ أَنتَ وَزَوْجُكَ الْجَنَّةَ وَكُلاَ مِنْهَا رَغَداً حَيْثُ
شِئْتُمَا وَلاَ تَقْرَبَا هَـذِهِ الشَّجَرَةَ فَتَكُونَا مِنَ الْظَّالِمِينَ
এবং
আমি
আদমকে
হুকুম
করলাম
যে,
তুমি
ও
তোমার
স্ত্রী
জান্নাতে বসবাস
করতে
থাক
এবং
ওখানে
যা
চাও,
যেখান
থেকে
চাও,
পরিতৃপ্তিসহ খেতে
থাক,
কিন্তু
এ
গাছের
নিকটবর্তী হয়ো
না।
অন্যথায় তোমরা
যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে
পড়বে।(সূরা বাকারা ২:৩৫ )
فَأَزَلَّهُمَا
الشَّيْطَانُ عَنْهَا فَأَخْرَجَهُمَا مِمَّا كَانَا فِيهِ وَقُلْنَا اهْبِطُواْ
بَعْضُكُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ وَلَكُمْ فِي الأَرْضِ مُسْتَقَرٌّ وَمَتَاعٌ إِلَى
حِينٍ
অনন্তর
শয়তান
তাদের
উভয়কে
ওখান
থেকে
পদস্খলিত করেছিল। পরে
তারা
যে
সুখ-স্বাচ্ছ ন্দ্যে ছিল তা
থেকে
তাদেরকে বের
করে
দিল
এবং
আমি
বললাম,
তোমরা
নেমে
যাও।
তোমরা
পরস্পর
একে
অপরের
শক্র
হবে
এবং
তোমাদেরকে সেখানে
কিছুকাল অবস্থান করতে
হবে
ও
লাভ
সংগ্রহ
করতে
হবে।(সূরা বাকারা ২:৩৬ )
فَتَلَقَّى
آدَمُ مِن رَّبِّهِ كَلِمَاتٍ فَتَابَ عَلَيْهِ إِنَّهُ هُوَ التَّوَّابُ
الرَّحِيمُ
অতঃপর
হযরত
আদম
(আঃ)
স্বীয়
পালনকর্তার কাছ
থেকে
কয়েকটি কথা
শিখে
নিলেন,
অতঃপর
আল্লাহ
পাক
তাঁর
প্রতি
(করুণাভরে) লক্ষ্য
করলেন।
নিশ্চয়ই তিনি
মহা-ক্ষমাশী ল ও অসীম
দয়ালু।(সূরা
বাকারা
২:৩৭ )
قُلْنَا
اهْبِطُواْ مِنْهَا جَمِيعاً فَإِمَّا يَأْتِيَنَّكُم مِّنِّي هُدًى فَمَن تَبِعَ
هُدَايَ فَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
আমি
হুকুম
করলাম,
তোমরা
সবাই
নীচে
নেমে
যাও।
অতঃপর
যদি
তোমাদের নিকট
আমার
পক্ষ
থেকে
কোন
হেদায়েত পৌঁছে,
তবে
যে
ব্যক্তি আমার
সে
হেদায়েত অনুসারে চলবে,
তার
উপর
না
কোন
ভয়
আসবে,
না
(কোন
কারণে)
তারা
চিন্তাগ্রস্ত ও
সন্তপ্ত হবে।(সূরা বাকারা ২:৩৮ )
وَالَّذِينَ
كَفَرواْ وَكَذَّبُواْ بِآيَاتِنَا أُولَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا
خَالِدُونَ
আর
যে
লোক
তা
অস্বীকার করবে
এবং
আমার
নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা
প্রতিপন্ন করার
প্রয়াস পাবে,
তারাই
হবে
জাহান্নামবাসী; অন্তকাল সেখানে
থাকবে।(সূরা বাকারা ২:৩৯ )
يَا
بَنِي إِسْرَائِيلَ اذْكُرُواْ نِعْمَتِيَ الَّتِي أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ
وَأَوْفُواْ بِعَهْدِي أُوفِ بِعَهْدِكُمْ وَإِيَّايَ فَارْهَبُونِ
হে
বনী-ইসরাঈলগ ণ, তোমরা স্মরণ
কর
আমার
সে
অনুগ্রহ যা
আমি
তোমাদের প্রতি
করেছি
এবং
তোমরা
পূরণ
কর
আমার
সাথে
কৃত
প্রতিজ্ঞা, তাহলে
আমি
তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ
করব।
আর
ভয়
কর
আমাকেই।(সূরা
বাকারা
২:৪০ )
وَآمِنُواْ
بِمَا أَنزَلْتُ مُصَدِّقاً لِّمَا مَعَكُمْ وَلاَ تَكُونُواْ أَوَّلَ كَافِرٍ
بِهِ وَلاَ تَشْتَرُواْ بِآيَاتِي ثَمَناً قَلِيلاً وَإِيَّايَ فَاتَّقُونِ
আর
তোমরা
সে
গ্রন্থের প্রতি
বিশ্বাস স্থাপন
কর,
যা
আমি
অবতীর্ণ করেছি
সত্যবক্তা হিসেবে
তোমাদের কাছে।
বস্তুতঃ তোমরা
তার
প্রাথমিক অস্বীকারকারী হয়ো
না
আর
আমার
আয়াতের অল্প
মূল্য
দিও
না।
এবং
আমার
(আযাব)
থেকে
বাঁচ।(সূরা বাকারা ২:৪১ )
وَلاَ
تَلْبِسُواْ الْحَقَّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُواْ الْحَقَّ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
তোমরা
সত্যকে
মিথ্যার সাথে
মিশিয়ে দিও
না
এবং
জানা
সত্ত্বে সত্যকে
তোমরা
গোপন
করো
না।(সূরা বাকারা ২:৪২ )
وَأَقِيمُواْ
الصَّلاَةَ وَآتُواْ الزَّكَاةَ وَارْكَعُواْ مَعَ الرَّاكِعِينَ
আর
নামায
কায়েম
কর,
যাকাত
দান
কর
এবং
নামাযে
অবনত
হও
তাদের
সাথে,
যারা
অবনত
হয়।(সূরা বাকারা ২:৪৩ )
أَتَأْمُرُونَ
النَّاسَ بِالْبِرِّ وَتَنسَوْنَ أَنفُسَكُمْ وَأَنتُمْ تَتْلُونَ الْكِتَابَ
أَفَلاَ تَعْقِلُونَ
তোমরা
কি
মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও
এবং
নিজেরা
নিজেদেরকে ভূলে
যাও,
অথচ
তোমরা
কিতাব
পাঠ
কর?
তবুও
কি
তোমরা
চিন্তা
কর
না?(সূরা বাকারা ২:৪৪ )
وَاسْتَعِينُواْ
بِالصَّبْرِ وَالصَّلاَةِ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلاَّ عَلَى الْخَاشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে
সাহায্য প্রার্থনা কর
নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য
তা
যথেষ্ট
কঠিন।
কিন্তু
সে
সমস্ত
বিনয়ী
লোকদের
পক্ষেই
তা
সম্ভব।(সূরা বাকারা ২:৪৫ )
الَّذِينَ
يَظُنُّونَ أَنَّهُم مُّلاَقُوا رَبِّهِمْ وَأَنَّهُمْ إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
যারা
একথা
খেয়াল
করে
যে,
তাদেরকে সম্মুখীন হতে
হবে
স্বীয়
পরওয়ারদেগারের এবং
তাঁরই
দিকে
ফিরে
যেতে
হবে।(সূরা বাকারা ২:৪৬ )
يَا
بَنِي إِسْرَائِيلَ اذْكُرُواْ نِعْمَتِيَ الَّتِي أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَنِّي
فَضَّلْتُكُمْ عَلَى الْعَالَمِينَ
হে
বনী-ইসরাঈলগ ণ! তোমরা স্মরণ
কর
আমার
অনুগ্রহের কথা,
যা
আমি
তোমাদের উপর
করেছি
এবং
(স্মরণ
কর)
সে
বিষয়টি যে,
আমি
তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান
করেছি
সমগ্র
বিশ্বের উপর।(সূরা বাকারা ২:৪৭ )
وَاتَّقُواْ
يَوْماً لاَّ تَجْزِي نَفْسٌ عَن نَّفْسٍ شَيْئاً وَلاَ يُقْبَلُ مِنْهَا
شَفَاعَةٌ وَلاَ يُؤْخَذُ مِنْهَا عَدْلٌ وَلاَ هُمْ يُنصَرُونَ
আর
সে
দিনের
ভয়
কর,
যখন
কেউ
কারও
সামান্য উপকারে
আসবে
না
এবং
তার
পক্ষে
কোন
সুপারিশও কবুল
হবে
না;
কারও
কাছ
থেকে
ক্ষতিপূরণও নেয়া
হবে
না
এবং
তারা
কোন
রকম
সাহায্যও পাবে
না।(সূরা বাকারা ২:৪৮ )
وَإِذْ
نَجَّيْنَاكُم مِّنْ آلِ فِرْعَوْنَ يَسُومُونَكُمْ سُوَءَ الْعَذَابِ
يُذَبِّحُونَ أَبْنَاءكُمْ وَيَسْتَحْيُونَ نِسَاءكُمْ وَفِي ذَلِكُم بَلاء مِّن
رَّبِّكُمْ عَظِيمٌ
আর
(স্মরণ
কর)
সে
সময়ের
কথা,
যখন
আমি
তোমাদিগকে মুক্তিদান করেছি
ফেরআউনের লোকদের
কবল
থেকে
যারা
তোমাদিগকে কঠিন
শাস্তি
দান
করত;
তোমাদের পুত্রসন্তানদেরকে জবাই
করত
এবং
তোমাদের স্ত্রীদিগকে অব্যাহতি দিত।
বস্তুতঃ তাতে
পরীক্ষা ছিল
তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে,
মহা
পরীক্ষা।(সূরা
বাকারা
২:৪৯ )
وَإِذْ
فَرَقْنَا بِكُمُ الْبَحْرَ فَأَنجَيْنَاكُمْ وَأَغْرَقْنَا آلَ فِرْعَوْنَ
وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ
আর
যখন
আমি
তোমাদের জন্য
সাগরকে
দ্বিখন্ডিত করেছি,
অতঃপর
তোমাদেরকে বাঁচিয়ে দিয়েছি এবং
ডুবিয়ে দিয়েছি ফেরআউনের লোকদিগকে অথচ
তোমরা
দেখছিলে।(সূরা
বাকারা
২:৫০ )
وَإِذْ
وَاعَدْنَا مُوسَى أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ثُمَّ اتَّخَذْتُمُ الْعِجْلَ مِن
بَعْدِهِ وَأَنتُمْ ظَالِمُونَ
আর
যখন
আমি
মূসার
সাথে
ওয়াদা
করেছি
চল্লিশ
রাত্রির অতঃপর
তোমরা
গোবৎস
বানিয়ে নিয়েছ
মূসার
অনুপস্থিতিতে। বস্তুতঃ তোমরা
ছিলে
যালেম।(সূরা বাকারা ২:৫১ )
ثُمَّ
عَفَوْنَا عَنكُمِ مِّن بَعْدِ ذَلِكَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
তারপর
আমি
তাতেও
তোমাদেরকে ক্ষমা
করে
দিয়েছি, যাতে
তোমরা
কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে
নাও।(সূরা বাকারা ২:৫২ )
وَإِذْ
آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ وَالْفُرْقَانَ لَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
আর
(স্মরণ
কর)
যখন
আমি
মূসাকে
কিতাব
এবং
সত্য-মিথ্যা র পার্থক্য বিধানকারী নির্দেশ দান
করেছি,
যাতে
তোমরা
সরল
পথ
প্রাপ্ত হতে
পার।(সূরা বাকারা ২:৫৩ )
وَإِذْ
قَالَ مُوسَى لِقَوْمِهِ يَا قَوْمِ إِنَّكُمْ ظَلَمْتُمْ أَنفُسَكُمْ
بِاتِّخَاذِكُمُ الْعِجْلَ فَتُوبُواْ إِلَى بَارِئِكُمْ فَاقْتُلُواْ أَنفُسَكُمْ
ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ عِندَ بَارِئِكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ إِنَّهُ هُوَ
التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
আর
যখন
মূসা
তার
সম্প্রদায়কে বলল,
হে
আমার
সম্প্রদায়, তোমরা
তোমাদেরই ক্ষতিসাধন করেছ
এই
গোবৎস
নির্মাণ করে।
কাজেই
এখন
তওবা
কর
স্বীয়
স্রষ্টার প্রতি
এবং
নিজ
নিজ
প্রাণ
বিসর্জন দাও।
এটাই
তোমাদের জন্য
কল্যাণকর তোমাদের স্রষ্টার নিকট।
তারপর
তোমাদের প্রতি
লক্ষ্য
করা
হল।
নিঃসন্দেহে তিনিই
ক্ষমাকারী, অত্যন্ত মেহেরবান।(সূরা
বাকারা
২:৫৪ )
وَإِذْ
قُلْتُمْ يَا مُوسَى لَن نُّؤْمِنَ لَكَ حَتَّى نَرَى اللَّهَ جَهْرَةً
فَأَخَذَتْكُمُ الصَّاعِقَةُ وَأَنتُمْ تَنظُرُونَ
আর
যখন
তোমরা
বললে,
হে
মূসা,
কস্মিনকালেও আমরা
তোমাকে
বিশ্বাস করব
না,
যতক্ষণ
না
আমরা
আল্লাহকে (প্রকাশ্যে) দেখতে
পাব।
বস্তুতঃ তোমাদিগকে পাকড়াও করল
বিদ্যুৎ। অথচ
তোমরা
তা
প্রত্যক্ষ করছিলে।(সূরা
বাকারা
২:৫৫ )
ثُمَّ
بَعَثْنَاكُم مِّن بَعْدِ مَوْتِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
তারপর,
মরে
যাবার
পর
তোমাদিগকে আমি
তুলে
দাঁড়
করিয়েছি, যাতে
করে
তোমরা
কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে
নাও।(সূরা বাকারা ২:৫৬ )
وَظَلَّلْنَا
عَلَيْكُمُ الْغَمَامَ وَأَنزَلْنَا عَلَيْكُمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى كُلُواْ مِن
طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَمَا ظَلَمُونَا وَلَـكِن كَانُواْ أَنفُسَهُمْ
يَظْلِمُونَ
আর
আমি
তোমাদের উপর
ছায়া
দান
করেছি
মেঘমালার দ্বারা
এবং
তোমাদের জন্য
খাবার
পাঠিয়েছি ‘মান্না’
ও
সালওয়া’।
সেসব
পবিত্র
বস্তু
তোমরা
ভক্ষন
কর,
যা
আমি
তোমাদেরকে দান
করেছি।
বস্তুতঃ তারা
আমার
কোন
ক্ষতি
করতে
পারেনি,
বরং
নিজেদেরই ক্ষতি
সাধন
করেছে।(সূরা বাকারা ২:৫৭ )
وَإِذْ
قُلْنَا ادْخُلُواْ هَـذِهِ الْقَرْيَةَ فَكُلُواْ مِنْهَا حَيْثُ شِئْتُمْ
رَغَداً وَادْخُلُواْ الْبَابَ سُجَّداً وَقُولُواْ حِطَّةٌ نَّغْفِرْ لَكُمْ
خَطَايَاكُمْ وَسَنَزِيدُ الْمُحْسِنِينَ
আর
যখন
আমি
বললাম,
তোমরা
প্রবেশ
কর
এ
নগরীতে
এবং
এতে
যেখানে
খুশী
খেয়ে
স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ
করতে
থাক
এবং
দরজার
ভিতর
দিয়ে
প্রবেশ
করার
সময়
সেজদা
করে
ঢুক,
আর
বলতে
থাক-`আমাদিগকে ক্ষমা করে দাও’-তাহলে আমি তোমাদের অপরাধ
ক্ষমা
করব
এবং
সৎ
কর্মশীলদেরকে অতিরিক্ত দানও
করব।(সূরা বাকারা ২:৫৮ )
فَبَدَّلَ
الَّذِينَ ظَلَمُواْ قَوْلاً غَيْرَ الَّذِي قِيلَ لَهُمْ فَأَنزَلْنَا عَلَى
الَّذِينَ ظَلَمُواْ رِجْزاً مِّنَ السَّمَاء بِمَا كَانُواْ يَفْسُقُونَ
অতঃপর
যালেমরা কথা
পাল্টে
দিয়েছে, যা
কিছু
তাদেরকে বলে
দেয়া
হয়েছিল তা
থেকে।
তারপর
আমি
অবতীর্ণ করেছি
যালেমদের উপর
আযাব,
আসমান
থেকে,
নির্দেশ লংঘন
করার
কারণে।(সূরা বাকারা ২:৫৯ )
وَإِذِ
اسْتَسْقَى مُوسَى لِقَوْمِهِ فَقُلْنَا اضْرِب بِّعَصَاكَ الْحَجَرَ فَانفَجَرَتْ
مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْناً قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَّشْرَبَهُمْ
كُلُواْ وَاشْرَبُواْ مِن رِّزْقِ اللَّهِ وَلاَ تَعْثَوْاْ فِي الأَرْضِ
مُفْسِدِينَ
আর
মূসা
যখন
নিজ
জাতির
জন্য
পানি
চাইল,
তখন
আমি
বললাম,
স্বীয়
যষ্ঠির
দ্বারা
আঘাত
কর
পাথরের
উপরে।
অতঃপর
তা
থেকে
প্রবাহিত হয়ে
এল
বারটি
প্রস্রবণ। তাদের
সব
গোত্রই
চিনে
নিল
নিজ
নিজ
ঘাট।
আল্লাহর দেয়া
রিযিক
খাও,
পান
কর
আর
দুনিয়ার বুকে
দাংগা-হাংগা মা করে
বেড়িও
না।(সূরা বাকারা ২:৬০ )
وَإِذْ
قُلْتُمْ يَا مُوسَى لَن نَّصْبِرَ عَلَىَ طَعَامٍ وَاحِدٍ فَادْعُ لَنَا رَبَّكَ
يُخْرِجْ لَنَا مِمَّا تُنبِتُ الأَرْضُ مِن بَقْلِهَا وَقِثَّآئِهَا وَفُومِهَا
وَعَدَسِهَا وَبَصَلِهَا قَالَ أَتَسْتَبْدِلُونَ الَّذِي هُوَ أَدْنَى بِالَّذِي
هُوَ خَيْرٌ اهْبِطُواْ مِصْراً فَإِنَّ لَكُم مَّا سَأَلْتُمْ وَضُرِبَتْ
عَلَيْهِمُ الذِّلَّةُ وَالْمَسْكَنَةُ وَبَآؤُوْاْ بِغَضَبٍ مِّنَ اللَّهِ ذَلِكَ
بِأَنَّهُمْ كَانُواْ يَكْفُرُونَ بِآيَاتِ اللَّهِ وَيَقْتُلُونَ النَّبِيِّينَ
بِغَيْرِ الْحَقِّ ذَلِكَ بِمَا عَصَواْ وَّكَانُواْ يَعْتَدُونَ
আর
তোমরা
যখন
বললে,
হে
মূসা,
আমরা
একই
ধরনের
খাদ্য-দ্রব্ যে কখনও
ধৈর্য্যধারণ করব
না।
কাজেই
তুমি
তোমার
পালনকর্তার নিকট
আমাদের
পক্ষে
প্রার্থনা কর,
তিনি
যেন
আমাদের
জন্যে
এমন
বস্তুসামগ্রী দান
করেন
যা
জমিতে
উৎপন্ন
হয়,
তরকারী,
কাকড়ী,
গম,
মসুরি,
পেঁয়াজ প্রভৃতি। মূসা
(আঃ)
বললেন,
তোমরা
কি
এমন
বস্তু
নিতে
চাও
যা
নিকৃষ্ট সে
বস্তুর
পরিবর্তে যা
উত্তম?
তোমরা
কোন
নগরীতে
উপনীত
হও,
তাহলেই
পাবে
যা
তোমরা
কামনা
করছ।
আর
তাদের
উপর
আরোপ
করা
হল
লাঞ্ছনা ও
পরমুখাপেক্ষিতা। তারা
আল্লাহর রোষানলে পতিত
হয়ে
ঘুরতে
থাকল।
এমন
হলো
এ
জন্য
যে,
তারা
আল্লাহর বিধি
বিধান
মানতো
না
এবং
নবীগনকে অন্যায়ভাবে হত্যা
করত।
তার
কারণ,
তারা
ছিল
নাফরমান সীমালংঘকারী।(সূরা
বাকারা
২:৬১ )
إِنَّ
الَّذِينَ آمَنُواْ وَالَّذِينَ هَادُواْ وَالنَّصَارَى وَالصَّابِئِينَ مَنْ
آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَعَمِلَ صَالِحاً فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ
رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
নিঃসন্দেহে যারা
মুসলমান হয়েছে
এবং
যারা
ইহুদী,
নাসারা
ও
সাবেঈন,
(তাদের
মধ্য
থেকে)
যারা
ঈমান
এনেছে
আল্লাহর প্রতি
ও
কিয়ামত দিবসের
প্রতি
এবং
সৎকাজ
করেছে,
তাদের
জন্য
রয়েছে
তার
সওয়াব
তাদের
পালনকর্তার কাছে।
আর
তাদের
কোনই
ভয়-ভীতি নেই, তারা
দুঃখিতও হবে
না।(সূরা বাকারা ২:৬২ )
وَإِذْ
أَخَذْنَا مِيثَاقَكُمْ وَرَفَعْنَا فَوْقَكُمُ الطُّورَ خُذُواْ مَا آتَيْنَاكُم بِقُوَّةٍ
وَاذْكُرُواْ مَا فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
আর
আমি
যখন
তোমাদের কাছ
থেকে
অঙ্গীকার নিয়েছিলাম এবং
তুর
পর্বতকে তোমাদের মাথার
উপর
তুলে
ধরেছিলাম এই
বলে
যে,
তোমাদিগকে যে
কিতাব
দেয়া
হয়েছে
তাকে
ধর
সুদৃঢ়ভাবে এবং
এতে
যা
কিছু
রয়েছে
তা
মনে
রেখো
যাতে
তোমরা
ভয়
কর।(সূরা বাকারা ২:৬৩ )
ثُمَّ
تَوَلَّيْتُم مِّن بَعْدِ ذَلِكَ فَلَوْلاَ فَضْلُ اللَّهِ عَلَيْكُمْ
وَرَحْمَتُهُ لَكُنتُم مِّنَ الْخَاسِرِينَ
তারপরেও তোমরা
তা
থেকে
ফিরে
গেছ।
কাজেই
আল্লাহর অনুগ্রহ ও
মেহেরবানী যদি
তোমাদের উপর
না
থাকত,
তবে
অবশ্যই
তোমরা
ধবংস
হয়ে
যেতে।(সূরা বাকারা ২:৬৪ )
وَلَقَدْ
عَلِمْتُمُ الَّذِينَ اعْتَدَواْ مِنكُمْ فِي السَّبْتِ فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُواْ
قِرَدَةً خَاسِئِينَ
তোমরা
তাদেরকে ভালরূপে জেনেছ,
যারা
শনিবারের ব্যাপারে সীমা
লঙ্ঘণ
করেছিল। আমি
বলেছিলামঃ তোমরা
লাঞ্ছিত বানর
হয়ে
যাও।(সূরা বাকারা
২:৬৫ )
فَجَعَلْنَاهَا
نَكَالاً لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهَا وَمَا خَلْفَهَا وَمَوْعِظَةً لِّلْمُتَّقِينَ
অতঃপর
আমি
এ
ঘটনাকে
তাদের
সমসাময়িক ও
পরবর্তীদের জন্য
দৃষ্টান্ত এবং
আল্লাহভীরুদের জন্য
উপদেশ
গ্রহণের উপাদান
করে
দিয়েছি।(সূরা
বাকারা
২:৬৬ )
وَإِذْ
قَالَ مُوسَى لِقَوْمِهِ إِنَّ اللّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَذْبَحُواْ بَقَرَةً
قَالُواْ أَتَتَّخِذُنَا هُزُواً قَالَ أَعُوذُ بِاللّهِ أَنْ أَكُونَ مِنَ
الْجَاهِلِينَ
যখন
মূসা
(আঃ)
স্বীয়
সম্প্রদায়কে বললেনঃ
আল্লাহ
তোমাদের একটি
গরু
জবাই
করতে
বলেছেন। তারা
বলল,
তুমি
কি
আমাদের
সাথে
উপহাস
করছ?
মূসা
(আঃ)
বললেন,
মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া
থেকে
আমি
আল্লাহর আশ্রয়
প্রার্থনা করছি।(সূরা বাকারা ২:৬৭ )
قَالُواْ
ادْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّن لّنَا مَا هِيَ قَالَ إِنَّهُ يَقُولُ إِنَّهَا
بَقَرَةٌ لاَّ فَارِضٌ وَلاَ بِكْرٌ عَوَانٌ بَيْنَ ذَلِكَ فَافْعَلُواْ مَا
تُؤْمَرونَ
তারা
বলল,
তুমি
তোমার
পালনকর্তার কাছে
আমাদের
জন্য
প্রার্থনা কর,
যেন
সেটির
রূপ
বিশ্লেষণ করা
হয়।
মূসা
(আঃ)
বললেন,
তিনি
বলছেন,
সেটা
হবে
একটা
গাভী,
যা
বৃদ্ধ
নয়
এবং
কুমারীও নয়-বার্ধক্ য ও যৌবনের
মাঝামাঝি বয়সের। এখন
আদিষ্ট
কাজ
করে
ফেল।(সূরা বাকারা ২:৬৮ )
قَالُواْ
ادْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّن لَّنَا مَا لَوْنُهَا قَالَ إِنَّهُ يَقُولُ إِنّهَا
بَقَرَةٌ صَفْرَاء فَاقِـعٌ لَّوْنُهَا تَسُرُّ النَّاظِرِينَ
তারা
বলল,
তোমার
পালনকর্তার কাছে
আমাদের
জন্য
প্রার্থনা কর
যে,
তার
রঙ
কিরূপ
হবে?
মূসা
(আঃ)
বললেন,
তিনি
বলেছেন
যে,
গাঢ়
পীতবর্ণের গাভী-যা দর্শকদের চমৎকৃত
করবে।(সূরা বাকারা ২:৬৯ )
قَالُواْ
ادْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّن لَّنَا مَا هِيَ إِنَّ البَقَرَ تَشَابَهَ عَلَيْنَا
وَإِنَّا إِن شَاء اللَّهُ لَمُهْتَدُونَ
তারা
বলল,
আপনি
প্রভুর
কাছে
প্রার্থনা করুন-তিনি বলে দিন
যে,
সেটা
কিরূপ?
কেননা,
গরু
আমাদের
কাছে
সাদৃশ্যশীল মনে
হয়।
ইনশাআল্লাহ এবার
আমরা
অবশ্যই
পথপ্রাপ্ত হব।
মূসা
(আঃ)
বললেন,
তিনি
বলেন
যে,
এ
গাভী
ভূকর্ষণ ও
জল
সেচনের
শ্রমে
অভ্যস্ত নয়-হবে নিষ্কলঙ্ক, নিখুঁত।(সূরা
বাকারা
২:৭০ )
قَالَ
إِنَّهُ يَقُولُ إِنَّهَا بَقَرَةٌ لاَّ ذَلُولٌ تُثِيرُ الأَرْضَ وَلاَ تَسْقِي
الْحَرْثَ مُسَلَّمَةٌ لاَّ شِيَةَ فِيهَا قَالُواْ الآنَ جِئْتَ بِالْحَقِّ
فَذَبَحُوهَا وَمَا كَادُواْ يَفْعَلُونَ
তারা
বলল,
এবার
সঠিক
তথ্য
এনেছ।
অতঃপর
তারা
সেটা
জবাই
করল,
অথচ
জবাই
করবে
বলে
মনে
হচ্ছিল
না।(সূরা বাকারা ২:৭১ )
وَإِذْ
قَتَلْتُمْ نَفْساً فَادَّارَأْتُمْ فِيهَا وَاللّهُ مُخْرِجٌ مَّا كُنتُمْ
تَكْتُمُونَ
যখন
তোমরা
একজনকে
হত্যা
করে
পরে
সে
সম্পর্কে একে
অপরকে
অভিযুক্ত করেছিলে। যা
তোমরা
গোপন
করছিলে,
তা
প্রকাশ
করে
দেয়া
ছিল
আল্লাহর অভিপ্রায়।(সূরা
বাকারা
২:৭২ )
فَقُلْنَا
اضْرِبُوهُ بِبَعْضِهَا كَذَلِكَ يُحْيِي اللّهُ الْمَوْتَى وَيُرِيكُمْ آيَاتِهِ
لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
অতঃপর
আমি
বললামঃ
গরুর
একটি
খন্ড
দ্বারা
মৃতকে
আঘাত
কর।
এভাবে
আল্লাহ
মৃতকে
জীবিত
করেন
এবং
তোমাদেরকে তাঁর
নিদর্শণ সমূহ
প্রদর্শন করেন-যাতে তোমরা চিন্তা
কর।(সূরা বাকারা ২:৭৩ )
ثُمَّ
قَسَتْ قُلُوبُكُم مِّن بَعْدِ ذَلِكَ فَهِيَ كَالْحِجَارَةِ أَوْ أَشَدُّ
قَسْوَةً وَإِنَّ مِنَ الْحِجَارَةِ لَمَا يَتَفَجَّرُ مِنْهُ الأَنْهَارُ وَإِنَّ
مِنْهَا لَمَا يَشَّقَّقُ فَيَخْرُجُ مِنْهُ الْمَاء وَإِنَّ مِنْهَا لَمَا
يَهْبِطُ مِنْ خَشْيَةِ اللّهِ وَمَا اللّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অতঃপর
এ
ঘটনার
পরে
তোমাদের অন্তর
কঠিন
হয়ে
গেছে।
তা
পাথরের
মত
অথবা
তদপেক্ষাও কঠিন।
পাথরের
মধ্যে
এমন
ও
আছে;
যা
থেকে
ঝরণা
প্রবাহিত হয়,
এমনও
আছে,
যা
বিদীর্ণ হয়,
অতঃপর
তা
থেকে
পানি
নির্গত
হয়
এবং
এমনও
আছে,
যা
আল্লাহর ভয়ে
খসেপড়তে থাকে!
আল্লাহ
তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।(সূরা
বাকারা
২:৭৪ )
أَفَتَطْمَعُونَ
أَن يُؤْمِنُواْ لَكُمْ وَقَدْ كَانَ فَرِيقٌ مِّنْهُمْ يَسْمَعُونَ كَلاَمَ اللّهِ
ثُمَّ يُحَرِّفُونَهُ مِن بَعْدِ مَا عَقَلُوهُ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
হে
মুসলমানগণ, তোমরা
কি
আশা
কর
যে,
তারা
তোমাদের কথায়
ঈমান
আনবে?
তাদের
মধ্যে
একদল
ছিল,
যারা
আল্লাহর বাণী
শ্রবণ
করত;
অতঃপর
বুঝে-শুনে তা পরিবর্তন করে
দিত
এবং
তারা
তা
অবগত
ছিল।(সূরা বাকারা ২:৭৫ )
وَإِذَا
لَقُواْ الَّذِينَ آمَنُواْ قَالُواْ آمَنَّا وَإِذَا خَلاَ بَعْضُهُمْ إِلَىَ
بَعْضٍ قَالُواْ أَتُحَدِّثُونَهُم بِمَا فَتَحَ اللّهُ عَلَيْكُمْ لِيُحَآجُّوكُم
بِهِ عِندَ رَبِّكُمْ أَفَلاَ تَعْقِلُونَ
যখন
তারা
মুসলমানদের সাথে
মিলিত
হয়,
তখন
বলেঃ
আমরা
মুসলমান হয়েছি। আর
যখন
পরস্পরের সাথে
নিভৃতে
অবস্থান করে,
তখন
বলে,
পালনকর্তা তোমাদের জন্যে
যা
প্রকাশ
করেছেন,
তা
কি
তাদের
কাছে
বলে
দিচ্ছ?
তাহলে
যে
তারা
এ
নিয়ে
পালকর্তার সামনে
তোমাদেরকে মিথ্যা
প্রতিপন্ন করবে।
তোমরা
কি
তা
উপলব্ধি কর
না?(সূরা বাকারা ২:৭৬ )
أَوَلاَ
يَعْلَمُونَ أَنَّ اللّهَ يَعْلَمُ مَا يُسِرُّونَ وَمَا يُعْلِنُونَ
তারা
কি
এতটুকুও জানে
না
যে,
আল্লাহ
সেসব
বিষয়ও
পরিজ্ঞাত যা
তারা
গোপন
করে
এবং
যা
প্রকাশ
করে?(সূরা বাকারা ২:৭৭ )
وَمِنْهُمْ
أُمِّيُّونَ لاَ يَعْلَمُونَ الْكِتَابَ إِلاَّ أَمَانِيَّ وَإِنْ هُمْ إِلاَّ
يَظُنُّونَ
তোমাদের কিছু
লোক
নিরক্ষর। তারা
মিথ্যা
আকাঙ্খা ছাড়া
আল্লাহর গ্রন্থের কিছুই
জানে
না।
তাদের
কাছে
কল্পনা
ছাড়া
কিছুই
নেই।(সূরা বাকারা ২:৭৮ )
فَوَيْلٌ
لِّلَّذِينَ يَكْتُبُونَ الْكِتَابَ بِأَيْدِيهِمْ ثُمَّ يَقُولُونَ هَـذَا مِنْ
عِندِ اللّهِ لِيَشْتَرُواْ بِهِ ثَمَناً قَلِيلاً فَوَيْلٌ لَّهُم مِّمَّا
كَتَبَتْ أَيْدِيهِمْ وَوَيْلٌ لَّهُمْ مِّمَّا يَكْسِبُونَ
অতএব
তাদের
জন্যে
আফসোস!
যারা
নিজ
হাতে
গ্রন্থ
লেখে
এবং
বলে,
এটা
আল্লাহর পক্ষ
থেকে
অবতীর্ণ-যাত
ে
এর
বিনিময়ে সামান্য অর্থ
গ্রহণ
করতে
পারে।
অতএব
তাদের
প্রতি
আক্ষেপ,
তাদের
হাতের
লেখার
জন্য
এবং
তাদের
প্রতি
আক্ষেপ,
তাদের
উপার্জনের জন্যে।(সূরা বাকারা ২:৭৯ )
وَقَالُواْ
لَن تَمَسَّنَا النَّارُ إِلاَّ أَيَّاماً مَّعْدُودَةً قُلْ أَتَّخَذْتُمْ عِندَ
اللّهِ عَهْدًا فَلَن يُخْلِفَ اللّهُ عَهْدَهُ أَمْ تَقُولُونَ عَلَى اللّهِ مَا
لاَ تَعْلَمُونَ
তারা
বলেঃ
আগুন
আমাদিগকে কখনও
স্পর্শ
করবে
না;
কিন্তু
গণাগনতি কয়েকদিন। বলে
দিনঃ
তোমরা
কি
আল্লাহর কাছ
থেকে
কোন
অঙ্গীকার পেয়েছ
যে,
আল্লাহ
কখনও
তার
খেলাফ
করবেন
না-না তোমরা যা
জান
না,
তা
আল্লাহর সাথে
জুড়ে
দিচ্ছ।(সূরা বাকারা ২:৮০ )
بَلَى
مَن كَسَبَ سَيِّئَةً وَأَحَاطَتْ بِهِ خَطِيـئَتُهُ فَأُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ
النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
হাঁ,
যে
ব্যক্তি পাপ
অর্জন
করেছে
এবং
সে
পাপ
তাকে
পরিবেষ্টিত করে
নিয়েছে, তারাই
দোযখের
অধিবাসী। তারা
সেখানেই চিরকাল
থাকবে।(সূরা বাকারা ২:৮১ )
وَالَّذِينَ
آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ أُولَـئِكَ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ هُمْ فِيهَا
خَالِدُونَ
পক্ষান্তরে যারা
ঈমান
এনেছে
এবং
সৎকাজ
করেছে,
তারাই
জান্নাতের অধিবাসী। তারা
সেখানেই চিরকাল
থাকবে।(সূরা বাকারা ২:৮২ )
وَإِذْ
أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ لاَ تَعْبُدُونَ إِلاَّ اللّهَ
وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَاناً وَذِي الْقُرْبَى وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ
وَقُولُواْ لِلنَّاسِ حُسْناً وَأَقِيمُواْ الصَّلاَةَ وَآتُواْ الزَّكَاةَ ثُمَّ
تَوَلَّيْتُمْ إِلاَّ قَلِيلاً مِّنكُمْ وَأَنتُم مِّعْرِضُونَ
যখন
আমি
বনী-ইসরাঈলে র কাছ থেকে
অঙ্গীকার নিলাম
যে,
তোমরা
আল্লাহ
ছাড়া
কারও
উপাসনা
করবে
না,
পিতা-মাতা, আত্নীয়-স্ব
জন,
এতীম
ও
দীন-দরিদ্রদ ের সাথে সদ্ব্যবহার করবে,
মানুষকে সৎ
কথাবার্তা বলবে,
নামায
প্রতিষ্ঠা করবে
এবং
যাকাত
দেবে,
তখন
সামান্য কয়েকজন ছাড়া
তোমরা
মুখ
ফিরিয়ে নিলে,
তোমরাই
অগ্রাহ্যকারী।(সূরা
বাকারা
২:৮৩ )
وَإِذْ
أَخَذْنَا مِيثَاقَكُمْ لاَ تَسْفِكُونَ دِمَاءكُمْ وَلاَ تُخْرِجُونَ أَنفُسَكُم
مِّن دِيَارِكُمْ ثُمَّ أَقْرَرْتُمْ وَأَنتُمْ تَشْهَدُونَ
যখন
আমি
তোমাদের কাছ
থেকে
অঙ্গীকার নিলাম
যে,
তোমরা
পরস্পর
খুনাখুনি করবে
না
এবং
নিজেদেরকে দেশ
থেকে
বহিস্কার করবে
না,
তখন
তোমরা
তা
স্বীকার করেছিলে এবং
তোমরা
তার
সাক্ষ্য দিচ্ছিলে।(সূরা
বাকারা
২:৮৪ )
ثُمَّ
أَنتُمْ هَـؤُلاء تَقْتُلُونَ أَنفُسَكُمْ وَتُخْرِجُونَ فَرِيقاً مِّنكُم مِّن
دِيَارِهِمْ تَظَاهَرُونَ عَلَيْهِم بِالإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَإِن يَأتُوكُمْ
أُسَارَى تُفَادُوهُمْ وَهُوَ مُحَرَّمٌ عَلَيْكُمْ إِخْرَاجُهُمْ أَفَتُؤْمِنُونَ
بِبَعْضِ الْكِتَابِ وَتَكْفُرُونَ بِبَعْضٍ فَمَا جَزَاء مَن يَفْعَلُ ذَلِكَ
مِنكُمْ إِلاَّ خِزْيٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ
يُرَدُّونَ إِلَى أَشَدِّ الْعَذَابِ وَمَا اللّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অতঃপর
তোমরাই
পরস্পর
খুনাখুনি করছ
এবং
তোমাদেরই একদলকে
তাদের
দেশ
থেকে
বহিস্কার করছ।
তাদের
বিরুদ্ধে পাপ
ও
অন্যায়ের মাধ্যমে আক্রমণ
করছ।
আর
যদি
তারাই
কারও
বন্দী
হয়ে
তোমাদের কাছে
আসে,
তবে
বিনিময় নিয়ে
তাদের
মুক্ত
করছ।
অথচ
তাদের
বহিস্কার করাও
তোমাদের জন্য
অবৈধ।
তবে
কি
তোমরা
গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর
এবং
কিয়দংশ অবিশ্বাস কর?
যারা
এরূপ
করে
পার্থিব জীবনে
দূগর্তি ছাড়া
তাদের
আর
কোনই
পথ
নেই।
কিয়ামতের দিন
তাদের
কঠোরতম
শাস্তির দিকে
পৌঁছে
দেয়া
হবে।
আল্লাহ
তোমাদের কাজ-কর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন।(সূরা
বাকারা
২:৮৫ )
أُولَـئِكَ
الَّذِينَ اشْتَرَوُاْ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا بِالآَخِرَةِ فَلاَ يُخَفَّفُ
عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلاَ هُمْ يُنصَرُونَ
এরাই
পরকালের বিনিময়ে পার্থিব জীবন
ক্রয়
করেছে।
অতএব
এদের
শাস্তি
লঘু
হবে
না
এবং
এরা
সাহায্যও পাবে
না।(সূরা বাকারা ২:৮৬ )
وَلَقَدْ
آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ وَقَفَّيْنَا مِن بَعْدِهِ بِالرُّسُلِ وَآتَيْنَا
عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ
أَفَكُلَّمَا جَاءكُمْ رَسُولٌ بِمَا لاَ تَهْوَى أَنفُسُكُمُ اسْتَكْبَرْتُمْ
فَفَرِيقاً كَذَّبْتُمْ وَفَرِيقاً تَقْتُلُونَ
অবশ্যই
আমি
মূসাকে
কিতাব
দিয়েছি। এবং
তার
পরে
পর্যায়ক্রমে রসূল
পাঠিয়েছি। আমি
মরিয়ম
তনয়
ঈসাকে
সুস্পষ্ট মোজেযা
দান
করেছি
এবং
পবিত্র
রূহের
মাধ্যমে তাকে
শক্তিদান করেছি।
অতঃপর
যখনই
কোন
রসূল
এমন
নির্দেশ নিয়ে
তোমাদের কাছে
এসেছে,
যা
তোমাদের মনে
ভাল
লাগেনি,
তখনই
তোমরা
অহংকার
করেছ।
শেষ
পর্যন্ত তোমরা
একদলকে
মিথ্যাবাদী বলেছ
এবং
একদলকে
হত্যা
করেছ।(সূরা বাকারা ২:৮৭ )
وَقَالُواْ
قُلُوبُنَا غُلْفٌ بَل لَّعَنَهُمُ اللَّه بِكُفْرِهِمْ فَقَلِيلاً مَّا
يُؤْمِنُونَ
তারা
বলে,
আমাদের
হৃদয়
অর্ধাবৃত। এবং
তাদের
কুফরের
কারণে
আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন। ফলে
তারা
অল্পই
ঈমান
আনে।(সূরা বাকারা ২:৮৮ )
وَلَمَّا
جَاءهُمْ كِتَابٌ مِّنْ عِندِ اللّهِ مُصَدِّقٌ لِّمَا مَعَهُمْ وَكَانُواْ مِن
قَبْلُ يَسْتَفْتِحُونَ عَلَى الَّذِينَ كَفَرُواْ فَلَمَّا جَاءهُم مَّا
عَرَفُواْ كَفَرُواْ بِهِ فَلَعْنَةُ اللَّه عَلَى الْكَافِرِينَ
যখন
তাদের
কাছে
আল্লাহর পক্ষ
থেকে
কিতাব
এসে
পৌঁছাল,
যা
সে
বিষয়ের সত্যায়ন করে,
যা
তাদের
কাছে
রয়েছে
এবং
তারা
পূর্বে
করত।
অবশেষে
যখন
তাদের
কাছে
পৌঁছল
যাকে
তারা
চিনে
রেখেছিল, তখন
তারা
তা
অস্বীকার করে
বসল।
অতএব,
অস্বীকারকারীদের উপর
আল্লাহর অভিসম্পাত।(সূরা
বাকারা
২:৮৯ )
بِئْسَمَا
اشْتَرَوْاْ بِهِ أَنفُسَهُمْ أَن يَكْفُرُواْ بِمَا أنَزَلَ اللّهُ بَغْياً أَن
يُنَزِّلُ اللّهُ مِن فَضْلِهِ عَلَى مَن يَشَاء مِنْ عِبَادِهِ فَبَآؤُواْ
بِغَضَبٍ عَلَى غَضَبٍ وَلِلْكَافِرِينَ عَذَابٌ مُّهِينٌ
যার
বিনিময়ে তারা
নিজেদের বিক্রি
করেছে,
তা
খুবই
মন্দ;
যেহেতু
তারা
আল্লাহ
যা
নযিল
করেছেন,
তা
অস্বীকার করেছে
এই
হঠকারিতার দরুন
যে,
আল্লাহ
স্বীয়
বান্দাদের মধ্যে
যার
প্রতি
ইচ্ছা
অনুগ্রহ নাযিল
করেন।
অতএব,
তারা
ক্রোধের উপর
ক্রোধ
অর্জন
করেছে।
আর
কাফেরদের জন্য
রয়েছে
অপমানজনক শাস্তি।(সূরা
বাকারা
২:৯০ )
وَإِذَا
قِيلَ لَهُمْ آمِنُواْ بِمَا أَنزَلَ اللّهُ قَالُواْ نُؤْمِنُ بِمَا أُنزِلَ
عَلَيْنَا وَيَكْفُرونَ بِمَا وَرَاءهُ وَهُوَ الْحَقُّ مُصَدِّقاً لِّمَا
مَعَهُمْ قُلْ فَلِمَ تَقْتُلُونَ أَنبِيَاء اللّهِ مِن قَبْلُ إِن كُنتُم
مُّؤْمِنِينَ
যখন
তাদেরকে বলা
হয়,
আল্লাহ
যা
পাঠিয়েছেন তা
মেনে
নাও,
তখন
তারা
বলে,
আমরা
মানি
যা
আমাদের
প্রতি
অবর্তীণ হয়েছে। সেটি
ছাড়া
সবগুলোকে তারা
অস্বীকার করে।
অথচ
এ
গ্রন্থটি সত্য
এবং
সত্যায়ন করে
ঐ
গ্রন্থের যা
তাদের
কাছে
রয়েছে। বলে
দিন,
তবে তোমরা ইতিপূর্বে পয়গম্বরদের হত্যা
করতে
কেন
যদি
তোমরা
বিশ্বাসী ছিলে?(সূরা বাকারা ২:৯১ )
وَلَقَدْ
جَاءكُم مُّوسَى بِالْبَيِّنَاتِ ثُمَّ اتَّخَذْتُمُ الْعِجْلَ مِن بَعْدِهِ
وَأَنتُمْ ظَالِمُونَ
সুস্পষ্ট মু’জেযাসহ মূসা তোমাদের কাছে
এসেছেন। এরপর
তার
অনুপস্থিতিতে তোমরা
গোবৎস
বানিয়েছ। বাস্তবিকই তোমরা
অত্যাচারী।(সূরা
বাকারা
২:৯২ )
وَإِذْ
أَخَذْنَا مِيثَاقَكُمْ وَرَفَعْنَا فَوْقَكُمُ الطُّورَ خُذُواْ مَا آتَيْنَاكُم
بِقُوَّةٍ وَاسْمَعُواْ قَالُواْ سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَأُشْرِبُواْ فِي
قُلُوبِهِمُ الْعِجْلَ بِكُفْرِهِمْ قُلْ بِئْسَمَا يَأْمُرُكُمْ بِهِ
إِيمَانُكُمْ إِن كُنتُمْ مُّؤْمِنِينَ
আর
যখন
আমি
তোমাদের কাছ
থেকে
প্রতিশ্রুতি নিলাম
এবং
তুর
পর্বতকে তোমাদের উপর
তুলে
ধরলাম
যে,
শক্ত
করে
ধর,
আমি
যা
তোমাদের দিয়েছি আর
শোন।
তারা
বলল,
আমরা
শুনেছি
আর
অমান্য
করেছি।
কুফরের
কারণে
তাদের
অন্তরে
গোবৎসপ্রীতি পান
করানো
হয়েছিল। বলে
দিন,
তোমরা
বিশ্বাসী হলে,
তোমাদের সে
বিশ্বাস মন্দ
বিষয়াদি শিক্ষা
দেয়।(সূরা বাকারা ২:৯৩ )
قُلْ
إِن كَانَتْ لَكُمُ الدَّارُ الآَخِرَةُ عِندَ اللّهِ خَالِصَةً مِّن دُونِ
النَّاسِ فَتَمَنَّوُاْ الْمَوْتَ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
বলে
দিন,
যদি
আখেরাতের বাসস্থান আল্লাহর কাছে
একমাত্র তোমাদের জন্যই
বরাদ্দ
হয়ে
থাকে-অন্য লোকদের বাদ
দিয়ে,
তবে
মৃত্যু
কামনা
কর,
যদি
সত্যবাদী হয়ে
থাক।(সূরা বাকারা ২:৯৪ )
وَلَن
يَتَمَنَّوْهُ أَبَدًا بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ وَاللّهُ عَلِيمٌ
بِالظَّالِمينَ
কস্মিনকালেও তারা
মৃত্যু
কামনা
করবে
না
ঐসব
গোনাহর
কারণে,
যা
তাদের
হাত
পাঠিয়ে দিয়েছে। আল্লাহ
গোনাহগারদের সম্পর্কে সম্যক
অবগত
রয়েছেন।(সূরা
বাকারা
২:৯৫ )
وَلَتَجِدَنَّهُمْ
أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَى حَيَاةٍ وَمِنَ الَّذِينَ أَشْرَكُواْ يَوَدُّ أَحَدُهُمْ
لَوْ يُعَمَّرُ أَلْفَ سَنَةٍ وَمَا هُوَ بِمُزَحْزِحِهِ مِنَ الْعَذَابِ أَن
يُعَمَّرَ وَاللّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ
আপনি
তাদেরকে জীবনের
প্রতি
সবার
চাইতে,
এমনকি
মুশরিকদের চাইতেও
অধিক
লোভী
দেখবেন। তাদের
প্রত্যেকে কামনা
করে,
যেন
হাজার
বছর
আয়ু
পায়।
অথচ
এরূপ
আয়ু
প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি
থেকে
রক্ষা
করতে
পারবে
না।
আল্লাহ
দেখেন
যা
কিছু
তারা
করে।(সূরা বাকারা ২:৯৬ )
قُلْ
مَن كَانَ عَدُوًّا لِّجِبْرِيلَ فَإِنَّهُ نَزَّلَهُ عَلَى قَلْبِكَ بِإِذْنِ
اللّهِ مُصَدِّقاً لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَهُدًى وَبُشْرَى لِلْمُؤْمِنِينَ
আপনি
বলে
দিন,
যে
কেউ
জিবরাঈলের শত্রু
হয়-যেহেতু তিনি আল্লাহর আদেশে
এ
কালাম
আপনার
অন্তরে
নাযিল
করেছেন,
যা
সত্যায়নকারী তাদের
সম্মুখস্থ কালামের এবং
মুমিনদের জন্য
পথপ্রদর্শক ও
সুসংবাদদাতা।(সূরা
বাকারা
২:৯৭ )
مَن
كَانَ عَدُوًّا لِّلّهِ وَمَلآئِكَتِهِ وَرُسُلِهِ وَجِبْرِيلَ وَمِيكَالَ فَإِنَّ
اللّهَ عَدُوٌّ لِّلْكَافِرِينَ
যে
ব্যক্তি আল্লাহ
তাঁর
ফেরেশতা ও
রসূলগণ
এবং
জিবরাঈল ও
মিকাঈলের শত্রু
হয়,
নিশ্চিতই আল্লাহ
সেসব
কাফেরের শত্রু।(সূরা বাকারা ২:৯৮ )
وَلَقَدْ
أَنزَلْنَا إِلَيْكَ آيَاتٍ بَيِّنَاتٍ وَمَا يَكْفُرُ بِهَا إِلاَّ الْفَاسِقُونَ
আমি
আপনার
প্রতি
উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ করেছি।
অবাধ্যরা ব্যতীত
কেউ
এগুলো
অস্বীকার করে
না।(সূরা বাকারা ২:৯৯ )
أَوَكُلَّمَا
عَاهَدُواْ عَهْداً نَّبَذَهُ فَرِيقٌ مِّنْهُم بَلْ أَكْثَرُهُمْ لاَ يُؤْمِنُونَ
কি
আশ্চর্য, যখন
তারা
কোন
অঙ্গীকারে আবদ্ধ
হয়,
তখন
তাদের
একদল
তা
ছুঁড়ে
ফেলে,
বরং
অধিকাংশই বিশ্বাস করে
না।(সূরা বাকারা ২:১০০ )
وَلَمَّا
جَاءهُمْ رَسُولٌ مِّنْ عِندِ اللّهِ مُصَدِّقٌ لِّمَا مَعَهُمْ نَبَذَ فَرِيقٌ
مِّنَ الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ كِتَابَ اللّهِ وَرَاء ظُهُورِهِمْ
كَأَنَّهُمْ لاَ يَعْلَمُونَ
যখন
তাদের
কাছে
আল্লাহর পক্ষ
থেকে
একজন
রসূল
আগমন
করলেন-যিনি ঐ কিতাবের সত্যায়ন করেন,
যা
তাদের
কাছে
রয়েছে,
তখন
আহলে
কেতাবদের একদল
আল্লাহর গ্রন্থকে পশ্চাতে নিক্ষেপ করল-যেন তারা জানেই
না।(সূরা বাকারা ২:১০১ )
وَاتَّبَعُواْ
مَا تَتْلُواْ الشَّيَاطِينُ عَلَى مُلْكِ سُلَيْمَانَ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ
وَلَـكِنَّ الشَّيْاطِينَ كَفَرُواْ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ وَمَا
أُنزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُوتَ وَمَا يُعَلِّمَانِ
مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولاَ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلاَ تَكْفُرْ
فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ
وَمَا هُم بِضَآرِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلاَّ بِإِذْنِ اللّهِ وَيَتَعَلَّمُونَ
مَا يَضُرُّهُمْ وَلاَ يَنفَعُهُمْ وَلَقَدْ عَلِمُواْ لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ
فِي الآخِرَةِ مِنْ خَلاَقٍ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْاْ بِهِ أَنفُسَهُمْ لَوْ
كَانُواْ يَعْلَمُونَ
তারা
ঐ
শাস্ত্রের অনুসরণ
করল,
যা
সুলায়মানের রাজত্ব
কালে
শয়তানরা আবৃত্তি করত।
সুলায়মান কুফর
করেনি;
শয়তানরাই কুফর
করেছিল। তারা
মানুষকে জাদুবিদ্যা এবং
বাবেল
শহরে
হারুত
ও
মারুত
দুই
ফেরেশতার প্রতি
যা
অবতীর্ণ হয়েছিল, তা
শিক্ষা
দিত।
তারা
উভয়ই
একথা
না
বলে
কাউকে
শিক্ষা
দিত
না
যে,
আমরা
পরীক্ষার জন্য;
কাজেই
তুমি
কাফের
হয়ো
না।
অতঃপর
তারা
তাদের
কাছ
থেকে
এমন
জাদু
শিখত,
যদ্দ্বারা স্বামী
ও
স্ত্রীর মধ্যে
বিচ্ছেদ ঘটে।
তারা
আল্লাহর আদেশ
ছাড়া
তদ্দ্বারা কারও
অনিষ্ট
করতে
পারত
না।
যা
তাদের
ক্ষতি
করে
এবং
উপকার
না
করে,
তারা
তাই
শিখে।
তারা
ভালরূপে জানে
যে,
যে
কেউ
জাদু
অবলম্বন করে,
তার
জন্য
পরকালে
কোন
অংশ
নেই।
যার
বিনিময়ে তারা
আত্নবিক্রয় করেছে,
তা
খুবই
মন্দ
যদি
তারা
জানত।(সূরা বাকারা ২:১০২ )
وَلَوْ
أَنَّهُمْ آمَنُواْ واتَّقَوْا لَمَثُوبَةٌ مِّنْ عِندِ اللَّه خَيْرٌ لَّوْ
كَانُواْ يَعْلَمُونَ
যদি
তারা
ঈমান
আনত
এবং
খোদাভীরু হত,
তবে
আল্লাহর কাছ
থেকে
উত্তম
প্রতিদান পেত।
যদি
তারা
জানত।(সূরা বাকারা ২:১০৩ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَقُولُواْ رَاعِنَا وَقُولُواْ انظُرْنَا
وَاسْمَعُوا ْوَلِلكَافِرِينَ عَذَابٌ أَلِيمٌ
হে
মুমিন
গণ,
তোমরা
`রায়িনা’ বলো
না-`উনযুরনা’ বল এবং শুনতে
থাক।
আর
কাফেরদের জন্যে
রয়েছে
বেদনাদায়ক শাস্তি।(সূরা
বাকারা
২:১০৪ )
مَّا
يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُواْ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ وَلاَ الْمُشْرِكِينَ أَن
يُنَزَّلَ عَلَيْكُم مِّنْ خَيْرٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَاللّهُ يَخْتَصُّ
بِرَحْمَتِهِ مَن يَشَاء وَاللّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ
আহলে-কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে
যারা
কাফের,
তাদের
মনঃপুত
নয়
যে,
তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে
তোমাদের প্রতি
কোন
কল্যাণ
অবতীর্ণ হোক।
আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা
বিশেষ
ভাবে
স্বীয়
অনুগ্রহ দান
করেন।
আল্লাহ
মহান
অনুগ্রহদাতা।(সূরা
বাকারা
২:১০৫ )
مَا
نَنسَخْ مِنْ آيَةٍ أَوْ نُنسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍ مِّنْهَا أَوْ مِثْلِهَا أَلَمْ
تَعْلَمْ أَنَّ اللّهَ عَلَىَ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
আমি
কোন
আয়াত
রহিত
করলে
অথবা
বিস্মৃত করিয়ে
দিলে
তদপেক্ষা উত্তম
অথবা
তার
সমপর্যায়ের আয়াত
আনয়ন
করি।
তুমি
কি
জান
না
যে,
আল্লাহ
সব
কিছুর
উপর
শক্তিমান?(সূরা
বাকারা
২:১০৬ )
أَلَمْ
تَعْلَمْ أَنَّ اللّهَ لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَا لَكُم مِّن
دُونِ اللّهِ مِن وَلِيٍّ وَلاَ نَصِيرٍ
তুমি
কি
জান
না
যে,
আল্লাহর জন্যই
নভোমন্ডল ও
ভূমন্ডলের আধিপত্য? আল্লাহ
ব্যতীত
তোমাদের কোন
বন্ধু
ও
সাহায্যকারী নেই।(সূরা বাকারা ২:১০৭ )
أَمْ
تُرِيدُونَ أَن تَسْأَلُواْ رَسُولَكُمْ كَمَا سُئِلَ مُوسَى مِن قَبْلُ وَمَن
يَتَبَدَّلِ الْكُفْرَ بِالإِيمَانِ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاء السَّبِيلِ
ইতিপূর্বে মূসা
(আঃ)
যেমন
জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন, (মুসলমানগন, ) তোমরাও
কি
তোমাদের রসূলকে
তেমনি
প্রশ্ন
করতে
চাও?
যে
কেউ
ঈমানের
পরিবর্তে কুফর
গ্রহন
করে,
সে
সরল
পথ
থেকে
বিচ্যুত হয়ে
যায়।(সূরা বাকারা ২:১০৮ )
وَدَّ
كَثِيرٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُم مِّن بَعْدِ إِيمَانِكُمْ
كُفَّاراً حَسَدًا مِّنْ عِندِ أَنفُسِهِم مِّن بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ
الْحَقُّ فَاعْفُواْ وَاصْفَحُواْ حَتَّى يَأْتِيَ اللّهُ بِأَمْرِهِ إِنَّ اللّهَ
عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
আহলে
কিতাবদের অনেকেই
প্রতিহিংসাবশতঃ চায়
যে,
মুসলমান হওয়ার
পর
তোমাদেরকে কোন
রকমে
কাফের
বানিয়ে দেয়।
তাদের
কাছে
সত্য
প্রকাশিত হওয়ার
পর
(তারা
এটা
চায়)। যাক তোমরা
আল্লাহর নির্দেশ আসা
পর্যন্ত তাদের
ক্ষমা
কর
এবং
উপেক্ষা কর।
নিশ্চয় আল্লাহ
সব
কিছুর
উপর
ক্ষমতাবান।(সূরা
বাকারা
২:১০৯ )
وَأَقِيمُواْ
الصَّلاَةَ وَآتُواْ الزَّكَاةَ وَمَا تُقَدِّمُواْ لأَنفُسِكُم مِّنْ خَيْرٍ
تَجِدُوهُ عِندَ اللّهِ إِنَّ اللّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
তোমরা
নামায
প্রতিষ্ঠা কর
এবং
যাকাত
দাও।
তোমরা
নিজের
জন্যে
পূর্বে
যে
সৎকর্ম
প্রেরণ
করবে,
তা
আল্লাহর কাছে
পাবে।
তোমরা
যা
কিছু
কর,
নিশ্চয় আল্লাহ
তা
প্রত্যক্ষ করেন।(সূরা বাকারা ২:১১০ )
وَقَالُواْ
لَن يَدْخُلَ الْجَنَّةَ إِلاَّ مَن كَانَ هُوداً أَوْ نَصَارَى تِلْكَ
أَمَانِيُّهُمْ قُلْ هَاتُواْ بُرْهَانَكُمْ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
ওরা
বলে,
ইহুদী
অথবা
খ্রীস্টান ব্যতীত
কেউ
জান্নাতে যাবে
না।
এটা
ওদের
মনের
বাসনা।
বলে
দিন,
তোমরা
সত্যবাদী হলে,
প্রমাণ
উপস্থিত কর।(সূরা বাকারা ২:১১১ )
بَلَى
مَنْ أَسْلَمَ وَجْهَهُ لِلّهِ وَهُوَ مُحْسِنٌ فَلَهُ أَجْرُهُ عِندَ رَبِّهِ
وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
হাঁ,
যে
ব্যক্তি নিজেকে
আল্লাহর উদ্দেশ্যে সমর্পন
করেছে
এবং
সে
সৎকর্মশীলও বটে
তার
জন্য
তার
পালনকর্তার কাছে
পুরস্কার বয়েছে। তাদের
ভয়
নেই
এবং
তারা
চিন্তিতও হবে
না।(সূরা বাকারা ২:১১২ )
وَقَالَتِ
الْيَهُودُ لَيْسَتِ النَّصَارَى عَلَىَ شَيْءٍ وَقَالَتِ النَّصَارَى لَيْسَتِ
الْيَهُودُ عَلَى شَيْءٍ وَهُمْ يَتْلُونَ الْكِتَابَ كَذَلِكَ قَالَ الَّذِينَ
لاَ يَعْلَمُونَ مِثْلَ قَوْلِهِمْ فَاللّهُ يَحْكُمُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ
الْقِيَامَةِ فِيمَا كَانُواْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
ইহুদীরা বলে,
খ্রীস্টানরা কোন
ভিত্তির উপরেই
নয়
এবং
খ্রীস্টানরা বলে,
ইহুদীরা কোন
ভিত্তির উপরেই
নয়।
অথচ
ওরা
সবাই
কিতাব
পাঠ
করে!
এমনিভাবে যারা
মূর্খ,
তারাও
ওদের
মতই
উক্তি
করে।
অতএব,
আল্লাহ
কেয়ামতের দিন
তাদের
মধ্যে
ফয়সালা দেবেন,
যে
বিষয়ে
তারা
মতবিরোধ করছিল।(সূরা বাকারা ২:১১৩ )
وَمَنْ
أَظْلَمُ مِمَّن مَّنَعَ مَسَاجِدَ اللّهِ أَن يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى
فِي خَرَابِهَا أُوْلَـئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَن يَدْخُلُوهَا إِلاَّ خَآئِفِينَ
لهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ
যে
ব্যাক্তি আল্লাহর মসজিদসমূহে তাঁর
নাম
উচ্চারণ করতে
বাধা
দেয়
এবং
সেগুলোকে উজাড়
করতে
চেষ্টা
করে,
তার
চাইতে
বড়
যালেম
আর
কে?
এদের
পক্ষে
মসজিদসমূহে প্রবেশ
করা
বিধেয়
নয়,
অবশ্য
ভীত-সন্ত্রস ্ত অবস্থায়। ওদের
জন্য
ইহকালে
লাঞ্ছনা এবং
পরকালে
কঠিন
শাস্তি
রয়েছে।(সূরা
বাকারা
২:১১৪ )
وَلِلّهِ
الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ فَأَيْنَمَا تُوَلُّواْ فَثَمَّ وَجْهُ اللّهِ إِنَّ
اللّهَ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
পূর্ব
ও
পশ্চিম
আল্লারই। অতএব,
তোমরা
যেদিকেই মুখ
ফেরাও,
সেদিকেই আল্লাহ
বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ
সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ।(সূরা
বাকারা
২:১১৫ )
وَقَالُواْ
اتَّخَذَ اللّهُ وَلَدًا سُبْحَانَهُ بَل لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ
كُلٌّ لَّهُ قَانِتُونَ
তারা
বলে,
আল্লাহ
সন্তান
গ্রহণ
করেছেন। তিনি
তো
এসব
কিছু
থেকে
পবিত্র,
বরং
নভোমন্ডল ও
ভূমন্ডলে যা
কিছু
রয়েছে
সবই
তার
আজ্ঞাধীন।(সূরা
বাকারা
২:১১৬ )
بَدِيعُ
السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَإِذَا قَضَى أَمْراً فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُن
فَيَكُونُ
তিনি
নভোমন্ডল ও
ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন
তিনি
কোন
কার্য
সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন,
তখন
সেটিকে
একথাই
বলেন,
`হয়ে
যাও’
তৎক্ষণাৎ তা
হয়ে
যায়।(সূরা বাকারা ২:১১৭ )
وَقَالَ
الَّذِينَ لاَ يَعْلَمُونَ لَوْلاَ يُكَلِّمُنَا اللّهُ أَوْ تَأْتِينَا آيَةٌ
كَذَلِكَ قَالَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّثْلَ قَوْلِهِمْ تَشَابَهَتْ
قُلُوبُهُمْ قَدْ بَيَّنَّا الآيَاتِ لِقَوْمٍ يُوقِنُونَ
যারা
কিছু
জানে
না,
তারা
বলে,
আল্লাহ
আমাদের
সঙ্গে
কেন
কথা
বলেন
না?
অথবা
আমাদের
কাছে
কোন
নিদর্শন কেন
আসে
না?
এমনি
ভাবে
তাদের
পূর্বে
যারা
ছিল
তারাও
তাদেরই
অনুরূপ
কথা
বলেছে।
তাদের
অন্তর
একই
রকম।
নিশ্চয় আমি
উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ বর্ণনা
করেছি
তাদের
জন্যে
যারা
প্রত্যয়শীল।(সূরা
বাকারা
২:১১৮ )
إِنَّا
أَرْسَلْنَاكَ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلاَ تُسْأَلُ عَنْ أَصْحَابِ
الْجَحِيمِ
নিশ্চয় আমি
আপনাকে
সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও
ভীতি
প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। আপনি
দোযখবাসীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন
না।(সূরা বাকারা ২:১১৯ )
وَلَن
تَرْضَى عَنكَ الْيَهُودُ وَلاَ النَّصَارَى حَتَّى تَتَّبِعَ مِلَّتَهُمْ قُلْ
إِنَّ هُدَى اللّهِ هُوَ الْهُدَى وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءهُم بَعْدَ الَّذِي
جَاءكَ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَكَ مِنَ اللّهِ مِن وَلِيٍّ وَلاَ نَصِيرٍ
ইহুদী
ও
খ্রীষ্টানরা কখনই
আপনার
প্রতি
সন্তুষ্ট হবে
না,
যে
পর্যন্ত না
আপনি
তাদের
ধর্মের
অনুসরণ
করেন।
বলে
দিন,
যে
পথ
আল্লাহ
প্রদর্শন করেন,
তাই
হল
সরল
পথ।
যদি
আপনি
তাদের
আকাঙ্খাসমূহের অনুসরণ
করেন,
ঐ
জ্ঞান
লাভের
পর,
যা
আপনার
কাছে
পৌঁছেছে, তবে
কেউ
আল্লাহর কবল
থেকে
আপনার
উদ্ধারকারী ও
সাহায্যকারী নেই।(সূরা বাকারা ২:১২০ )
الَّذِينَ
آتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يَتْلُونَهُ حَقَّ تِلاَوَتِهِ أُوْلَـئِكَ يُؤْمِنُونَ
بِهِ وَمن يَكْفُرْ بِهِ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْخَاسِرُونَ
আমি
যাদেরকে গ্রন্থ
দান
করেছি,
তারা
তা
যথাযথভাবে পাঠ
করে।
তারাই
তৎপ্রতি বিশ্বাস করে।
আর
যারা
তা
অবিশ্বাস করে,
তারাই
হবে
ক্ষতিগ্রস্ত।(সূরা
বাকারা
২:১২১ )
يَا
بَنِي إِسْرَائِيلَ اذْكُرُواْ نِعْمَتِيَ الَّتِي أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ وَأَنِّي
فَضَّلْتُكُمْ عَلَى الْعَالَمِينَ
হে
বনী-ইসরাঈল! আমার অনুগ্রহের কথা
স্মরণ
কর,
যা
আমি
তোমাদের দিয়েছি। আমি
তোমাদেরকে বিশ্বাবাসীর উপর
শ্রেষ্ঠত্ব দান
করেছি।(সূরা বাকারা ২:১২২ )
وَاتَّقُواْ
يَوْماً لاَّ تَجْزِي نَفْسٌ عَن نَّفْسٍ شَيْئاً وَلاَ يُقْبَلُ مِنْهَا عَدْلٌ
وَلاَ تَنفَعُهَا شَفَاعَةٌ وَلاَ هُمْ يُنصَرُونَ
তোমরা
ভয়
কর
সেদিনকে, যে
দিন
এক
ব্যক্তি থেকে
অন্য
ব্যক্তি বিন্দুমাত্র উপকৃত
হবে
না,
কারও
কাছ
থেকে
বিনিময় গৃহীত
হবে
না,
কার
ও
সুপারিশ ফলপ্রদ
হবে
না
এবং
তারা
সাহায্য প্রাপ্ত ও
হবে
না।(সূরা বাকারা ২:১২৩ )
وَإِذِ
ابْتَلَى إِبْرَاهِيمَ رَبُّهُ بِكَلِمَاتٍ فَأَتَمَّهُنَّ قَالَ إِنِّي جَاعِلُكَ
لِلنَّاسِ إِمَامًا قَالَ وَمِن ذُرِّيَّتِي قَالَ لاَ يَنَالُ عَهْدِي
الظَّالِمِينَ
যখন
ইব্রাহীমকে তাঁর
পালনকর্তা কয়েকটি বিষয়ে
পরীক্ষা করলেন,
অতঃপর
তিনি
তা
পূর্ণ
করে
দিলেন,
তখন
পালনকর্তা বললেন,
আমি
তোমাকে
মানবজাতির নেতা
করব।
তিনি
বললেন,
আমার
বংশধর
থেকেও!
তিনি
বললেন
আমার
অঙ্গীকার অত্যাচারীদের পর্যন্ত পৌঁছাবে না।(সূরা বাকারা ২:১২৪ )
وَإِذْ
جَعَلْنَا الْبَيْتَ مَثَابَةً لِّلنَّاسِ وَأَمْناً وَاتَّخِذُواْ مِن مَّقَامِ
إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى وَعَهِدْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ أَن
طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ
যখন
আমি
কা’বা গৃহকে মানুষের জন্যে
সম্মিলন স্থল
ও
শান্তির আলয়
করলাম,
আর
তোমরা
ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে নামাযের জায়গা
বানাও
এবং
আমি
ইব্রাহীম ও
ইসমাঈলকে আদেশ
করলাম,
তোমরা
আমার
গৃহকে
তওয়াফকারী, অবস্থানকারী ও
রুকু-সেজদাক ারীদের জন্য
পবিত্র
রাখ।(সূরা বাকারা ২:১২৫ )
وَإِذْ
قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَـَذَا بَلَدًا آمِنًا وَارْزُقْ أَهْلَهُ مِنَ
الثَّمَرَاتِ مَنْ آمَنَ مِنْهُم بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ قَالَ وَمَن كَفَرَ
فَأُمَتِّعُهُ قَلِيلاً ثُمَّ أَضْطَرُّهُ إِلَى عَذَابِ النَّارِ وَبِئْسَ
الْمَصِيرُ
যখন
ইব্রাহীম বললেন,
পরওয়ারদেগার! এ
স্থানকে তুমি
শান্তিধান কর
এবং
এর
অধিবাসীদের মধ্যে
যারা
অল্লাহ
ও
কিয়ামতে বিশ্বাস করে,
তাদেরকে ফলের
দ্বারা
রিযিক
দান
কর।
বললেনঃ
যারা
অবিশ্বাস করে,
আমি
তাদেরও
কিছুদিন ফায়দা
ভোগ
করার
সুযোগ
দেব,
অতঃপর
তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের
আযাবে
ঠেলে
দেবো;
সেটা
নিকৃষ্ট বাসস্থান।(সূরা
বাকারা
২:১২৬ )
وَإِذْ
يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ رَبَّنَا
تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
স্মরণ
কর,
যখন
ইব্রাহীম ও
ইসমাঈল
কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল।
তারা
দোয়া
করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের
থেকে
কবুল
কর।
নিশ্চয়ই তুমি
শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।(সূরা
বাকারা
২:১২৭ )
رَبَّنَا
وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ
وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
পরওয়ারদেগার! আমাদের
উভয়কে
তোমার
আজ্ঞাবহ কর
এবং
আমাদের
বংশধর
থেকেও
একটি
অনুগত
দল
সৃষ্টি
কর,
আমাদের
হজ্বের
রীতিনীতি বলে
দাও
এবং
আমাদের
ক্ষমা
কর।
নিশ্চয় তুমি
তওবা
কবুলকারী। দয়ালু।(সূরা
বাকারা
২:১২৮ )
رَبَّنَا
وَابْعَثْ فِيهِمْ رَسُولاً مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِكَ
وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُزَكِّيهِمْ إِنَّكَ أَنتَ العَزِيزُ
الحَكِيمُ
হে
পরওয়ারদেগার! তাদের
মধ্যে
থেকেই
তাদের
নিকট
একজন
পয়গম্বর প্রেরণ
করুণ
যিনি
তাদের
কাছে
তোমার
আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করবেন,
তাদেরকে কিতাব
ও
হেকমত
শিক্ষা
দিবেন।
এবং
তাদের
পবিত্র
করবেন।
নিশ্চয়
তুমিই
পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা।(সূরা
বাকারা
২:১২৯ )
وَمَن
يَرْغَبُ عَن مِّلَّةِ إِبْرَاهِيمَ إِلاَّ مَن سَفِهَ نَفْسَهُ وَلَقَدِ
اصْطَفَيْنَاهُ فِي الدُّنْيَا وَإِنَّهُ فِي الآخِرَةِ لَمِنَ الصَّالِحِينَ
ইব্রাহীমের ধর্ম
থেকে
কে
মুখ
ফেরায়?
কিন্তু
সে
ব্যক্তি, যে
নিজেকে
বোকা
প্রতিপন্ন করে।
নিশ্চয়ই আমি
তাকে
পৃথিবীতে মনোনীত
করেছি
এবং
সে
পরকালে
সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।(সূরা
বাকারা
২:১৩০ )
إِذْ
قَالَ لَهُ رَبُّهُ أَسْلِمْ قَالَ أَسْلَمْتُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ
স্মরণ
কর,
যখন
তাকে
তার
পালনকর্তা বললেনঃ
অনুগত
হও।
সে
বললঃ
আমি
বিশ্বপালকের অনুগত
হলাম।(সূরা বাকারা ২:১৩১ )
وَوَصَّى
بِهَا إِبْرَاهِيمُ بَنِيهِ وَيَعْقُوبُ يَا بَنِيَّ إِنَّ اللّهَ اصْطَفَى لَكُمُ
الدِّينَ فَلاَ تَمُوتُنَّ إَلاَّ وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
এরই
ওছিয়ত
করেছে
ইব্রাহীম তার
সন্তানদের এবং
ইয়াকুবও যে,
হে
আমার
সন্তানগণ, নিশ্চয় আল্লাহ
তোমাদের জন্য
এ
ধর্মকে
মনোনীত
করেছেন। কাজেই
তোমরা
মুসলমান না
হয়ে
কখনও
মৃত্যুবরণ করো
না।(সূরা বাকারা ২:১৩২ )
أَمْ
كُنتُمْ شُهَدَاء إِذْ حَضَرَ يَعْقُوبَ الْمَوْتُ إِذْ قَالَ لِبَنِيهِ مَا
تَعْبُدُونَ مِن بَعْدِي قَالُواْ نَعْبُدُ إِلَـهَكَ وَإِلَـهَ آبَائِكَ
إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ إِلَـهًا وَاحِدًا وَنَحْنُ لَهُ
مُسْلِمُونَ
তোমরা
কি
উপস্থিত ছিলে,
যখন
ইয়াকুবের মৃত্যু
নিকটবর্তী হয়?
যখন
সে
সন্তানদের বললঃ
আমার
পর
তোমরা
কার
এবাদত
করবে?
তারা
বললো,
আমরা
তোমার
পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল
ও
ইসহাকের উপাস্যের এবাদত
করব।
তিনি
একক
উপাস্য।(সূরা
বাকারা
২:১৩৩ )
تِلْكَ
أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُم مَّا كَسَبْتُمْ وَلاَ
تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ
আমরা
সবাই
তাঁর
আজ্ঞাবহ। তারা
ছিল
এক
সম্প্রদায়- যারা
গত
হয়ে
গেছে।
তারা
যা
করেছে,
তা
তাদেরই
জন্যে।
তারা
কি
করত,
সে
সম্পর্কে তোমরা
জিজ্ঞাসিত হবে
না।(সূরা বাকারা ২:১৩৪ )
وَقَالُواْ
كُونُواْ هُودًا أَوْ نَصَارَى تَهْتَدُواْ قُلْ بَلْ مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ
حَنِيفًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ
তারা
বলে,
তোমরা
ইহুদী
অথবা
খ্রীষ্টান হয়ে
যাও,
তবেই
সুপথ
পাবে।
আপনি
বলুন,
কখনই
নয়;
বরং
আমরা
ইব্রাহীমের ধর্মে
আছি
যাতে
বক্রতা
নেই।
সে
মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল
না।(সূরা বাকারা ২:১৩৫ )
قُولُواْ
آمَنَّا بِاللّهِ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ
وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالأسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى
وَعِيسَى وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِن رَّبِّهِمْ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ
مِّنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ
তোমরা
বল,
আমরা
ঈমান
এনেছি
আল্লাহর উপর
এবং
যা
অবতীর্ণ হয়েছে
আমাদের
প্রতি
এবং
যা
অবতীর্ণ হয়েছে
ইব্রাহীম, ইসমাঈল,
ইসহাক,
ইয়াকুব এবং
তদীয়
বংশধরের প্রতি
এবং
মূসা,
ঈসা,
অন্যান্য নবীকে
পালনকর্তার পক্ষ
থেকে
যা
দান
করা
হয়েছে,
তৎসমুদয়ের উপর।
আমরা
তাদের
মধ্যে
পার্থক্য করি
না।
আমরা
তাঁরই
আনুগত্যকারী।(সূরা
বাকারা
২:১৩৬ )
فَإِنْ
آمَنُواْ بِمِثْلِ مَا آمَنتُم بِهِ فَقَدِ اهْتَدَواْ وَّإِن تَوَلَّوْاْ
فَإِنَّمَا هُمْ فِي شِقَاقٍ فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللّهُ وَهُوَ السَّمِيعُ
الْعَلِيمُ
অতএব
তারা
যদি
ঈমান
আনে,
তোমাদের ঈমান
আনার
মত,
তবে
তারা
সুপথ
পাবে।
আর
যদি
মুখ
ফিরিয়ে নেয়,
তবে
তারাই
হঠকারিতায় রয়েছে। সুতরাং
এখন
তাদের
জন্যে
আপনার
পক্ষ
থেকে
আল্লাহই যথেষ্ট। তিনিই
শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।(সূরা
বাকারা
২:১৩৭ )
صِبْغَةَ
اللّهِ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللّهِ صِبْغَةً وَنَحْنُ لَهُ عَابِدونَ
আমরা
আল্লাহর রং
গ্রহণ
করেছি।
আল্লাহর রং
এর
চাইতে
উত্তম
রং
আর
কার
হতে
পারে?আমরা তাঁরই এবাদত
করি।(সূরা বাকারা ২:১৩৮ )
قُلْ
أَتُحَآجُّونَنَا فِي اللّهِ وَهُوَ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ وَلَنَا أَعْمَالُنَا
وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُخْلِصُونَ
আপনি
বলে
দিন,
তোমরা
কি
আমাদের
সাথে
আল্লাহ
সম্পর্কে তর্ক
করছ?
অথচ
তিনিই
আমাদের
পালনকর্তা এবং
তোমাদের ও
পালনকর্তা। আমাদের
জন্যে
আমাদের
কর্ম
তোমাদের জন্যে
তোমাদের কর্ম।
এবং
আমরা
তাঁরই
প্রতি
একনিষ্ঠ।(সূরা
বাকারা
২:১৩৯ )
أَمْ
تَقُولُونَ إِنَّ إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ
وَالأسْبَاطَ كَانُواْ هُودًا أَوْ نَصَارَى قُلْ أَأَنتُمْ أَعْلَمُ أَمِ اللّهُ
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن كَتَمَ شَهَادَةً عِندَهُ مِنَ اللّهِ وَمَا اللّهُ
بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
অথবা
তোমরা
কি
বলছ
যে,
নিশ্চয়ই ইব্রাহীম, ইসমাঈল,
ইসহাক,
ইয়াকুব (আঃ)
ও
তাদের
সন্তানগন ইহুদী
অথবা
খ্রীষ্টান ছিলেন?
আপনি
বলে
দিন,
তোমরা
বেশী
জান,
না
আল্লাহ
বেশী
জানেন?(সূরা বাকারা ২:১৪০ )
تِلْكَ
أُمَّةٌ قَدْ خَلَتْ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَلَكُم مَّا كَسَبْتُمْ وَلاَ
تُسْأَلُونَ عَمَّا كَانُواْ يَعْمَلُونَ
তার
চাইতে
অত্যাচারী কে,
যে
আল্লাহর পক্ষ
থেকে
তার
কাছে
প্রমাণিত সাক্ষ্যকে গোপন
করে?
আল্লাহ
তোমাদের কর্ম
সম্পর্কে বেখবর
নন।
সে
সম্প্রদায় অতীত
হয়ে
গেছে।
তারা
যা
করেছে,
তা
তাদের
জন্যে
এবং
তোমরা
যা
করছ,
তা
তোমাদের জন্যে।
তাদের
কর্ম
সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞেস করা
হবে
না।(সূরা বাকারা ২:১৪১ )
سَيَقُولُ
السُّفَهَاء مِنَ النَّاسِ مَا وَلاَّهُمْ عَن قِبْلَتِهِمُ الَّتِي كَانُواْ عَلَيْهَا
قُل لِّلّهِ الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ يَهْدِي مَن يَشَاء إِلَى صِرَاطٍ
مُّسْتَقِيمٍ
এখন
নির্বোধেরা বলবে,
কিসে
মুসলমানদের ফিরিয়ে দিল
তাদের
ঐ
কেবলা
থেকে,
যার
উপর
তারা
ছিল?
আপনি
বলুনঃ
পূর্ব
ও
পশ্চিম
আল্লাহরই। তিনি
যাকে
ইচ্ছা
সরল
পথে
চালান।(সূরা বাকারা ২:১৪২ )
وَكَذَلِكَ
جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِّتَكُونُواْ شُهَدَاء عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ
الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا وَمَا جَعَلْنَا الْقِبْلَةَ الَّتِي كُنتَ
عَلَيْهَا إِلاَّ لِنَعْلَمَ مَن يَتَّبِعُ الرَّسُولَ مِمَّن يَنقَلِبُ عَلَى
عَقِبَيْهِ وَإِن كَانَتْ لَكَبِيرَةً إِلاَّ عَلَى الَّذِينَ هَدَى اللّهُ وَمَا
كَانَ اللّهُ لِيُضِيعَ إِيمَانَكُمْ إِنَّ اللّهَ بِالنَّاسِ لَرَؤُوفٌ رَّحِيمٌ
এমনিভাবে আমি
তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি
যাতে
করে
তোমরা
সাক্ষ্যদাতা হও
মানবমন্ডলীর জন্যে
এবং
যাতে
রসূল
সাক্ষ্যদাতা হন
তোমাদের জন্য।
আপনি
যে
কেবলার
উপর
ছিলেন,
তাকে
আমি
এজন্যই
কেবলা
করেছিলাম, যাতে
একথা
প্রতীয়মান হয়
যে,
কে
রসূলের
অনুসারী থাকে
আর
কে
পিঠটান
দেয়।
নিশ্চিতই এটা
কঠোরতর
বিষয়,
কিন্তু
তাদের
জন্যে
নয়,
যাদেরকে আল্লাহ
পথপ্রদর্শন করেছেন। আল্লাহ
এমন
নন
যে,
তোমাদের ঈমান
নষ্ট
করে
দেবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ,
মানুষের প্রতি
অত্যন্ত স্নেহশীল, করুনাময়।(সূরা
বাকারা
২:১৪৩ )
قَدْ
نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاء فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا
فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّواْ
وُجُوِهَكُمْ شَطْرَهُ وَإِنَّ الَّذِينَ أُوْتُواْ الْكِتَابَ لَيَعْلَمُونَ
أَنَّهُ الْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ وَمَا اللّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ
নিশ্চয়ই আমি
আপনাকে
বার
বার
আকাশের
দিকে
তাকাতে
দেখি।
অতএব,
অবশ্যই
আমি
আপনাকে
সে
কেবলার
দিকেই
ঘুরিয়ে দেব
যাকে
আপনি
পছন্দ
করেন।
এখন
আপনি
মসজিদুল-হার
ামের
দিকে
মুখ
করুন
এবং
তোমরা
যেখানেই থাক,
সেদিকে
মুখ
কর।
যারা
আহলে-কিতাব, তারা অবশ্যই
জানে
যে,
এটাই
ঠিক
পালনকর্তার পক্ষ
থেকে।
আল্লাহ
বেখবর
নন,
সে
সমস্ত
কর্ম
সম্পর্কে যা
তারা
করে।(সূরা বাকারা ২:১৪৪ )
وَلَئِنْ
أَتَيْتَ الَّذِينَ أُوْتُواْ الْكِتَابَ بِكُلِّ آيَةٍ مَّا تَبِعُواْ قِبْلَتَكَ
وَمَا أَنتَ بِتَابِعٍ قِبْلَتَهُمْ وَمَا بَعْضُهُم بِتَابِعٍ قِبْلَةَ بَعْضٍ
وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءهُم مِّن بَعْدِ مَا جَاءكَ مِنَ الْعِلْمِ إِنَّكَ
إِذَاً لَّمِنَ الظَّالِمِينَ
যদি
আপনি
আহলে
কিতাবদের কাছে
সমুদয়
নিদর্শন উপস্থাপন করেন,
তবুও
তারা
আপনার
কেবলা
মেনে
নেবে
না
এবং
আপনিও
তাদের
কেবলা
মানেন
না।
তারাও
একে
অন্যের
কেবলা
মানে
না।
যদি
আপনি
তাদের
বাসনার
অনুসরণ
করেন,
সে
জ্ঞানলাভের পর,
যা
আপনার
কাছে
পৌঁছেছে,
তবে
নিশ্চয় আপনি
অবিচারকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।(সূরা বাকারা ২:১৪৫ )
الَّذِينَ
آتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يَعْرِفُونَهُ كَمَا يَعْرِفُونَ أَبْنَاءهُمْ وَإِنَّ
فَرِيقاً مِّنْهُمْ لَيَكْتُمُونَ الْحَقَّ وَهُمْ يَعْلَمُونَ
আমি
যাদেরকে কিতাব
দান
করেছি,
তারা
তাকে চেনে, যেমন
করে
চেনে
নিজেদের পুত্রদেরকে। আর
নিশ্চয়ই তাদের
একটি
সম্প্রদায় জেনে
শুনে
সত্যকে
গোপন
করে।(সূরা বাকারা ২:১৪৬ )
الْحَقُّ
مِن رَّبِّكَ فَلاَ تَكُونَنَّ مِنَ الْمُمْتَرِينَ
বাস্তব
সত্য
সেটাই
যা
তোমার
পালনকর্তা বলেন।
কাজেই
তুমি
সন্দিহান হয়ো
না।(সূরা বাকারা ২:১৪৭ )
وَلِكُلٍّ
وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا فَاسْتَبِقُواْ الْخَيْرَاتِ أَيْنَ مَا تَكُونُواْ
يَأْتِ بِكُمُ اللّهُ جَمِيعًا إِنَّ اللّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
আর
সবার
জন্যই
রয়েছে
কেবলা
একেক
দিকে,
যে
দিকে
সে
মুখ
করে
(এবাদত
করবে)। কাজেই সৎকাজে প্রতিযোগিতামূলকভাবে এগিয়ে
যাও।
যেখানেই তোমরা
থাকবে,
আল্লাহ
অবশ্যই
তোমাদেরকে সমবেত
করবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ
সর্ব
বিষয়ে
ক্ষমতাশীল।(সূরা
বাকারা
২:১৪৮ )
وَمِنْ
حَيْثُ خَرَجْتَ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَإِنَّهُ
لَلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ وَمَا اللّهُ بِغَافِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
আর
যে
স্থান
থেকে
তুমি
বের
হও,
নিজের
মুখ
মসজিদে
হারামের দিকে
ফেরাও-নিঃসন ্দেহে এটাই
হলো
তোমার
পালনকর্তার পক্ষ
থেকে
নির্ধারিত বাস্তব
সত্য।
বস্তুতঃ তোমার
পালনকর্তা তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবহিত
নন।(সূরা বাকারা ২:১৪৯ )
وَمِنْ
حَيْثُ خَرَجْتَ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَحَيْثُ مَا
كُنتُمْ فَوَلُّواْ وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُ لِئَلاَّ يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَيْكُمْ
حُجَّةٌ إِلاَّ الَّذِينَ ظَلَمُواْ مِنْهُمْ فَلاَ تَخْشَوْهُمْ وَاخْشَوْنِي
وَلأُتِمَّ نِعْمَتِي عَلَيْكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ
আর
তোমরা
যেখান
থেকেই
বেরিয়ে আস
এবং
যেখানেই অবস্থান কর,
সেদিকেই মুখ
ফেরাও,
যাতে
করে
মানুষের জন্য
তোমাদের সাথে
ঝগড়া
করার
অবকাশ
না
থাকে।
অবশ্য
যারা
অবিবেচক, তাদের
কথা
আলাদা।
কাজেই
তাদের
আপত্তিতে ভীত
হয়ো
না।
আমাকেই
ভয়
কর।
যাতে
আমি
তোমাদের জন্যে
আমার
অনুগ্রহ সমূহ
পূর্ণ
করে
দেই
এবং
তাতে
যেন
তোমরা
সরলপথ
প্রাপ্ত হও।(সূরা বাকারা ২:১৫০ )
كَمَا
أَرْسَلْنَا فِيكُمْ رَسُولاً مِّنكُمْ يَتْلُو عَلَيْكُمْ آيَاتِنَا
وَيُزَكِّيكُمْ وَيُعَلِّمُكُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَيُعَلِّمُكُم مَّا
لَمْ تَكُونُواْ تَعْلَمُونَ
যেমন,
আমি
পাঠিয়েছি তোমাদেরই মধ্য
থেকে
তোমাদের জন্যে
একজন
রসূল,
যিনি
তোমাদের নিকট
আমার
বাণীসমুহ পাঠ
করবেন
এবং
তোমাদের পবিত্র
করবেন;
আর
তোমাদের শিক্ষা
দেবেন
কিতাব
ও
তাঁর
তত্ত্বজ্ঞান এবং
শিক্ষা
দেবেন
এমন
বিষয়
যা
কখনো
তোমরা
জানতে
না।(সূরা বাকারা ২:১৫১ )
فَاذْكُرُونِي
أَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُواْ لِي وَلاَ تَكْفُرُونِ
সুতরাং
তোমরা
আমাকে
স্মরণ
কর,
আমিও
তোমাদের স্মরণ
রাখবো
এবং
আমার
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
কর;
অকৃতজ্ঞ হয়ো
না।(সূরা বাকারা ২:১৫২ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اسْتَعِينُواْ بِالصَّبْرِ وَالصَّلاَةِ إِنَّ اللّهَ
مَعَ الصَّابِرِينَ
হে
মুমিন
গন!
তোমরা
ধৈর্য্য ও
নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর।
নিশ্চিতই আল্লাহ
ধৈর্য্যশীলদের সাথে
রয়েছেন।(সূরা
বাকারা
২:১৫৩ )
وَلاَ
تَقُولُواْ لِمَنْ يُقْتَلُ فِي سَبيلِ اللّهِ أَمْوَاتٌ بَلْ أَحْيَاء وَلَكِن
لاَّ تَشْعُرُونَ
আর
যারা
আল্লাহর রাস্তায় নিহত
হয়,
তাদের
মৃত
বলো
না।
বরং
তারা
জীবিত,
কিন্তু
তোমরা
তা
বুঝ
না।(সূরা বাকারা ২:১৫৪ )
وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ
بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوفْ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الأَمَوَالِ وَالأنفُسِ
وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ
এবং
অবশ্যই
আমি
তোমাদিগকে পরীক্ষা করব
কিছুটা
ভয়,
ক্ষুধা,
মাল
ও
জানের
ক্ষতি
ও
ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে
সুসংবাদ দাও
সবরকারীদের।(সূরা
বাকারা
২:১৫৫ )
الَّذِينَ
إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُواْ إِنَّا لِلّهِ وَإِنَّـا إِلَيْهِ
رَاجِعونَ
যখন
তারা
বিপদে
পতিত
হয়,
তখন
বলে,
নিশ্চয় আমরা
সবাই
আল্লাহর জন্য
এবং
আমরা
সবাই
তাঁরই
সান্নিধ্যে ফিরে
যাবো।(সূরা বাকারা ২:১৫৬ )
أُولَـئِكَ
عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ وَأُولَـئِكَ هُمُ
الْمُهْتَدُونَ
তারা
সে
সমস্ত
লোক,
যাদের
প্রতি
আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও
রহমত
রয়েছে
এবং
এসব
লোকই
হেদায়েত প্রাপ্ত।(সূরা
বাকারা
২:১৫৭ )
إِنَّ
الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَآئِرِ اللّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ
اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا
فَإِنَّ اللّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ
নিঃসন্দেহে সাফা
ও
মারওয়া আল্লাহ
তা’আলার নিদর্শন গুলোর
অন্যতম। সুতরাং
যারা
কা’বা ঘরে হজ্ব
বা
ওমরাহ
পালন
করে,
তাদের
পক্ষে
এ
দুটিতে
প্রদক্ষিণ করাতে
কোন
দোষ
নেই।
বরং
কেউ
যদি
স্বেচ্ছায় কিছু
নেকীর
কাজ
করে,
তবে
আল্লাহ
তা’আলার অবশ্যই তা
অবগত
হবেন
এবং
তার
সে
আমলের
সঠিক
মুল্য
দেবেন।(সূরা বাকারা ২:১৫৮ )
إِنَّ
الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى مِن بَعْدِ
مَا بَيَّنَّاهُ لِلنَّاسِ فِي الْكِتَابِ أُولَـئِكَ يَلعَنُهُمُ اللّهُ
وَيَلْعَنُهُمُ اللَّاعِنُونَ
নিশ্চয় যারা
গোপন
করে,
আমি
যেসব
বিস্তারিত তথ্য
এবং
হেদায়েতের কথা
নাযিল
করেছি
মানুষের জন্য
কিতাবের মধ্যে
বিস্তারিত বর্ণনা
করার
পরও;
সে
সমস্ত
লোকের
প্রতিই
আল্লাহর অভিসম্পাত এবং
অন্যান্য অভিসম্পাতকারীগণের ও।(সূরা বাকারা ২:১৫৯ )
إِلاَّ
الَّذِينَ تَابُواْ وَأَصْلَحُواْ وَبَيَّنُواْ فَأُوْلَـئِكَ أَتُوبُ عَلَيْهِمْ
وَأَنَا التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
তবে
যারা
তওবা
করে
এবং
বর্ণিত
তথ্যাদির সংশোধন
করে
মানুষের কাছে
তা
বর্ণনা
করে
দেয়,
সে
সমস্ত
লোকের
তওবা
আমি
কবুল
করি
এবং
আমি
তওবা
কবুলকারী পরম
দয়ালু।(সূরা
বাকারা
২:১৬০ )
إِنَّ
الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ
اللّهِ وَالْمَلآئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
নিশ্চয় যারা
কুফরী
করে
এবং
কাফের
অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করে,
সে
সমস্ত
লোকের
প্রতি
আল্লাহর ফেরেশতাগনের এবং
সমগ্র
মানুষের লা’নত।(সূরা বাকারা
২:১৬১ )
خَالِدِينَ
فِيهَا لاَ يُخَفَّفُ عَنْهُمُ الْعَذَابُ وَلاَ هُمْ يُنظَرُونَ
এরা
চিরকাল এ লা’নতের মাঝেই থাকবে।
তাদের
উপর
থেকে
আযাব
কখনও
হালকা
করা
হবে
না
বরং
এরা
বিরাম
ও
পাবে
না।(সূরা বাকারা ২:১৬২ )
وَإِلَـهُكُمْ
إِلَهٌ وَاحِدٌ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ
আর
তোমাদের উপাস্য
একইমাত্র উপাস্য। তিনি
ছাড়া
মহা
করুণাময় দয়ালু
কেউ নেই।(সূরা
বাকারা
২:১৬৩ )
إِنَّ
فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَاخْتِلاَفِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ
وَالْفُلْكِ الَّتِي تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِمَا يَنفَعُ النَّاسَ وَمَا أَنزَلَ
اللّهُ مِنَ السَّمَاء مِن مَّاء فَأَحْيَا بِهِ الأرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَبَثَّ
فِيهَا مِن كُلِّ دَآبَّةٍ وَتَصْرِيفِ الرِّيَاحِ وَالسَّحَابِ الْمُسَخِّرِ
بَيْنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ لآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ
নিশ্চয়ই আসমান
ও
যমীনের
সৃষ্টিতে, রাত
ও
দিনের
বিবর্তনে এবং
নদীতে
নৌকাসমূহের চলাচলে
মানুষের জন্য
কল্যাণ
রয়েছে। আর
আল্লাহ
তা’
আলা
আকাশ
থেকে
যে
পানি
নাযিল
করেছেন,
তদ্দ্বারা মৃত
যমীনকে
সজীব
করে
তুলেছেন এবং
তাতে
ছড়িয়ে দিয়েছেন সবরকম
জীব-জন্তু। আর আবহাওয়া পরিবর্তনে এবং
মেঘমালার যা
তাঁরই
হুকুমের অধীনে
আসমান
ও
যমীনের
মাঝে
বিচরণ
করে,
নিশ্চয়ই সে
সমস্ত
বিষয়ের মাঝে
নিদর্শন রয়েছে
বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্যে।(সূরা বাকারা ২:১৬৪ )
وَمِنَ
النَّاسِ مَن يَتَّخِذُ مِن دُونِ اللّهِ أَندَاداً يُحِبُّونَهُمْ كَحُبِّ اللّهِ
وَالَّذِينَ آمَنُواْ أَشَدُّ حُبًّا لِّلّهِ وَلَوْ يَرَى الَّذِينَ ظَلَمُواْ
إِذْ يَرَوْنَ الْعَذَابَ أَنَّ الْقُوَّةَ لِلّهِ جَمِيعاً وَأَنَّ اللّهَ
شَدِيدُ الْعَذَابِ
আর
কোন
লোক
এমনও
রয়েছে
যারা
অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ
সাব্যস্ত করে
এবং
তাদের
প্রতি
তেমনি
ভালবাসা পোষণ
করে,
যেমন
আল্লাহর প্রতি
ভালবাসা হয়ে
থাকে।
কিন্তু
যারা
আল্লাহর প্রতি
ঈমানদার তাদের
ভালবাসা ওদের
তুলনায় বহুগুণ
বেশী।
আর
কতইনা
উত্তম
হ’ত যদি এ
জালেমরা পার্থিব কোন
কোন
আযাব
প্রত্যক্ষ করেই
উপলব্ধি করে
নিত
যে,
যাবতীয় ক্ষমতা
শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য
এবং
আল্লাহর আযাবই
সবচেয়ে কঠিনতর।(সূরা
বাকারা
২:১৬৫ )
إِذْ
تَبَرَّأَ الَّذِينَ اتُّبِعُواْ مِنَ الَّذِينَ اتَّبَعُواْ وَرَأَوُاْ
الْعَذَابَ وَتَقَطَّعَتْ بِهِمُ الأَسْبَابُ
অনুসৃতরা যখন
অনুসরণকারীদের প্রতি
অসন্তুষ্ট হয়ে
যাবে
এবং
যখন
আযাব
প্রত্যক্ষ করবে
আর
বিচ্ছিন্ন হয়ে
যাবে
তাদের
পারস্পরিক সমস্ত
সম্পর্ক।(সূরা
বাকারা
২:১৬৬ )
وَقَالَ
الَّذِينَ اتَّبَعُواْ لَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً فَنَتَبَرَّأَ مِنْهُمْ كَمَا
تَبَرَّؤُواْ مِنَّا كَذَلِكَ يُرِيهِمُ اللّهُ أَعْمَالَهُمْ حَسَرَاتٍ
عَلَيْهِمْ وَمَا هُم بِخَارِجِينَ مِنَ النَّارِ
এবং
অনুসারীরা বলবে,
কতইনা
ভাল
হত,
যদি
আমাদিগকে পৃথিবীতে ফিরে
যাবার
সুযোগ
দেয়া
হত।
তাহলে
আমরাও
তাদের
প্রতি
তেমনি
অসন্তুষ্ট হয়ে
যেতাম,
যেমন
তারা
অসন্তুষ্ট হয়েছে
আমাদের
প্রতি।
এভাবেই
আল্লাহ
তা’আলা তাদেরকে দেখাবেন তাদের
কৃতকর্ম তাদেরকে অনুতপ্ত করার
জন্যে।
অথচ,
তারা
কস্মিনকালেও আগুন
থেকে
বের
হতে
পারবে
না।(সূরা বাকারা ২:১৬৭ )
يَا
أَيُّهَا النَّاسُ كُلُواْ مِمَّا فِي الأَرْضِ حَلاَلاً طَيِّباً وَلاَ
تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
হে
মানব
মন্ডলী,
পৃথিবীর হালাল
ও
পবিত্র
বস্তু-সামগ্ রী ভক্ষন
কর।
আর
শয়তানের পদাঙ্ক
অনুসরণ
করো
না।
সে
নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।(সূরা বাকারা ২:১৬৮ )
إِنَّمَا
يَأْمُرُكُمْ بِالسُّوءِ وَالْفَحْشَاء وَأَن تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ مَا لاَ
تَعْلَمُونَ
সে
তো
এ
নির্দেশই তোমাদিগকে দেবে
যে,
তোমরা
অন্যায় ও
অশ্লীল
কাজ
করতে
থাক
এবং
আল্লাহর প্রতি
এমন
সব
বিষয়ে
মিথ্যারোপ কর
যা
তোমরা
জান
না।(সূরা বাকারা ২:১৬৯ )
وَإِذَا
قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنزَلَ اللّهُ قَالُواْ بَلْ نَتَّبِعُ مَا
أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ آبَاءنَا أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ شَيْئاً
وَلاَ يَهْتَدُونَ
আর
যখন
তাদেরকে কেউ
বলে
যে,
সে
হুকুমেরই আনুগত্য কর
যা
আল্লাহ
তা’আলা নাযিল করেছেন,
তখন
তারা
বলে
কখনো
না,
আমরা
তো
সে
বিষয়েরই অনুসরণ
করব।
যাতে
আমরা
আমাদের
বাপ-দাদাদের কে দেখেছি। যদি
ও
তাদের
বাপ
দাদারা
কিছুই
জানতো
না,
জানতো
না
সরল
পথও।(সূরা বাকারা ২:১৭০ )
وَمَثَلُ
الَّذِينَ كَفَرُواْ كَمَثَلِ الَّذِي يَنْعِقُ بِمَا لاَ يَسْمَعُ إِلاَّ دُعَاء
وَنِدَاء صُمٌّ بُكْمٌ عُمْيٌ فَهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ
বস্তুতঃ এহেন
কাফেরদের উদাহরণ
এমন,
যেন
কেউ
এমন
কোন
জীবকে
আহবান
করছে
যা
কোন
কিছুই
শোনে
না,
হাঁক-ডাক আর চিৎকার
ছাড়া
বধির
মুক,
এবং
অন্ধ।
সুতরাং
তারা
কিছুই
বোঝে
না।(সূরা বাকারা ২:১৭১ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُلُواْ مِن طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ
وَاشْكُرُواْ لِلّهِ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُونَ
হে
ঈমানদারগণ, তোমরা
পবিত্র
বস্তু
সামগ্রী আহার
কর,
যেগুলো
আমি
তোমাদেরকে রুযী
হিসাবে
দান
করেছি
এবং
শুকরিয়া আদায়
কর
আল্লাহর, যদি
তোমরা
তাঁরই
বন্দেগী কর।(সূরা বাকারা ২:১৭২ )
إِنَّمَا
حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ
بِهِ لِغَيْرِ اللّهِ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلاَ عَادٍ فَلا إِثْمَ
عَلَيْهِ إِنَّ اللّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
তিনি
তোমাদের উপর
হারাম
করেছেন,
মৃত
জীব,
রক্ত,
শুকর
মাংস
এবং
সেসব
জীব-জন্তু যা আল্লাহ
ব্যাতীত অপর
কারো
নামে
উৎসর্গ
করা
হয়।
অবশ্য
যে
লোক
অনন্যোপায় হয়ে
পড়ে
এবং
নাফরমানী ও
সীমালঙ্ঘনকারী না
হয়,
তার
জন্য
কোন
পাপ
নেই।
নিঃসন্দেহে আল্লাহ
মহান
ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু।(সূরা
বাকারা ২:১৭৩
)
إِنَّ
الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنزَلَ اللّهُ مِنَ الْكِتَابِ وَيَشْتَرُونَ بِهِ
ثَمَنًا قَلِيلاً أُولَـئِكَ مَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ إِلاَّ النَّارَ
وَلاَ يُكَلِّمُهُمُ اللّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلاَ يُزَكِّيهِمْ وَلَهُمْ
عَذَابٌ أَلِيمٌ
নিশ্চয় যারা
সেসব
বিষয়
গোপন
করে,
যা
আল্লাহ
কিতাবে
নাযিল
করেছেন
এবং
সেজন্য
অল্প
মূল্য
গ্রহণ
করে,
তারা
আগুন
ছাড়া
নিজের
পেটে
আর
কিছুই
ঢুকায়
না।
আর
আল্লাহ
কেয়ামতের দিন
তাদের
সাথে
না
কথা
বলবেন,
না
তাদের
পবিত্র
করা
হবে,
বস্তুতঃ তাদের
জন্যে
রয়েছে
বেদনাদায়ক আযাব।(সূরা বাকারা ২:১৭৪ )
أُولَـئِكَ
الَّذِينَ اشْتَرَوُاْ الضَّلاَلَةَ بِالْهُدَى وَالْعَذَابَ بِالْمَغْفِرَةِ
فَمَا أَصْبَرَهُمْ عَلَى النَّارِ
এরাই
হল
সে
সমস্ত
লোক,
যারা
হেদায়েতের বিনিময়ে গোমরাহী খরিদ
করেছে
এবং
(খরিদ
করেছে)
ক্ষমা
ও
অনুগ্রহের বিনিময়ে আযাব।
অতএব,
তারা
দোযখের
উপর
কেমন
ধৈর্য্য ধারণকারী।(সূরা
বাকারা
২:১৭৫ )
ذَلِكَ
بِأَنَّ اللّهَ نَزَّلَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُواْ فِي
الْكِتَابِ لَفِي شِقَاقٍ بَعِيدٍ
আর
এটা
এজন্যে
যে,
আল্লাহ
নাযিল
করেছেন
সত্যপূর্ণ কিতাব।
আর
যারা
কেতাবের মাঝে
মতবিরোধ সৃষ্টি
করেছে
নিশ্চয়ই তারা
জেদের
বশবর্তী হয়ে
অনেক
দূরে
চলে
গেছে।(সূরা বাকারা ২:১৭৬ )
لَّيْسَ
الْبِرَّ أَن تُوَلُّواْ وُجُوهَكُمْ قِبَلَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَلَـكِنَّ
الْبِرَّ مَنْ آمَنَ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَالْمَلآئِكَةِ وَالْكِتَابِ
وَالنَّبِيِّينَ وَآتَى الْمَالَ عَلَى حُبِّهِ ذَوِي الْقُرْبَى وَالْيَتَامَى
وَالْمَسَاكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَالسَّآئِلِينَ وَفِي الرِّقَابِ وَأَقَامَ
الصَّلاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَالْمُوفُونَ بِعَهْدِهِمْ إِذَا عَاهَدُواْ
وَالصَّابِرِينَ فِي الْبَأْسَاء والضَّرَّاء وَحِينَ الْبَأْسِ أُولَـئِكَ
الَّذِينَ صَدَقُوا وَأُولَـئِكَ هُمُ الْمُتَّقُونَ
সৎকর্ম
শুধু
এই
নয়
যে,
পূর্ব
কিংবা
পশ্চিমদিকে মুখ
করবে,
বরং
বড়
সৎকাজ
হল
এই
যে,
ঈমান
আনবে
আল্লাহর উপর
কিয়ামত দিবসের
উপর,
ফেরেশতাদের উপর
এবং
সমস্ত
নবী-রসূলগণে র উপর, আর
সম্পদ
ব্যয়
করবে
তাঁরই
মহব্বতে আত্নীয়-স্ব
জন,
এতীম-মিসকীন , মুসাফির-ভিক
্ষুক
ও
মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে।
আর
যারা
নামায
প্রতিষ্ঠা করে,
যাকাত
দান
করে
এবং
যারা
কৃত
প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং
অভাবে,
রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময়
ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর
তারাই
পরহেযগার।(সূরা
বাকারা
২:১৭৭ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِصَاصُ فِي الْقَتْلَى
الْحُرُّ بِالْحُرِّ وَالْعَبْدُ بِالْعَبْدِ وَالأُنثَى بِالأُنثَى فَمَنْ عُفِيَ
لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاء إِلَيْهِ
بِإِحْسَانٍ ذَلِكَ تَخْفِيفٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَرَحْمَةٌ فَمَنِ اعْتَدَى بَعْدَ
ذَلِكَ فَلَهُ عَذَابٌ أَلِيمٌ
হে
ঈমানদারগন! তোমাদের প্রতি
নিহতদের ব্যাপারে কেসাস
গ্রহণ
করা
বিধিবদ্ধ করা
হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়,
দাস
দাসের
বদলায়
এবং
নারী
নারীর
বদলায়। অতঃপর
তার
ভাইয়ের তরফ
থেকে
যদি
কাউকে
কিছুটা
মাফ
করে
দেয়া
হয়,
তবে
প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ
করবে
এবং
ভালভাবে তাকে
তা
প্রদান
করতে
হবে।
এটা
তোমাদের পালনকর্তার তরফ
থেকে
সহজ
এবং
বিশেষ
অনুগ্রহ। এরপরও
যে
ব্যাক্তি বাড়াবাড়ি করে,
তার
জন্য
রয়েছে
বেদনাদায়ক আযাব।(সূরা বাকারা ২:১৭৮ )
وَلَكُمْ
فِي الْقِصَاصِ حَيَاةٌ يَاْ أُولِيْ الأَلْبَابِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ হে বুদ্ধিমানগণ! কেসাসের মধ্যে
তোমাদের জন্যে
জীবন
রয়েছে,
যাতে
তোমরা
সাবধান
হতে
পার।(সূরা বাকারা ২:১৭৯
)
كُتِبَ
عَلَيْكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ إِن تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ
لِلْوَالِدَيْنِ وَالأقْرَبِينَ بِالْمَعْرُوفِ حَقًّا عَلَى الْمُتَّقِينَ
তোমাদের কারো
যখন
মৃত্যুর সময়
উপস্থিত হয়,
সে
যদি
কিছু
ধন-সম্পদ ত্যাগ করে
যায়,
তবে
তার
জন্য
ওসীয়ত
করা
বিধিবদ্ধ করা
হলো,
পিতা-মাতা ও নিকটাত্নীয়দের জন্য
ইনসাফের সাথে
পরহেযগারদের জন্য
এ
নির্দেশ জরুরী।
নিশ্চয় আল্লাহ
তা’আলা সবকিছু শোনেন
ও
জানেন।(সূরা বাকারা ২:১৮০ )
فَمَن
بَدَّلَهُ بَعْدَ مَا سَمِعَهُ فَإِنَّمَا إِثْمُهُ عَلَى الَّذِينَ
يُبَدِّلُونَهُ إِنَّ اللّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
যদি
কেউ
ওসীয়ত
শোনার
পর
তাতে
কোন
রকম
পরিবর্তন সাধন
করে,
তবে
যারা
পরিবর্তন করে
তাদের
উপর
এর
পাপ
পতিত
হবে।(সূরা বাকারা ২:১৮১ )
فَمَنْ
خَافَ مِن مُّوصٍ جَنَفًا أَوْ إِثْمًا فَأَصْلَحَ بَيْنَهُمْ فَلاَ إِثْمَ
عَلَيْهِ إِنَّ اللّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
যদি
কেউ
ওসীয়তকারীর পক্ষ
থেকে
আশংকা
করে
পক্ষপাতিত্বের অথবা
কোন
অপরাধমূলক সিদ্ধান্তের এবং
তাদের
মধ্যে
মীমাংসা করে
দেয়,
তবে
তার
কোন
গোনাহ
হবে
না।
নিশ্চয় আল্লাহ
তা’আলা ক্ষমাশীল, অতি
দয়ালু।(সূরা
বাকারা
২:১৮২ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى
الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
হে
ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর
রোজা
ফরয
করা
হয়েছে,
যেরূপ
ফরজ
করা
হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের
উপর,
যেন
তোমরা
পরহেযগারী অর্জন
করতে
পার।(সূরা বাকারা ২:১৮৩ )
أَيَّامًا
مَّعْدُودَاتٍ فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ
أَيَّامٍ أُخَرَ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ فَمَن
تَطَوَّعَ خَيْرًا فَهُوَ خَيْرٌ لَّهُ وَأَن تَصُومُواْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن
كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
গণনার
কয়েকটি দিনের
জন্য
অতঃপর
তোমাদের মধ্যে
যে,
অসুখ
থাকবে
অথবা
সফরে
থাকবে,
তার
পক্ষে
অন্য
সময়ে
সে
রোজা
পূরণ
করে
নিতে
হবে।
আর
এটি
যাদের
জন্য
অত্যন্ত কষ্ট
দায়ক
হয়,
তারা
এর
পরিবর্তে একজন
মিসকীনকে খাদ্যদান করবে।
যে
ব্যক্তি খুশীর
সাথে
সৎকর্ম
করে,
তা
তার
জন্য
কল্যাণ
কর
হয়।
আর
যদি
রোজা
রাখ,
তবে
তোমাদের জন্যে
বিশেষ
কল্যাণকর, যদি
তোমরা
তা
বুঝতে
পার।(সূরা বাকারা ২:১৮৪ )
شَهْرُ
رَمَضَانَ الَّذِيَ أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ
الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ وَمَن كَانَ
مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ يُرِيدُ اللّهُ
بِكُمُ الْيُسْرَ وَلاَ يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُواْ الْعِدَّةَ
وَلِتُكَبِّرُواْ اللّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
রমযান
মাসই
হল
সে
মাস,
যাতে
নাযিল
করা
হয়েছে
কোরআন,
যা
মানুষের জন্য
হেদায়েত এবং
সত্যপথ
যাত্রীদের জন্য
সুষ্পষ্ট পথ
নির্দেশ আর
ন্যায়
ও
অন্যায়ের মাঝে
পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই
তোমাদের মধ্যে
যে
লোক
এ
মাসটি
পাবে,
সে
এ
মাসের
রোযা
রাখবে।
আর
যে
লোক
অসুস্থ
কিংবা
মুসাফির অবস্থায় থাকবে
সে
অন্য
দিনে
গণনা
পূরণ
করবে।
আল্লাহ
তোমাদের জন্য
সহজ
করতে
চান;
তোমাদের জন্য
জটিলতা
কামনা
করেন
না
যাতে
তোমরা
গণনা
পূরণ
কর
এবং
তোমাদের হেদায়েত দান
করার
দরুন
আল্লাহ
তা’আলার মহত্ত্ব বর্ণনা
কর,
যাতে
তোমরা
কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।(সূরা বাকারা ২:১৮৫ )
وَإِذَا
سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا
دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُواْ لِي وَلْيُؤْمِنُواْ بِي لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ
আর
আমার
বান্দারা যখন
তোমার
কাছে
জিজ্ঞেস করে
আমার
ব্যাপারে বস্তুতঃ আমি
রয়েছি
সন্নিকটে। যারা
প্রার্থনা করে,
তাদের
প্রার্থনা কবুল
করে
নেই,
যখন
আমার
কাছে
প্রার্থনা করে।
কাজেই
আমার
হুকুম
মান্য
করা
এবং
আমার
প্রতি
নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা
তাদের
একান্ত
কর্তব্য। যাতে
তারা
সৎপথে
আসতে
পারে।(সূরা বাকারা ২:১৮৬ )
أُحِلَّ
لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَآئِكُمْ هُنَّ لِبَاسٌ لَّكُمْ
وَأَنتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ عَلِمَ اللّهُ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَخْتانُونَ
أَنفُسَكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ وَعَفَا عَنكُمْ فَالآنَ بَاشِرُوهُنَّ
وَابْتَغُواْ مَا كَتَبَ اللّهُ لَكُمْ وَكُلُواْ وَاشْرَبُواْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ
لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ
أَتِمُّواْ الصِّيَامَ إِلَى الَّليْلِ وَلاَ تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ
عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ تِلْكَ حُدُودُ اللّهِ فَلاَ تَقْرَبُوهَا كَذَلِكَ
يُبَيِّنُ اللّهُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
রোযার
রাতে
তোমাদের স্ত্রীদের সাথে
সহবাস
করা
তোমাদের জন্য
হালাল
করা
হয়েছে। তারা
তোমাদের পরিচ্ছদ এবং
তোমরা
তাদের
পরিচ্ছদ। আল্লাহ
অবগত
রয়েছেন যে,
তোমরা
আত্নপ্রতারণা করছিলে,
সুতরাং
তিনি
তোমাদেরকে ক্ষমা
করেছেন
এবং
তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন। অতঃপর
তোমরা
নিজেদের স্ত্রীদের সাথে
সহবাস
কর
এবং
যা
কিছু
তোমাদের জন্য
আল্লাহ
দান
করেছেন,
তা
আহরন
কর।
আর
পানাহার কর
যতক্ষণ
না
কাল
রেখা
থেকে
ভোরের
শুভ্র
রেখা
পরিষ্কার দেখা
যায়।
অতঃপর
রোযা
পূর্ণ
কর
রাত
পর্যন্ত। আর
যতক্ষণ
তোমরা
এতেকাফ
অবস্থায় মসজিদে
অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে
মিশো
না।
এই
হলো
আল্লাহ
কর্তৃক
বেঁধে
দেয়া
সীমানা। অতএব,
এর
কাছেও
যেও
না।
এমনিভাবে বর্ণনা
করেন
আল্লাহ
নিজের
আয়াত
সমূহ
মানুষের জন্য,
যাতে
তারা
বাঁচতে
পারে।(সূরা বাকারা ২:১৮৭ )
وَلاَ
تَأْكُلُواْ أَمْوَالَكُم بَيْنَكُم بِالْبَاطِلِ وَتُدْلُواْ بِهَا إِلَى
الْحُكَّامِ لِتَأْكُلُواْ فَرِيقًا مِّنْ أَمْوَالِ النَّاسِ بِالإِثْمِ
وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
তোমরা
অন্যায়ভাবে একে
অপরের
সম্পদ
ভোগ
করো
না।
এবং
জনগণের
সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে পাপ পন্থায় আত্নসাৎ করার
উদ্দেশে শাসন
কতৃপক্ষের হাতেও
তুলে
দিও
না।(সূরা বাকারা ২:১৮৮ )
يَسْأَلُونَكَ
عَنِ الأهِلَّةِ قُلْ هِيَ مَوَاقِيتُ لِلنَّاسِ وَالْحَجِّ وَلَيْسَ الْبِرُّ
بِأَنْ تَأْتُوْاْ الْبُيُوتَ مِن ظُهُورِهَا وَلَـكِنَّ الْبِرَّ مَنِ اتَّقَى
وَأْتُواْ الْبُيُوتَ مِنْ أَبْوَابِهَا وَاتَّقُواْ اللّهَ لَعَلَّكُمْ
تُفْلِحُونَ
তোমার
নিকট
তারা
জিজ্ঞেস করে
নতুন
চাঁদের
বিষয়ে। বলে
দাও
যে
এটি
মানুষের জন্য
সময়
নির্ধারণ এবং
হজ্বের
সময়
ঠিক
করার
মাধ্যম। আর
পেছনের
দিক
দিয়ে
ঘরে
প্রবেশ
করার
মধ্যে
কোন
নেকী
বা
কল্যাণ
নেই।
অবশ্য
নেকী
হল
আল্লাহকে ভয়
করার
মধ্যে।
আর
তোমরা
ঘরে
প্রবেশ
কর
দরজা
দিয়ে
এবং
আল্লাহকে ভয়
করতে
থাক
যাতে
তোমরা
নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে
পার।(সূরা বাকারা ২:১৮৯ )
وَقَاتِلُواْ
فِي سَبِيلِ اللّهِ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَكُمْ وَلاَ تَعْتَدُواْ إِنَّ اللّهَ
لاَ يُحِبِّ الْمُعْتَدِينَ
আর
লড়াই
কর
আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের
সাথে,
যারা
লড়াই
করে
তোমাদের সাথে।
অবশ্য
কারো
প্রতি
বাড়াবাড়ি করো
না।
নিশ্চয়ই আল্লাহ
সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ
করেন
না।(সূরা বাকারা ২:১৯০ )
وَاقْتُلُوهُمْ
حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ وَأَخْرِجُوهُم مِّنْ حَيْثُ أَخْرَجُوكُمْ وَالْفِتْنَةُ
أَشَدُّ مِنَ الْقَتْلِ وَلاَ تُقَاتِلُوهُمْ عِندَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ حَتَّى
يُقَاتِلُوكُمْ فِيهِ فَإِن قَاتَلُوكُمْ فَاقْتُلُوهُمْ كَذَلِكَ جَزَاء
الْكَافِرِينَ
আর
তাদেরকে হত্যাকর যেখানে
পাও
সেখানেই এবং
তাদেরকে বের
করে
দাও
সেখান
থেকে
যেখান
থেকে
তারা
বের
করেছে
তোমাদেরকে। বস্তুতঃ ফেতনা
ফ্যাসাদ বা
দাঙ্গা-হাঙ্ গামা সৃষ্টি
করা
হত্যার
চেয়েও
কঠিন
অপরাধ।
আর
তাদের
সাথে
লড়াই
করো
না
মসজিদুল হারামের নিকটে
যতক্ষণ
না
তারা
তোমাদের সাথে
সেখানে
লড়াই
করে।
অবশ্য
যদি
তারা
নিজেরাই তোমাদের সাথে
লড়াই
করে।
তাহলে
তাদেরকে হত্যা
কর।
এই
হল
কাফেরদের শাস্তি।(সূরা
বাকারা
২:১৯১ )
فَإِنِ
انتَهَوْاْ فَإِنَّ اللّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
আর
তারা
যদি
বিরত
থাকে,
তাহলে
আল্লাহ
অত্যন্ত দয়ালু।(সূরা
বাকারা
২:১৯২ )
وَقَاتِلُوهُمْ
حَتَّى لاَ تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ لِلّهِ فَإِنِ انتَهَواْ فَلاَ
عُدْوَانَ إِلاَّ عَلَى الظَّالِمِينَ
আর
তোমরা
তাদের
সাথে
লড়াই
কর,
যে
পর্যন্ত না
ফেতনার
অবসান
হয়
এবং
আল্লাহর দ্বীন
প্রতিষ্ঠিত হয়।
অতঃপর
যদি
তারা
নিবৃত
হয়ে
যায়
তাহলে
কারো
প্রতি
কোন
জবরদস্তি নেই,
কিন্তু
যারা
যালেম
(তাদের
ব্যাপারে আলাদা)।(সূরা বাকারা
২:১৯৩ )
الشَّهْرُ
الْحَرَامُ بِالشَّهْرِ الْحَرَامِ وَالْحُرُمَاتُ قِصَاصٌ فَمَنِ اعْتَدَى
عَلَيْكُمْ فَاعْتَدُواْ عَلَيْهِ بِمِثْلِ مَا اعْتَدَى عَلَيْكُمْ وَاتَّقُواْ
اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ
সম্মানিত মাসই
সম্মানিত মাসের
বদলা।
আর
সম্মান
রক্ষা
করারও
বদলা
রয়েছে। বস্তুতঃ যারা
তোমাদের উপর
জবর
দস্তি
করেছে,
তোমরা
তাদের
উপর
জবরদস্তি কর,
যেমন
জবরদস্তি তারা
করেছে
তোমাদের উপর।
আর
তোমরা
আল্লাহকে ভয়
কর
এবং
জেনে
রাখ,
যারা
পরহেযগার, আল্লাহ
তাদের
সাথে
রয়েছেন।(সূরা
বাকারা
২:১৯৪ )
وَأَنفِقُواْ
فِي سَبِيلِ اللّهِ وَلاَ تُلْقُواْ بِأَيْدِيكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِ
وَأَحْسِنُوَاْ إِنَّ اللّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ
আর
ব্যয়
কর
আল্লাহর পথে,
তবে
নিজের
জীবনকে
ধ্বংসের সম্মুখীন করো
না।
আর
মানুষের প্রতি
অনুগ্রহ কর।
আল্লাহ
অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন।(সূরা
বাকারা
২:১৯৫ )
وَأَتِمُّواْ
الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلّهِ فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ
الْهَدْيِ وَلاَ تَحْلِقُواْ رُؤُوسَكُمْ حَتَّى يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ
فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضاً أَوْ بِهِ أَذًى مِّن رَّأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِّن
صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ فَإِذَا أَمِنتُمْ فَمَن تَمَتَّعَ
بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ فَمَن لَّمْ
يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعْتُمْ
تِلْكَ عَشَرَةٌ كَامِلَةٌ ذَلِكَ لِمَن لَّمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي
الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ شَدِيدُ
الْعِقَابِ
আর
তোমরা
আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ্ব
ওমরাহ
পরিপূর্ণ ভাবে
পালন
কর।
যদি
তোমরা
বাধা
প্রাপ্ত হও,
তাহলে
কোরবানীর জন্য
যাকিছু
সহজলভ্য, তাই
তোমাদের উপর
ধার্য।
আর
তোমরা
ততক্ষণ
পর্যন্ত মাথা
মুন্ডন
করবে
না,
যতক্ষণ
না
কোরবাণী যথাস্থানে পৌছে
যাবে।
যারা
তোমাদের মধ্যে
অসুস্থ
হয়ে
পড়বে
কিংবা
মাথায়
যদি
কোন
কষ্ট
থাকে,
তাহলে
তার
পরিবর্তে রোজা
করবে
কিংবা
খয়রাত
দেবে
অথবা
কুরবানী করবে।
আর
তোমাদের মধ্যে
যারা
হজ্জ্ব
ওমরাহ
একত্রে
একই
সাথে
পালন
করতে
চাও,
তবে
যাকিছু
সহজলভ্য, তা
দিয়ে
কুরবানী করাই
তার
উপর
কর্তব্য। বস্তুতঃ যারা
কোরবানীর পশু
পাবে
না,
তারা
হজ্জ্বের দিনগুলোর মধ্যে
রোজা
রাখবে
তিনটি
আর
সাতটি
রোযা
রাখবে
ফিরে
যাবার
পর।
এভাবে
দশটি
রোযা
পূর্ণ
হয়ে
যাবে।
এ
নির্দেশটি তাদের
জন্য,
যাদের
পরিবার
পরিজন
মসজিদুল হারামের আশে-পাশে বসবাস করে
না।
আর
আল্লাহকে ভয়
করতে
থাক।
সন্দেহাতীতভাবে জেনো
যে,
আল্লাহর আযাব
বড়ই
কঠিন।(সূরা বাকারা ২:১৯৬ )
الْحَجُّ
أَشْهُرٌ مَّعْلُومَاتٌ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلاَ رَفَثَ وَلاَ
فُسُوقَ وَلاَ جِدَالَ فِي الْحَجِّ وَمَا تَفْعَلُواْ مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ
اللّهُ وَتَزَوَّدُواْ فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى وَاتَّقُونِ يَا
أُوْلِي الأَلْبَابِ
হজ্জ্বে কয়েকটি মাস
আছে
সুবিদিত। এসব
মাসে
যে
লোক
হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত
করবে,
তার
পক্ষে
স্ত্রীও সাথে
নিরাভরণ হওয়া
জায়েজ
নয়।
না
অশোভন
কোন
কাজ
করা,
না
ঝাগড়া-বিবা দ করা
হজ্জ্বের সেই
সময়
জায়েজ
নয়।
আর
তোমরা
যাকিছু
সৎকাজ
কর,
আল্লাহ
তো
জানেন।
আর
তোমরা
পাথেয়
সাথে
নিয়ে
নাও।
নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয়
হচ্ছে
আল্লাহর ভয়।
আর
আমাকে
ভয়
করতে
থাক,
হে
বুদ্ধিমানগন! তোমাদের উপর
তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায়
কোন
পাপ
নেই।(সূরা বাকারা ২:১৯৭ )
لَيْسَ
عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَبْتَغُواْ فَضْلاً مِّن رَّبِّكُمْ فَإِذَا أَفَضْتُم
مِّنْ عَرَفَاتٍ فَاذْكُرُواْ اللّهَ عِندَ الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ وَاذْكُرُوهُ
كَمَا هَدَاكُمْ وَإِن كُنتُم مِّن قَبْلِهِ لَمِنَ الضَّآلِّينَ
তোমাদের উপর
তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষন করায়
কোন
পাপ
নেই।
অতঃপর
যখন
তওয়াফের জন্য
ফিরে
আসবে
আরাফাত
থেকে,
তখন
মাশ`
আরে-হারামের নিকটে আল্লাহকে স্মরণ
কর।
আর
তাঁকে
স্মরণ
কর
তেমনি
করে,
যেমন
তোমাদিগকে হেদায়েত করা
হয়েছে। আর
নিশ্চয়ই ইতিপূর্বে তোমরা
ছিলে
অজ্ঞ।(সূরা বাকারা ২:১৯৮ )
ثُمَّ
أَفِيضُواْ مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ وَاسْتَغْفِرُواْ اللّهَ إِنَّ اللّهَ
غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অতঃপর
তওয়াফের জন্যে
দ্রুতগতিতে সেখান
থেকে
ফিরে
আস,
যেখান
থেকে
সবাই
ফিরে।
আর
আল্লাহর কাছেই
মাগফেরাত কামনা
কর।
নিশ্চয়ই আল্লাহ
ক্ষমাকারী, করুনাময়।(সূরা
বাকারা
২:১৯৯ )
فَإِذَا
قَضَيْتُم مَّنَاسِكَكُمْ فَاذْكُرُواْ اللّهَ كَذِكْرِكُمْ آبَاءكُمْ أَوْ
أَشَدَّ ذِكْرًا فَمِنَ النَّاسِ مَن يَقُولُ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا
وَمَا لَهُ فِي الآخِرَةِ مِنْ خَلاَقٍ
আর
অতঃপর
যখন
হজ্জ্বের যাবতীয় অনুষ্ঠানক্রিয়াদি সমাপ্ত
করে
সারবে,
তখন
স্মরণ
করবে
আল্লাহকে, যেমন
করে
তোমরা
স্মরণ
করতে
নিজেদের বাপ-দাদাদের কে; বরং তার
চেয়েও
বেশী
স্মরণ
করবে।
তারপর
অনেকে
তো
বলে
যে
পরওয়াদেগার! আমাদিগকে দুনিয়াতে দান
কর।
অথচ
তার
জন্যে
পরকালে
কোন
অংশ
নেই।(সূরা বাকারা ২:২০০ )
وِمِنْهُم
مَّن يَقُولُ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً
وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
আর
তাদের
মধ্যে
কেউ
কেউ
বলে-হে পরওয়ারদেগার! আমাদিগকে দুনয়াতেও কল্যাণ
দান
কর
এবং
আখেরাতেও কল্যাণ
দান
কর
এবং
আমাদিগকে দোযখের
আযাব
থেকে
রক্ষা
কর।(সূরা বাকারা ২:২০১ )
أُولَـئِكَ
لَهُمْ نَصِيبٌ مِّمَّا كَسَبُواْ وَاللّهُ سَرِيعُ الْحِسَابِ এদেরই জন্য অংশ
রয়েছে
নিজেদের উপার্জিত সম্পদের। আর
আল্লাহ
দ্রুত
হিসাব
গ্রহণকারী।(সূরা
বাকারা
২:২০২ )
وَاذْكُرُواْ
اللّهَ فِي أَيَّامٍ مَّعْدُودَاتٍ فَمَن تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلاَ إِثْمَ
عَلَيْهِ وَمَن تَأَخَّرَ فَلا إِثْمَ عَلَيْهِ لِمَنِ اتَّقَى وَاتَّقُواْ اللّهَ
وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ
আর
স্মরণ
কর
আল্লাহকে নির্দিষ্ট সংখ্যক
কয়েকটি দিনে।
অতঃপর
যে
লোক
তাড়াহুড়া করে
চলে
যাবে
শুধু
দু,
দিনের
মধ্যে,
তার
জন্যে
কোন
পাপ
নেই।
আর
যে
লোক
থেকে
যাবে
তাঁর
উপর
কোন
পাপ
নেই,
অবশ্য
যারা
ভয়
করে।
আর
তোমরা
আল্লাহকে ভয়
করতে
থাক
এবং
নিশ্চিত জেনে
রাখ,
তোমরা
সবাই
তার
সামনে
সমবেত হবে।(সূরা
বাকারা
২:২০৩ )
وَمِنَ
النَّاسِ مَن يُعْجِبُكَ قَوْلُهُ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيُشْهِدُ اللّهَ
عَلَى مَا فِي قَلْبِهِ وَهُوَ أَلَدُّ الْخِصَامِ
আর
এমন
কিছু
লোক
রযেছে
যাদের
পার্থিব জীবনের
কথাবার্তা তোমাকে
চমৎকৃত
করবে।
আর
তারা
সাক্ষ্য স্থাপন
করে
আল্লাহকে নিজের
মনের
কথার
ব্যাপারে। প্রকৃতপক্ষে তারা
কঠিন
ঝগড়াটে লোক।(সূরা বাকারা ২:২০৪ )
وَإِذَا
تَوَلَّى سَعَى فِي الأَرْضِ لِيُفْسِدَ فِيِهَا وَيُهْلِكَ الْحَرْثَ وَالنَّسْلَ
وَاللّهُ لاَ يُحِبُّ الفَسَادَ
যখন
ফিরে
যায়
তখন
চেষ্টা
করে
যাতে
সেখানে
অকল্যাণ সৃষ্টি
করতে
পারে
এবং
শস্যক্ষেত্র ও
প্রাণনাশ করতে
পারে।
আল্লাহ
ফাসাদ
ও
দাঙ্গা-হাঙ্ গামা পছন্দ
করেন
না।(সূরা বাকারা ২:২০৫ )
وَإِذَا
قِيلَ لَهُ اتَّقِ اللّهَ أَخَذَتْهُ الْعِزَّةُ بِالإِثْمِ فَحَسْبُهُ جَهَنَّمُ
وَلَبِئْسَ الْمِهَادُ
আর
যখন
তাকে
বলা
হয়
যে,
আল্লাহকে ভয়
কর,
তখন
তার
পাপ
তাকে
অহঙ্কারে উদ্বুদ্ধ করে।
সুতরাং
তার
জন্যে
দোযখই
যথেষ্ট। আর
নিঃসন্দেহে তা
হলো
নিকৃষ্টতর ঠিকানা।(সূরা
বাকারা
২:২০৬ )
وَمِنَ
النَّاسِ مَن يَشْرِي نَفْسَهُ ابْتِغَاء مَرْضَاتِ اللّهِ وَاللّهُ رَؤُوفٌ
بِالْعِبَادِ
আর
মানুষের মাঝে
এক
শ্রেণীর লোক
রয়েছে
যারা
আল্লাহর সন্তুষ্টিকল্পে নিজেদের জানের
বাজি
রাখে।
আল্লাহ
হলেন
তাঁর
বান্দাদের প্রতি
অত্যন্ত মেহেরবান।(সূরা
বাকারা
২:২০৭ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ ادْخُلُواْ فِي السِّلْمِ كَآفَّةً وَلاَ
تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
হে
ঈমানদার গন!
তোমরা
পরিপূর্ণভাবে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত হয়ে
যাও
এবং
শয়তানের পদাংক
অনুসরণ
কর
না।
নিশ্চিত রূপে
সে
তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।(সূরা বাকারা ২:২০৮ )
فَإِن
زَلَلْتُمْ مِّن بَعْدِ مَا جَاءتْكُمُ الْبَيِّنَاتُ فَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ
عَزِيزٌ حَكِيمٌ
অতঃপর
তোমাদের মাঝে
পরিস্কার নির্দেশ এসে
গেছে
বলে
জানার
পরেও
যদি
তোমরা
পদস্খলিত হও,
তাহলে
নিশ্চিত জেনে
রেখো,
আল্লাহ,
পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।(সূরা বাকারা ২:২০৯ )
هَلْ
يَنظُرُونَ إِلاَّ أَن يَأْتِيَهُمُ اللّهُ فِي ظُلَلٍ مِّنَ الْغَمَامِ
وَالْمَلآئِكَةُ وَقُضِيَ الأَمْرُ وَإِلَى اللّهِ تُرْجَعُ الأمُورُ
তারা
কি
সে
দিকেই
তাকিয়ে রয়েছে
যে,
মেঘের
আড়ালে
তাদের
সামনে
আসবেন
আল্লাহ
ও
ফেরেশতাগণ ? আর
তাতেই
সব
মীমাংসা হয়ে
যাবে।
বস্তুতঃ সবকার্যকলাপই আল্লাহর নিকট
গিয়ে
পৌঁছবে।(সূরা
বাকারা
২:২১০ )
سَلْ
بَنِي إِسْرَائِيلَ كَمْ آتَيْنَاهُم مِّنْ آيَةٍ بَيِّنَةٍ وَمَن يُبَدِّلْ
نِعْمَةَ اللّهِ مِن بَعْدِ مَا جَاءتْهُ فَإِنَّ اللّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
বনী
ইসরাঈলদিগকে জিজ্ঞেস কর,
তাদেরকে আমি
কত
স্পষ্ট
নির্দশনাবলী দান
করেছি।
আর
আল্লাহর নেয়ামত পৌছে
যাওয়ার পর
যদি
কেউ
সে
নেয়ামতকে পরিবর্তিত করে
দেয়,
তবে
আল্লাহর আযাব
অতি
কঠিন।(সূরা বাকারা ২:২১১ )
زُيِّنَ
لِلَّذِينَ كَفَرُواْ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَيَسْخَرُونَ مِنَ الَّذِينَ
آمَنُواْ وَالَّذِينَ اتَّقَواْ فَوْقَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَاللّهُ يَرْزُقُ
مَن يَشَاء بِغَيْرِ حِسَابٍ
পার্থিব জীবনের
উপর
কাফেরদিগকে উম্মত্ত করে
দেয়া
হয়েছে। আর
তারা
ঈমানদারদের প্রতি
লক্ষ্য
করে
হাসাহাসি করে।
পক্ষান্তরে যারা
পরহেযগার তারা
সেই
কাফেরদের তুলনায় কেয়ামতের দিন
অত্যন্ত উচ্চমর্যাদায় থাকবে।
আর
আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা
সীমাহীন রুযী
দান
করেন।(সূরা বাকারা ২:২১২ )
كَانَ
النَّاسُ أُمَّةً وَاحِدَةً فَبَعَثَ اللّهُ النَّبِيِّينَ مُبَشِّرِينَ
وَمُنذِرِينَ وَأَنزَلَ مَعَهُمُ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ لِيَحْكُمَ بَيْنَ النَّاسِ
فِيمَا اخْتَلَفُواْ فِيهِ وَمَا اخْتَلَفَ فِيهِ إِلاَّ الَّذِينَ أُوتُوهُ مِن
بَعْدِ مَا جَاءتْهُمُ الْبَيِّنَاتُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ فَهَدَى اللّهُ الَّذِينَ
آمَنُواْ لِمَا اخْتَلَفُواْ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِهِ وَاللّهُ يَهْدِي مَن
يَشَاء إِلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
সকল
মানুষ
একই
জাতি
সত্তার
অন্তর্ভুক্ত ছিল।
অতঃপর
আল্লাহ
তা’আলা পয়গম্বর পাঠালেন সুসংবাদদাতা ও
ভীতি
প্রদর্শনকরী হিসাবে। আর
তাঁদের
সাথে
অবর্তীণ করলেন
সত্য
কিতাব,
যাতে
মানুষের মাঝে
বিতর্কমূলক বিষয়ে
মীমাংসা করতে
পারেন।
বস্তুতঃ কিতাবের ব্যাপারে অন্য
কেউ
মতভেদ
করেনি;
কিন্তু
পরিষ্কার নির্দেশ এসে
যাবার
পর
নিজেদের পারস্পরিক জেদবশতঃ তারাই
করেছে,
যারা
কিতাব
প্রাপ্ত হয়েছিল। অতঃপর
আল্লাহ
ঈমানদারদেরকে হেদায়েত করেছেন
সেই
সত্য
বিষয়ে,
যে
ব্যাপারে তারা
মতভেদ
লিপ্ত
হয়েছিল। আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা,
সরল
পথ বাতলে দেন।(সূরা বাকারা ২:২১৩ )
أَمْ
حَسِبْتُمْ أَن تَدْخُلُواْ الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَأْتِكُم مَّثَلُ الَّذِينَ
خَلَوْاْ مِن قَبْلِكُم مَّسَّتْهُمُ الْبَأْسَاء وَالضَّرَّاء وَزُلْزِلُواْ
حَتَّى يَقُولَ الرَّسُولُ وَالَّذِينَ آمَنُواْ مَعَهُ مَتَى نَصْرُ اللّهِ أَلا
إِنَّ نَصْرَ اللّهِ قَرِيبٌ
তোমাদের কি
এই
ধারণা
যে,
তোমরা
জান্নাতে চলে
যাবে,
অথচ
সে
লোকদের
অবস্থা
অতিক্রম করনি
যারা
তোমাদের পূর্বে
অতীত
হয়েছে। তাদের
উপর
এসেছে
বিপদ
ও
কষ্ট।
আর
এমনি
ভাবে
শিহরিত
হতে
হয়েছে
যাতে
নবী
ও
তাঁর
প্রতি
যারা
ঈমান
এনেছিল
তাদেরকে পর্যন্ত একথা
বলতে
হয়েছে
যে,
কখন
আসবে
আল্লাহর সাহায্যে! তোমরা
শোনে
নাও,
আল্লাহর সাহায্যে একান্তই নিকটবর্তী।(সূরা
বাকারা
২:২১৪ )
يَسْأَلُونَكَ
مَاذَا يُنفِقُونَ قُلْ مَا أَنفَقْتُم مِّنْ خَيْرٍ فَلِلْوَالِدَيْنِ
وَالأَقْرَبِينَ وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا
تَفْعَلُواْ مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّ اللّهَ بِهِ عَلِيمٌ
তোমার
কাছে
জিজ্ঞেস করে,
কি
তারা
ব্যয়
করবে?
বলে
দাও-যে বস্তুই তোমরা
ব্যয়
কর,
তা
হবে
পিতা-মাতার জন্যে, আত্নীয়-আপন
জনের
জন্যে,
এতীম-অনাথদে র জন্যে,
অসহায়দের জন্যে
এবং
মুসাফিরদের জন্যে।
আর
তোমরা
যে
কোন
সৎকাজ
করবে,
নিঃসন্দেহে তা
অত্যন্ত ভালভাবেই আল্লাহর জানা
রয়েছে।(সূরা
বাকারা
২:২১৫ )
كُتِبَ
عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ وَعَسَى أَن تَكْرَهُواْ شَيْئًا
وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ وَعَسَى أَن تُحِبُّواْ شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ
وَاللّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لاَ تَعْلَمُونَ
তোমাদের উপর
যুদ্ধ
ফরয
করা
হয়েছে,
অথচ
তা
তোমাদের কাছে
অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে
হয়তো
কোন
একটা
বিষয়
পছন্দসই নয়,
অথচ
তা
তোমাদের জন্য
কল্যাণকর। আর
হয়তোবা কোন
একটি
বিষয়
তোমাদের কাছে
পছন্দনীয় অথচ
তোমাদের জন্যে
অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন,
তোমরা
জান
না।(সূরা বাকারা ২:২১৬ )
يَسْأَلُونَكَ
عَنِ الشَّهْرِ الْحَرَامِ قِتَالٍ فِيهِ قُلْ قِتَالٌ فِيهِ كَبِيرٌ وَصَدٌّ عَن
سَبِيلِ اللّهِ وَكُفْرٌ بِهِ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَإِخْرَاجُ أَهْلِهِ
مِنْهُ أَكْبَرُ عِندَ اللّهِ وَالْفِتْنَةُ أَكْبَرُ مِنَ الْقَتْلِ وَلاَ
يَزَالُونَ يُقَاتِلُونَكُمْ حَتَّىَ يَرُدُّوكُمْ عَن دِينِكُمْ إِنِ
اسْتَطَاعُواْ وَمَن يَرْتَدِدْ مِنكُمْ عَن دِينِهِ فَيَمُتْ وَهُوَ كَافِرٌ
فَأُوْلَـئِكَ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَأُوْلَـئِكَ
أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
সম্মানিত মাস
সম্পর্কে তোমার
কাছে
জিজ্ঞেস করে
যে,
তাতে
যুদ্ধ
করা
কেমন?
বলে
দাও
এতে
যুদ্ধ
করা
ভীষণ
বড়
পাপ।
আর
আল্লাহর পথে
প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি
করা
এবং
কুফরী
করা,
মসজিদে-হারা
মের
পথে
বাধা
দেয়া
এবং
সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা,
আল্লাহর নিকট
তার
চেয়েও
বড়
পাপ।
আর
ধর্মের
ব্যাপারে ফেতনা
সৃষ্টি
করা
নরহত্যা অপেক্ষাও মহা
পাপ।
বস্তুতঃ তারা
তো
সর্বদাই তোমাদের সাথে
যুদ্ধ
করতে
থাকবে,
যাতে
করে
তোমাদিগকে দ্বীন
থেকে
ফিরিয়ে দিতে
পারে
যদি
সম্ভব
হয়।
তোমাদের মধ্যে
যারা
নিজের
দ্বীন
থেকে
ফিরে
দাঁড়াবে এবং
কাফের
অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে,
দুনিয়া ও
আখেরাতে তাদের
যাবতীয় আমল
বিনষ্ট
হয়ে
যাবে।
আর
তারাই
হলো
দোযখবাসী। তাতে
তারা
চিরকাল
বাস
করবে।(সূরা বাকারা ২:২১৭ )
إِنَّ
الَّذِينَ آمَنُواْ وَالَّذِينَ هَاجَرُواْ وَجَاهَدُواْ فِي سَبِيلِ اللّهِ
أُوْلَـئِكَ يَرْجُونَ رَحْمَتَ اللّهِ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
আর
এতে
কোন
সন্দেহের অবকাশ
নেই
যে,
যারা
ঈমান
এনেছে
এবং
যারা
হিজরত
করেছে
আর
আল্লাহর পথে
লড়াই
(জেহাদ)
করেছে,
তারা
আল্লাহর রহমতের
প্রত্যাশী। আর
আল্লাহ
হচ্ছেন
ক্ষমাকারী করুনাময়।(সূরা
বাকারা
২:২১৮ )
يَسْأَلُونَكَ
عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ
وَإِثْمُهُمَا أَكْبَرُ مِن نَّفْعِهِمَا وَيَسْأَلُونَكَ مَاذَا يُنفِقُونَ قُلِ
الْعَفْوَ كَذَلِكَ يُبيِّنُ اللّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ
তারা
তোমাকে
মদ
ও
জুয়া
সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে।
বলে
দাও,
এতদুভয়ের মধ্যে
রয়েছে
মহাপাপ। আর
মানুষের জন্যে
উপকারিতাও রয়েছে,
তবে
এগুলোর
পাপ
উপকারিতা অপেক্ষা অনেক
বড়।
আর
তোমার
কাছে
জিজ্ঞেস করে,
কি
তারা
ব্যয়
করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর
যা
বাঁচে
তাই
খরচ
করবে।
এভাবেই
আল্লাহ
তোমাদের জন্যে
নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা
করেন,
যাতে
তোমরা
চিন্তা
করতে
পার।(সূরা বাকারা ২:২১৯ )
فِي
الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْيَتَامَى قُلْ إِصْلاَحٌ لَّهُمْ
خَيْرٌ وَإِنْ تُخَالِطُوهُمْ فَإِخْوَانُكُمْ وَاللّهُ يَعْلَمُ الْمُفْسِدَ مِنَ
الْمُصْلِحِ وَلَوْ شَاء اللّهُ لأعْنَتَكُمْ إِنَّ اللّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
দুনিয়া ও
আখেরাতের বিষয়ে। আর
তোমার
কাছে
জিজ্ঞেস করে,
এতীম
সংক্রান্ত হুকুম।
বলে
দাও,
তাদের
কাজ-কর্ম সঠিকভাবে গুছিয়ে দেয়া
উত্তম
আর
যদি
তাদের
ব্যয়ভার নিজের
সাথে
মিশিয়ে নাও,
তাহলে
মনে
করবে
তারা
তোমাদের ভাই
।
বস্তুতঃ অমঙ্গলকামী ও
মঙ্গলকামীদেরকে আল্লাহ
জানেন।
আল্লাহ
যদি
ইচ্ছা
করতেন,
তাহলে
তোমাদের উপর
জটিলতা
আরোপ
করতে
পারতেন। নিশ্চয়ই তিনি
পরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞ।(সূরা
বাকারা
২:২২০ )
وَلاَ
تَنكِحُواْ الْمُشْرِكَاتِ حَتَّى يُؤْمِنَّ وَلأَمَةٌ مُّؤْمِنَةٌ خَيْرٌ مِّن
مُّشْرِكَةٍ وَلَوْ أَعْجَبَتْكُمْ وَلاَ تُنكِحُواْ الْمُشِرِكِينَ حَتَّى
يُؤْمِنُواْ وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ وَلَوْ أَعْجَبَكُمْ
أُوْلَـئِكَ يَدْعُونَ إِلَى النَّارِ وَاللّهُ يَدْعُوَ إِلَى الْجَنَّةِ
وَالْمَغْفِرَةِ بِإِذْنِهِ وَيُبَيِّنُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ
يَتَذَكَّرُونَ
আর
তোমরা
মুশরেক
নারীদেরকে বিয়ে
করোনা,
যতক্ষণ
না
তারা
ঈমান
গ্রহণ
করে।
অবশ্য
মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক
নারী
অপেক্ষা উত্তম,
যদিও
তাদেরকে তোমাদের কাছে
ভালো
লাগে।
এবং
তোমরা
(নারীরা)
কোন
মুশরেকের সঙ্গে
বিবাহ
বন্ধনে
আবদ্ধ
হয়ো
না,
যে
পর্যন্ত সে
ঈমান
না
আনে।
একজন
মুসলমান ক্রীতদাসও একজন
মুশরেকের তুলনায় অনেক
ভাল,
যদিও
তোমরা
তাদের
দেখে
মোহিত
হও।
তারা
দোযখের
দিকে আহ্বান করে,
আর
আল্লাহ
নিজের
হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান
করেন
জান্নাত ও
ক্ষমার
দিকে।
আর
তিনি
মানুষকে নিজের
নির্দেশ বাতলে
দেন
যাতে
তারা
উপদেশ
গ্রহণ
করে।(সূরা বাকারা ২:২২১ )
وَيَسْأَلُونَكَ
عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُواْ النِّسَاء فِي الْمَحِيضِ وَلاَ
تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىَ يَطْهُرْنَ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ
أَمَرَكُمُ اللّهُ إِنَّ اللّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ
الْمُتَطَهِّرِينَ
আর
তোমার
কাছে
জিজ্ঞেস করে
হায়েয
(ঋতু)
সম্পর্কে। বলে
দাও,
এটা
অশুচি।
কাজেই
তোমরা
হায়েয
অবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে
বিরত
থাক।
তখন
পর্যন্ত তাদের
নিকটবর্তী হবে
না,
যতক্ষণ
না
তারা
পবিত্র
হয়ে
যায়।
যখন
উত্তম
রূপে
পরিশুদ্ধ হয়ে
যাবে,
তখন
গমন
কর
তাদের
কাছে,
যেভাবে
আল্লাহ
তোমাদেরকে হুকুম
দিয়েছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ
তওবাকারী এবং
অপবিত্রতা থেকে
যারা
বেঁচে
থাকে
তাদেরকে পছন্দ
করেন।(সূরা বাকারা ২:২২২ )
نِسَآؤُكُمْ
حَرْثٌ لَّكُمْ فَأْتُواْ حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ وَقَدِّمُواْ لأَنفُسِكُمْ
وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّكُم مُّلاَقُوهُ وَبَشِّرِ الْمُؤْمِنِينَ
তোমাদের স্ত্রীরা হলো
তোমাদের জন্য
শস্য
ক্ষেত্র। তোমরা
যেভাবে
ইচ্ছা
তাদেরকে ব্যবহার কর।
আর
নিজেদের জন্য
আগামী
দিনের
ব্যবস্থা কর
এবং
আল্লাহকে ভয়
করতে
থাক।
আর
নিশ্চিতভাবে জেনে
রাখ
যে,
আল্লাহর সাথে
তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই
হবে।
আর
যারা
ঈমান
এনেছে
তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।(সূরা বাকারা ২:২২৩ )
وَلاَ
تَجْعَلُواْ اللّهَ عُرْضَةً لِّأَيْمَانِكُمْ أَن تَبَرُّواْ وَتَتَّقُواْ
وَتُصْلِحُواْ بَيْنَ النَّاسِ وَاللّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
আর
নিজেদের শপথের
জন্য
আল্লাহর নামকে
লক্ষ্যবস্তু বানিও
না
মানুষের সাথে
কোন
আচার
আচরণ
থেকে
পরহেযগারী থেকে
এবং
মানুষের মাঝে
মীমাংসা করে
দেয়া
থেকে
বেঁচে
থাকার
উদ্দেশ্যে। আল্লাহ
সবকিছুই শুনেন
ও
জানেন।(সূরা বাকারা ২:২২৪ )
لاَّ
يُؤَاخِذُكُمُ اللّهُ بِاللَّغْوِ فِيَ أَيْمَانِكُمْ وَلَكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا
كَسَبَتْ قُلُوبُكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ
তোমাদের নিরর্থক শপথের
জন্য
আল্লাহ
তোমাদেরকে ধরবেন
না,
কিন্তু
সেসব
কসমের
ব্যাপারে ধরবেন,
তোমাদের মন
যার
প্রতিজ্ঞা করেছে।
আর
আল্লাহ
হচ্ছেন
ক্ষমাকারী ধৈর্য্যশীল।(সূরা
বাকারা
২:২২৫ )
لِّلَّذِينَ
يُؤْلُونَ مِن نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ فَإِنْ فَآؤُوا فَإِنَّ
اللّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
যারা
নিজেদের স্ত্রীদের নিকট
গমন
করবেনা
বলে
কসম
খেয়ে
বসে
তাদের
জন্য
চার
মাসের
অবকাশ
রয়েছে
অতঃপর
যদি
পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়,
তবে
আল্লাহ
ক্ষামাকারী দয়ালু।(সূরা
বাকারা
২:২২৬ )
وَإِنْ
عَزَمُواْ الطَّلاَقَ فَإِنَّ اللّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
আর
যদি
বর্জন
করার
সংকল্প
করে
নেয়,
তাহলে
নিশ্চয়ই আল্লাহ
শ্রবণকারী ও
জ্ঞানী।(সূরা
বাকারা
২:২২৭ )
وَالْمُطَلَّقَاتُ
يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلاَثَةَ قُرُوَءٍ وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَن
يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ إِن كُنَّ يُؤْمِنَّ بِاللّهِ
وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَبُعُولَتُهُنَّ أَحَقُّ بِرَدِّهِنَّ فِي ذَلِكَ إِنْ
أَرَادُواْ إِصْلاَحًا وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ
وَلِلرِّجَالِ عَلَيْهِنَّ دَرَجَةٌ وَاللّهُ عَزِيزٌ حَكُيمٌ
আর
তালাকপ্রাপ্তা নারী
নিজেকে
অপেক্ষায় রাখবে
তিন
হায়েয
পর্যন্ত। আর
যদি
সে
আল্লাহর প্রতি
এবং
আখেরাত
দিবসের
উপর
ঈমানদার হয়ে
থাকে,
তাহলে
আল্লাহ
যা
তার
জরায়ুতে সৃষ্টি
করেছেন
তা
লুকিয়ে রাখা
জায়েজ
নয়।
আর
যদি
সদ্ভাব
রেখে
চলতে
চায়,
তাহলে
তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার
অধিকার
তাদের
স্বামীরা সংরক্ষণ করে।
আর
পুরুষদের যেমন
স্ত্রীদের উপর
অধিকার
রয়েছে,
তেমনি
ভাবে
স্ত্রীদেরও অধিকার
রয়েছে
পুরুষদের উপর
নিয়ম
অনুযায়ী। আর
নারীরদের ওপর
পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর
আল্লাহ
হচ্ছে
পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।(সূরা বাকারা ২:২২৮ )
الطَّلاَقُ
مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ وَلاَ يَحِلُّ
لَكُمْ أَن تَأْخُذُواْ مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلاَّ أَن يَخَافَا
أَلاَّ يُقِيمَا حُدُودَ اللّهِ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلاَّ يُقِيمَا حُدُودَ اللّهِ
فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ تِلْكَ حُدُودُ اللّهِ فَلاَ تَعْتَدُوهَا
وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللّهِ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ
তালাকে-`রাজঈ’ হ’ল
দুবার
পর্যন্ত তারপর
হয়
নিয়মানুযায়ী রাখবে,
না
হয়
সহৃদয়তার সঙ্গে
বর্জন
করবে।
আর
নিজের
দেয়া
সম্পদ
থেকে
কিছু
ফিরিয়ে নেয়া
তোমাদের জন্য
জায়েয
নয়
তাদের
কাছ
থেকে।
কিন্তু
যে
ক্ষেত্রে স্বামী
ও
স্ত্রী
উভয়েই
এ
ব্যাপারে ভয়
করে
যে,
তারা
আল্লাহর নির্দেশ বজায়
রাখতে
পারবে
না,
অতঃপর
যদি
তোমাদের ভয়
হয়
যে,
তারা
উভয়েই
আল্লাহর নির্দেশ বজায়
রাখতে
পারবে
না,
তাহলে
সেক্ষেত্রে স্ত্রী
যদি
বিনিময় দিয়ে
অব্যাহতি নিয়ে
নেয়,
তবে
উভয়ের
মধ্যে
কারোরই
কোন
পাপ
নেই।
এই
হলো
আল্লাহ
কর্তৃক
নির্ধারিত সীমা।
কাজেই
একে
অতিক্রম করো
না।
বস্তুতঃ যারা
আল্লাহ
কর্তৃক
নির্ধারিত সীমা
লঙ্ঘন
করবে,
তারাই
জালেম।(সূরা বাকারা ২:২২৯ )
فَإِن
طَلَّقَهَا فَلاَ تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىَ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ فَإِن
طَلَّقَهَا فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا
حُدُودَ اللّهِ وَتِلْكَ حُدُودُ اللّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
তারপর
যদি
সে
স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক
দেয়া
হয়,
তবে
সে
স্ত্রী
যে
পর্যন্ত তাকে
ছাড়া
অপর
কোন স্বামীর সাথে
বিয়ে
করে
না
নেবে,
তার
জন্য
হালাল
নয়।
অতঃপর
যদি
দ্বিতীয় স্বামী
তালাক
দিয়ে
দেয়,
তাহলে
তাদের
উভয়ের
জন্যই
পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে
করাতে
কোন
পাপ
নেই।
যদি
আল্লাহর হুকুম
বজায়
রাখার
ইচ্ছা
থাকে।
আর
এই
হলো
আল্লাহ
কতৃক
নির্ধারিত সীমা;
যারা
উপলব্ধি করে তাদের জন্য
এসব
বর্ণনা
করা
হয়।(সূরা বাকারা ২:২৩০ )
وَإِذَا
طَلَّقْتُمُ النَّسَاء فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَأَمْسِكُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ أَوْ
سَرِّحُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ وَلاَ تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لَّتَعْتَدُواْ وَمَن
يَفْعَلْ ذَلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ وَلاَ تَتَّخِذُوَاْ آيَاتِ اللّهِ
هُزُوًا وَاذْكُرُواْ نِعْمَتَ اللّهِ عَلَيْكُمْ وَمَا أَنزَلَ عَلَيْكُمْ مِّنَ
الْكِتَابِ وَالْحِكْمَةِ يَعِظُكُم بِهِ وَاتَّقُواْ اللّهَ وَاعْلَمُواْ أَنَّ
اللّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
আর
যখন
তোমরা
স্ত্রীদেরকে তালাক
দিয়ে
দাও,
অতঃপর
তারা
নির্ধারিত ইদ্দত
সমাপ্ত
করে
নেয়,
তখন
তোমরা
নিয়ম
অনুযায়ী তাদেরকে রেখে
দাও
অথবা
সহানুভুতির সাথে
তাদেরকে মুক্ত
করে
দাও।
আর
তোমরা
তাদেরকে জ্বালাতন ও
বাড়াবাড়ি করার
উদ্দেশ্যে আটকে
রেখো
না।
আর
যারা
এমন
করবে,
নিশ্চয়ই তারা
নিজেদেরই ক্ষতি
করবে।
আর
আল্লাহর নির্দেশকে হাস্যকর বিষয়ে
পরিণত
করো
না।
আল্লাহর সে
অনুগ্রহের কথা
স্মরণ
কর,
যা
তোমাদের উপর
রয়েছে
এবং
তাও
স্মরণ
কর,
যে
কিতাব
ও
জ্ঞানের কথা
তোমাদের উপর
নাযিল
করা
হয়েছে
যার
দ্বারা
তোমাদেরকে উপদেশ
দান
করা
হয়।
আল্লাহকে ভয়
কর
এবং
জেনে
রাখ
যে,
আল্লাহ
সর্ববিষয়েই জ্ঞানময়।(সূরা
বাকারা
২:২৩১ )
وَإِذَا
طَلَّقْتُمُ النِّسَاء فَبَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلاَ تَعْضُلُوهُنَّ أَن يَنكِحْنَ
أَزْوَاجَهُنَّ إِذَا تَرَاضَوْاْ بَيْنَهُم بِالْمَعْرُوفِ ذَلِكَ يُوعَظُ بِهِ
مَن كَانَ مِنكُمْ يُؤْمِنُ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ ذَلِكُمْ أَزْكَى لَكُمْ
وَأَطْهَرُ وَاللّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لاَ تَعْلَمُونَ
আর
যখন
তোমরা
স্ত্রীদেরকে তালাক
দিয়ে
দাও
এবং
তারপর
তারাও
নির্ধারিত ইদ্দত
পূর্ন
করতে
থাকে,
তখন
তাদেরকে পূর্ব
স্বামীদের সাথে
পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নিয়মানুযায়ী বিয়ে করতে বাধাদান করো
না।
এ
উপদেশ
তাকেই
দেয়া
হচ্ছে,
যে
আল্লাহ
ও
কেয়ামত দিনের
উপর
বিশ্বাস স্থাপন
করেছে।
এর
মধ্যে
তোমাদের জন্য
রয়েছে
একান্ত
পরিশুদ্ধতা ও
অনেক
পবিত্রতা। আর
আল্লাহ
জানেন,
তোমরা
জান
না।(সূরা বাকারা ২:২৩২ )
وَالْوَالِدَاتُ
يُرْضِعْنَ أَوْلاَدَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَن يُتِمَّ
الرَّضَاعَةَ وَعلَى الْمَوْلُودِ لَهُ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ
بِالْمَعْرُوفِ لاَ تُكَلَّفُ نَفْسٌ إِلاَّ وُسْعَهَا لاَ تُضَآرَّ وَالِدَةٌ
بِوَلَدِهَا وَلاَ مَوْلُودٌ لَّهُ بِوَلَدِهِ وَعَلَى الْوَارِثِ مِثْلُ ذَلِكَ
فَإِنْ أَرَادَا فِصَالاً عَن تَرَاضٍ مِّنْهُمَا وَتَشَاوُرٍ فَلاَ جُنَاحَ
عَلَيْهِمَا وَإِنْ أَرَدتُّمْ أَن تَسْتَرْضِعُواْ أَوْلاَدَكُمْ فَلاَ جُنَاحَ
عَلَيْكُمْ إِذَا سَلَّمْتُم مَّا آتَيْتُم بِالْمَعْرُوفِ وَاتَّقُواْ اللّهَ
وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
আর
সন্তানবতী নারীরা
তাদের
সন্তানদেরকে পূর্ন
দু’বছর দুধ খাওয়াবে, যদি
দুধ
খাওয়াবার পূর্ণ
মেয়াদ
সমাপ্ত
করতে
চায়।
আর
সন্তানের অধিকারী অর্থাৎ,
পিতার
উপর
হলো
সে
সমস্ত
নারীর
খোর-পোষের দায়িত্ব প্রচলিত নিয়ম
অনুযায়ী। কাউকে
তার
সামর্থাতিরিক্ত চাপের
সম্মুখীন করা
হয়
না।
আর
মাকে
তার
সন্তানের জন্য
ক্ষতিগ্রস্ত করা
যাবে
না।
এবং
যার
সন্তান
তাকেও
তার
সন্তানের কারণে
ক্ষতির
সম্মুখীন করা
যাবে
না।
আর
ওয়ারিসদের উপরও
দায়িত্ব এই।
তারপর
যদি
পিতা-মাতা ইচ্ছা করে,
তাহলে
দু’বছরের ভিতরেই নিজেদের পারস্পরিক পরামর্শক্রমে দুধ
ছাড়িয়ে দিতে
পারে,
তাতে
তাদের
কোন
পাপ
নেই,
আর
যদি
তোমরা
কোন
ধাত্রীর দ্বারা
নিজের
সন্তানদেরকে দুধ
খাওয়াতে চাও,
তাহলে
যদি
তোমরা
সাব্যস্তকৃত প্রচলিত বিনিময় দিয়ে
দাও
তাতেও
কোন
পাপ
নেই।
আর
আল্লাহকে ভয়
কর
এবং
জেনে
রেখো
যে,
আল্লাহ
তোমাদের যাবতীয় কাজ
অত্যন্ত ভাল
করেই
দেখেন।(সূরা বাকারা ২:২৩৩ )
وَالَّذِينَ
يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ
أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلاَ جُنَاحَ
عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِي أَنفُسِهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَاللّهُ بِمَا
تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
আর
তোমাদের মধ্যে
যারা
মৃত্যুবরণ করবে
এবং
নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে
যাবে,
তখন
সে
স্ত্রীদের কর্তব্য হলো
নিজেকে
চার
মাস
দশ
দিন
পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে
রাখা।
তারপর
যখন
ইদ্দত
পূর্ণ
করে
নেবে,
তখন
নিজের
ব্যাপারে নীতি
সঙ্গত
ব্যবস্থা নিলে
কোন
পাপ
নেই।
আর
তোমাদের যাবতীয় কাজের
ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি
রয়েছে।(সূরা
বাকারা
২:২৩৪ )
وَلاَ
جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا عَرَّضْتُم بِهِ مِنْ خِطْبَةِ النِّسَاء أَوْ
أَكْنَنتُمْ فِي أَنفُسِكُمْ عَلِمَ اللّهُ أَنَّكُمْ سَتَذْكُرُونَهُنَّ وَلَـكِن
لاَّ تُوَاعِدُوهُنَّ سِرًّا إِلاَّ أَن تَقُولُواْ قَوْلاً مَّعْرُوفًا وَلاَ
تَعْزِمُواْ عُقْدَةَ النِّكَاحِ حَتَّىَ يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ
وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ يَعْلَمُ مَا فِي أَنفُسِكُمْ فَاحْذَرُوهُ وَاعْلَمُواْ
أَنَّ اللّهَ غَفُورٌ حَلِيمٌ
আর
যদি
তোমরা
আকার
ইঙ্গিতে সে
নারীর
বিয়ের
পয়গাম
দাও,
কিংবা
নিজেদের মনে
গোপন
রাখ,
তবে
তাতেও
তোমাদের কোন
পাপ
নেই,
আল্লাহ
জানেন
যে,
তোমরা
অবশ্যই
সে
নারীদের কথা
উল্লেখ
করবে।
কিন্তু
তাদের
সাথে
বিয়ে
করার
গোপন
প্রতিশ্রুতি দিয়ে
রেখো
না।
অবশ্য
শরীয়তের নির্ধারিত প্রথা
অনুযায়ী কোন
কথা
সাব্যস্ত করে
নেবে।
আর
নির্ধারিত ইদ্দত
সমাপ্তি পর্যায়ে না
যাওয়া
অবধি
বিয়ে
করার
কোন
ইচ্ছা
করো
না।
আর
একথা
জেনে
রেখো
যে,
তোমাদের মনে
যে
কথা
রয়েছে,
আল্লাহর তা
জানা
আছে।
কাজেই
তাঁকে
ভয়
করতে
থাক।
আর
জেনে
রেখো
যে,
আল্লাহ
ক্ষমাকারী ও
ধৈর্য্যশীল।(সূরা
বাকারা
২:২৩৫ )
لاَّ
جُنَاحَ عَلَيْكُمْ إِن طَلَّقْتُمُ النِّسَاء مَا لَمْ تَمَسُّوهُنُّ أَوْ
تَفْرِضُواْ لَهُنَّ فَرِيضَةً وَمَتِّعُوهُنَّ عَلَى الْمُوسِعِ قَدَرُهُ وَعَلَى
الْمُقْتِرِ قَدْرُهُ مَتَاعًا بِالْمَعْرُوفِ حَقًّا عَلَى الْمُحْسِنِينَ
স্ত্রীদেরকে স্পর্শ
করার
আগে
এবং
কোন
মোহর
সাব্যস্ত করার
পূর্বেও যদি
তালাক
দিয়ে
দাও,
তবে
তাতেও
তোমাদের কোন
পাপ
নেই।
তবে
তাদেরকে কিছু
খরচ
দেবে।
আর
সামর্থ্যবানদের জন্য
তাদের
সামর্থ্য অনুযায়ী এবং
কম
সামর্থ্যবানদের জন্য
তাদের
সাধ্য
অনুযায়ী। যে
খরচ
প্রচলিত রয়েছে
তা
সৎকর্মশীলদের উপর
দায়িত্ব।(সূরা
বাকারা
২:২৩৬ )
وَإِن
طَلَّقْتُمُوهُنَّ مِن قَبْلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ وَقَدْ فَرَضْتُمْ لَهُنَّ
فَرِيضَةً فَنِصْفُ مَا فَرَضْتُمْ إَلاَّ أَن يَعْفُونَ أَوْ يَعْفُوَ الَّذِي
بِيَدِهِ عُقْدَةُ النِّكَاحِ وَأَن تَعْفُواْ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَى وَلاَ
تَنسَوُاْ الْفَضْلَ بَيْنَكُمْ إِنَّ اللّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
আর
যদি
মোহর
সাব্যস্ত করার
পর
স্পর্শ
করার
পূর্বে
তালাক
দিয়ে
দাও,
তাহলে
যে,
মোহর
সাব্যস্ত করা
হয়েছে
তার
অর্ধেক
দিয়ে
দিতে
হবে।
অবশ্য
যদি
নারীরা
ক্ষমা
করে
দেয়
কিংবা
বিয়ের
বন্ধন
যার
অধিকারে সে
(অর্থাৎ,
স্বামী)
যদি
ক্ষমা
করে
দেয়
তবে
তা
স্বতন্ত্র কথা।
আর
তোমরা
পুরুষরা যদি
ক্ষমা
কর,
তবে
তা
হবে
পরহেযগারীর নিকটবর্তী। আর
পারস্পরিক সহানুভূতির কথা
বিস্মৃত হয়ো
না।
নিশ্চয় তোমরা
যা
কিছু
কর
আল্লাহ
সেসবই
অত্যন্ত ভাল
করে
দেখেন।(সূরা বাকারা ২:২৩৭ )
حَافِظُواْ
عَلَى الصَّلَوَاتِ والصَّلاَةِ الْوُسْطَى وَقُومُواْ لِلّهِ قَانِتِينَ
সমস্ত
নামাযের প্রতি
যত্নবান হও,
বিশেষ
করে
মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর
আল্লাহর সামনে
একান্ত
আদবের
সাথে
দাঁড়াও।(সূরা
বাকারা
২:২৩৮ )
فَإنْ
خِفْتُمْ فَرِجَالاً أَوْ رُكْبَانًا فَإِذَا أَمِنتُمْ فَاذْكُرُواْ اللّهَ كَمَا
عَلَّمَكُم مَّا لَمْ تَكُونُواْ تَعْلَمُونَ
অতঃপর
যদি
তোমাদের কারো
ব্যাপারে ভয়
থাকে,
তাহলে
পদচারী
অবস্থাতেই পড়ে
নাও
অথবা
সওয়ারীর উপরে।
তারপর
যখন
তোমরা
নিরাপত্তা পাবে,
তখন
আল্লাহকে স্মরণ
কর,
যেভাবে
তোমাদের শেখানো
হয়েছে,
যা
তোমরা
ইতিপূর্বে জানতে
না।(সূরা বাকারা ২:২৩৯ )
وَالَّذِينَ
يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا وَصِيَّةً لِّأَزْوَاجِهِم
مَّتَاعًا إِلَى الْحَوْلِ غَيْرَ إِخْرَاجٍ فَإِنْ خَرَجْنَ فَلاَ جُنَاحَ
عَلَيْكُمْ فِي مَا فَعَلْنَ فِيَ أَنفُسِهِنَّ مِن مَّعْرُوفٍ وَاللّهُ عَزِيزٌ
حَكِيمٌ
আর
যখন
তোমাদের মধ্যে
যারা
মৃত্যুবরণ করবে
তখন
স্ত্রীদের ঘর
থেকে
বের
না
করে
এক
বছর
পর্যন্ত তাদের
খরচের
ব্যাপারে ওসিয়ত
করে
যাবে।
অতঃপর
যদি
সে
স্ত্রীরা নিজে
থেকে
বেরিয়ে যায়,
তাহলে
সে
নারী
যদি
নিজের
ব্যাপারে কোন
উত্তম
ব্যবস্থা করে,
তবে
তাতে
তোমাদের উপর
কোন
পাপ
নেই।
আর
আল্লাহ
হচ্ছেন
পরাক্রমশালী বিজ্ঞতা সম্পন্ন।(সূরা
বাকারা
২:২৪০ )
وَلِلْمُطَلَّقَاتِ
مَتَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ حَقًّا عَلَى الْمُتَّقِينَ
আর
তালাকপ্রাপ্তা নারীদের জন্য
প্রচলিত নিয়ম
অনুযায়ী খরচ
দেয়া
পরহেযগারদের উপর
কর্তব্য।(সূরা
বাকারা
২:২৪১ )
كَذَلِكَ
يُبَيِّنُ اللّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
এভাবেই
আল্লাহ
তা’আলা তোমাদের জন্য
স্বীয়
নির্দেশ বর্ণনা
করেন
যাতে
তোমরা
তা
বুঝতে
পার।(সূরা বাকারা ২:২৪২ )
أَلَمْ
تَرَ إِلَى الَّذِينَ خَرَجُواْ مِن دِيَارِهِمْ وَهُمْ أُلُوفٌ حَذَرَ الْمَوْتِ
فَقَالَ لَهُمُ اللّهُ مُوتُواْ ثُمَّ أَحْيَاهُمْ إِنَّ اللّهَ لَذُو فَضْلٍ
عَلَى النَّاسِ وَلَـكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لاَ يَشْكُرُونَ
তুমি
কি
তাদেরকে দেখনি,
যারা
মৃত্যুর ভয়ে
নিজেদের ঘর
ছেড়ে
বেরিয়ে গিয়েছিলেন? অথচ তারা ছিল
হাজার
হাজার।
তারপর
আল্লাহ
তাদেরকে বললেন
মরে
যাও।
তারপর
তাদেরকে জীবিত
করে
দিলেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ
মানুষের উপর
অনুগ্রহকারী। কিন্তু
অধিকাংশ লোক
শুকরিয়া প্রকাশ
করে
না।(সূরা বাকারা ২:২৪৩ )
وَقَاتِلُواْ
فِي سَبِيلِ اللّهِ وَاعْلَمُواْ أَنَّ اللّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
আল্লাহর পথে
লড়াই
কর
এবং
জেনে
রাখ,
নিঃসন্দেহে আল্লাহ
সবকিছু
জানেন,
সবকিছু
শুনেন।(সূরা বাকারা ২:২৪৪ )
مَّن
ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ أَضْعَافًا
كَثِيرَةً وَاللّهُ يَقْبِضُ وَيَبْسُطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ
এমন
কে
আছে
যে,
আল্লাহকে করজ
দেবে,
উত্তম
করজ;
অতঃপর
আল্লাহ
তাকে
দ্বিগুণ-বহু
গুণ
বৃদ্ধি
করে
দিবেন।
আল্লাহই সংকোচিত করেন
এবং
তিনিই
প্রশস্ততা দান
করেন
এবং
তাঁরই
নিকট
তোমরা
সবাই
ফিরে
যাবে।(সূরা বাকারা ২:২৪৫ )
أَلَمْ
تَرَ إِلَى الْمَلإِ مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ مِن بَعْدِ مُوسَى إِذْ قَالُواْ
لِنَبِيٍّ لَّهُمُ ابْعَثْ لَنَا مَلِكًا نُّقَاتِلْ فِي سَبِيلِ اللّهِ قَالَ
هَلْ عَسَيْتُمْ إِن كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ أَلاَّ تُقَاتِلُواْ قَالُواْ
وَمَا لَنَا أَلاَّ نُقَاتِلَ فِي سَبِيلِ اللّهِ وَقَدْ أُخْرِجْنَا مِن
دِيَارِنَا وَأَبْنَآئِنَا فَلَمَّا كُتِبَ عَلَيْهِمُ الْقِتَالُ تَوَلَّوْاْ
إِلاَّ قَلِيلاً مِّنْهُمْ وَاللّهُ عَلِيمٌ بِالظَّالِمِينَ
মূসার
পরে
তুমি
কি
বনী
ইসরাঈলের একটি
দলকে
দেখনি,
যখন
তারা
বলেছে
নিজেদের নবীর
কাছে
যে,
আমাদের
জন্য
একজন
বাদশাহ
নির্ধারিত করে
দিন
যাতে
আমরা
আল্লাহর পথে
যুদ্ধ
করতে
পারি।
নবী
বললেন,
তোমাদের প্রতিও
কি
এমন
ধারণা
করা
যায়
যে,
লড়াইর
হুকুম
যদি
হয়,
তাহলে
তখন
তোমরা
লড়বে
না?
তারা
বলল,
আমাদের
কি
হয়েছে
যে,
আমরা
আল্লাহর পথে
লড়াই
করব
না।
অথচ
আমরা
বিতাড়িত হয়েছি
নিজেদের ঘর-বাড়ী ও সন্তান-সন্ত তি থেকে।
অতঃপর
যখন
লড়াইয়ের নির্দেশ হলো,
তখন
সামান্য কয়েকজন ছাড়া
তাদের
সবাই
ঘুরে
দাঁড়ালো। আর
আল্লাহ
তা’আলা জালেমদের ভাল
করেই
জানেন।(সূরা বাকারা ২:২৪৬ )
وَقَالَ
لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ اللّهَ قَدْ بَعَثَ لَكُمْ طَالُوتَ مَلِكًا قَالُوَاْ
أَنَّى يَكُونُ لَهُ الْمُلْكُ عَلَيْنَا وَنَحْنُ أَحَقُّ بِالْمُلْكِ مِنْهُ
وَلَمْ يُؤْتَ سَعَةً مِّنَ الْمَالِ قَالَ إِنَّ اللّهَ اصْطَفَاهُ عَلَيْكُمْ
وَزَادَهُ بَسْطَةً فِي الْعِلْمِ وَالْجِسْمِ وَاللّهُ يُؤْتِي مُلْكَهُ مَن
يَشَاء وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
আর
তাদেরকে তাদের
নবী
বললেন,
নিশ্চয়ই আল্লাহ
তালূতকে তোমাদের জন্য
বাদশাহ
সাব্যস্ত করেছেন। তারা
বলতে
লাগল
তা
কেমন
করে
হয়
যে,
তার
শাসন
চলবে
আমাদের
উপর।
অথচ
রাষ্ট্রক্ষমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার
চেয়ে
আমাদেরই অধিকার
বেশী।
আর
সে
সম্পদের দিক
দিয়েও
সচ্ছল
নয়।
নবী
বললেন,
নিশ্চয় আল্লাহ
তোমাদের উপর
তাকে
পছন্দ
করেছেন
এবং
স্বাস্থ্য ও
জ্ঞানের দিক
দিয়ে
প্রাচুর্য দান
করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ
তাকেই
রাজ্য
দান
করেন,
যাকে
ইচ্ছা।
আর
আল্লাহ
হলেন
অনুগ্রহ দানকারী এবং
সব
বিষয়ে
অবগত।(সূরা বাকারা ২:২৪৭ )
وَقَالَ
لَهُمْ نِبِيُّهُمْ إِنَّ آيَةَ مُلْكِهِ أَن يَأْتِيَكُمُ التَّابُوتُ فِيهِ
سَكِينَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَبَقِيَّةٌ مِّمَّا تَرَكَ آلُ مُوسَى وَآلُ هَارُونَ
تَحْمِلُهُ الْمَلآئِكَةُ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لَّكُمْ إِن كُنتُم
مُّؤْمِنِينَ
বনী-ইসরাঈলদ েরকে তাদের নবী
আরো
বললেন,
তালূতের নেতৃত্বের চিহ্ন
হলো
এই
যে,
তোমাদের কাছে
একটা
সিন্দুক আসবে
তোমাদের পালকর্তার পক্ষ
থেকে
তোমাদের মনের
সন্তুষ্টির নিমিত্তে। আর
তাতে
থাকবে
মূসা,
হারুন
এবং
তাঁদের
সন্তানবর্গের পরিত্যক্ত কিছু
সামগ্রী। সিন্দুকটিকে বয়ে
আনবে
ফেরেশতারা। তোমরা
যদি
ঈমানদার হয়ে
থাক,
তাহলে
এতে
তোমাদের জন্য
নিশ্চিতই পরিপূর্ণ নিদর্শন রয়েছে।(সূরা
বাকারা
২:২৪৮ )
فَلَمَّا
فَصَلَ طَالُوتُ بِالْجُنُودِ قَالَ إِنَّ اللّهَ مُبْتَلِيكُم بِنَهَرٍ فَمَن
شَرِبَ مِنْهُ فَلَيْسَ مِنِّي وَمَن لَّمْ يَطْعَمْهُ فَإِنَّهُ مِنِّي إِلاَّ
مَنِ اغْتَرَفَ غُرْفَةً بِيَدِهِ فَشَرِبُواْ مِنْهُ إِلاَّ قَلِيلاً مِّنْهُمْ
فَلَمَّا جَاوَزَهُ هُوَ وَالَّذِينَ آمَنُواْ مَعَهُ قَالُواْ لاَ طَاقَةَ لَنَا
الْيَوْمَ بِجَالُوتَ وَجُنودِهِ قَالَ الَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُم مُّلاَقُو
اللّهِ كَم مِّن فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَةً بِإِذْنِ اللّهِ
وَاللّهُ مَعَ الصَّابِرِينَ
অতঃপর
তালূত
যখন
সৈন্য-সামন্ ত নিয়ে
বেরুল,
তখন
বলল,
নিশ্চয় আল্লাহ
তোমাদিগকে পরীক্ষা করবেন
একটি
নদীর
মাধ্যমে। সুতরাং
যে
লোক
সেই
নদীর
পানি
পান
করবে
সে
আমার
নয়।
আর
যে,
লোক
তার
স্বাদ
গ্রহণ
করলো
না,
নিশ্চয়ই সে
আমার
লোক।
কিন্তু
যে
লোক
হাতের
আঁজলা
ভরে
সামান্য খেয়ে
নেবে
তার
দোষঅবশ্য তেমন
গুরুতর
হবে
না।
অতঃপর
সবাই
পান
করল
সে
পানি,
সামান্য কয়েকজন ছাড়া।
পরে
তালূত
যখন
তা
পার
হলো
এবং
তার
সাথে
ছিল
মাত্র
কয়েকজন ঈমানদার, তখন
তারা
বলতে
লাগল,
আজকের
দিনে
জালূত
এবং
তার
সেনাবাহিনীর সাথে
যুদ্ধ
করার
শক্তি
আমাদের
নেই,
যাদের
ধারণা
ছিল
যে,
আল্লাহর সামনে
তাদের
একদিন
উপস্থিত হতে
হবে,
তারা
বার
বার
বলতে
লাগল,
সামান্য দলই
বিরাট
দলের
মোকাবেলায় জয়ী
হয়েছে
আল্লাহর হুকুমে। আর
যারা
ধৈর্য্যশীল আল্লাহ
তাদের
সাথে
রয়েছেন।(সূরা
বাকারা
২:২৪৯ )
وَلَمَّا
بَرَزُواْ لِجَالُوتَ وَجُنُودِهِ قَالُواْ رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا
وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
আর
যখন
তালূত
ও
তার
সেনাবাহিনী শত্রুর
সম্মুখীন হল,
তখন
বলল,
হে
আমাদের
পালনকর্তা, আমাদের
মনে
ধৈর্য্য সৃষ্টি
করে
দাও
এবং
আমাদেরকে দৃঢ়পদ
রাখ-আর আমাদের সাহায্য কর
সে
কাফের
জাতির
বিরুদ্ধে।(সূরা
বাকারা
২:২৫০ )
فَهَزَمُوهُم
بِإِذْنِ اللّهِ وَقَتَلَ دَاوُودُ جَالُوتَ وَآتَاهُ اللّهُ الْمُلْكَ
وَالْحِكْمَةَ وَعَلَّمَهُ مِمَّا يَشَاء وَلَوْلاَ دَفْعُ اللّهِ النَّاسَ
بَعْضَهُمْ بِبَعْضٍ لَّفَسَدَتِ الأَرْضُ وَلَـكِنَّ اللّهَ ذُو فَضْلٍ عَلَى
الْعَالَمِينَ
তারপর
ঈমানদাররা আল্লাহর হুকুমে
জালূতের বাহিনীকে পরাজিত
করে
দিল
এবং
দাউদ
জালূতকে হত্যা
করল।
আর
আল্লাহ
দাউদকে
দান
করলেন
রাজ্য
ও
অভিজ্ঞতা। আর
তাকে
যা
চাইলেন
শিখালেন। আল্লাহ
যদি
একজনকে
অপরজনের দ্বারা
প্রতিহত না
করতেন,
তাহলে
গোটা
দুনিয়া বিধ্বস্ত হয়ে
যেতো।
কিন্তু
বিশ্ববাসীর প্রতি
আল্লাহ
একান্তই দয়ালু,
করুণাময়।(সূরা
বাকারা
২:২৫১ )
تِلْكَ
آيَاتُ اللّهِ نَتْلُوهَا عَلَيْكَ بِالْحَقِّ وَإِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِينَ
এগুলো
হলো
আল্লাহর নিদর্শন, যা
আমরা
তোমাদেরকে যথাযথভাবে শুনিয়ে থাকি।
আর
আপনি
নিশ্চিতই আমার
রসূলগণের অন্তর্ভুক্ত।(সূরা
বাকারা
২:২৫২ )
تِلْكَ
الرُّسُلُ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ مِّنْهُم مَّن كَلَّمَ اللّهُ
وَرَفَعَ بَعْضَهُمْ دَرَجَاتٍ وَآتَيْنَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ الْبَيِّنَاتِ
وَأَيَّدْنَاهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ وَلَوْ شَاء اللّهُ مَا اقْتَتَلَ الَّذِينَ مِن
بَعْدِهِم مِّن بَعْدِ مَا جَاءتْهُمُ الْبَيِّنَاتُ وَلَـكِنِ اخْتَلَفُواْ
فَمِنْهُم مَّنْ آمَنَ وَمِنْهُم مَّن كَفَرَ وَلَوْ شَاء اللّهُ مَا اقْتَتَلُواْ
وَلَـكِنَّ اللّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ
এই
রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে
কারো
উপর
মর্যাদা দিয়েছি। তাদের
মধ্যে
কেউ
তো
হলো
তারা
যার
সাথে
আল্লাহ
কথা
বলেছেন,
আর
কারও
মর্যাদা উচ্চতর
করেছেন
এবং
আমি
মরিয়ম
তনয়
ঈসাকে
প্রকৃষ্ট মু’জেযা দান করেছি
এবং
তাকে
শক্তি
দান
করেছি
`রুহূল
কুদ্দুস’ অর্থৎ
জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর
আল্লাহ
যদি
ইচ্ছা
করতেন,
তাহলে
পরিস্কার নির্দেশ এসে
যাবার
পর
পয়গম্বরদের পেছনে
যারা
ছিল
তারা
লড়াই
করতো
না।
কিন্তু
তাদের
মধ্যে
মতবিরোধ সৃষ্টি
হয়ে
গেছে।
অতঃপর
তাদের
কেউ
তো
ঈমান
এনেছে,
আর
কেউ
হয়েছে
কাফের।
আর
আল্লাহ
যদি
ইচ্ছা
করতেন,
তাহলে
তারা
পরস্পর
লড়াই
করতো,
কিন্তু
আল্লাহ
তাই
করেন,
যা
তিনি
ইচ্ছা
করেন।(সূরা বাকারা ২:২৫৩ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَنفِقُواْ مِمَّا رَزَقْنَاكُم مِّن قَبْلِ أَن
يَأْتِيَ يَوْمٌ لاَّ بَيْعٌ فِيهِ وَلاَ خُلَّةٌ وَلاَ شَفَاعَةٌ وَالْكَافِرُونَ
هُمُ الظَّالِمُونَ
হে
ঈমানদারগণ! আমি
তোমাদেরকে যে
রুযী
দিয়েছি, সেদিন
আসার
পূর্বেই তোমরা
তা
থেকে
ব্যয়
কর,
যাতে
না
আছে
বেচা-কেনা, না আছে
সুপারিশ কিংবা
বন্ধুত্ব। আর
কাফেররাই হলো
প্রকৃত
যালেম।(সূরা বাকারা ২:২৫৪ )
اللّهُ
لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ
لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ
عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ
وَلاَ يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَاء وَسِعَ كُرْسِيُّهُ
السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ
الْعَظِيمُ
আল্লাহ
ছাড়া
অন্য
কোন
উপাস্য
নেই,
তিনি
জীবিত,
সবকিছুর ধারক।
তাঁকে
তন্দ্রাও স্পর্শ
করতে
পারে
না
এবং
নিদ্রাও নয়।
আসমান
ও
যমীনে
যা
কিছু
রয়েছে,
সবই
তাঁর।
কে
আছ
এমন,
যে
সুপারিশ করবে
তাঁর
কাছে
তাঁর
অনুমতি
ছাড়া?
দৃষ্টির সামনে
কিংবা
পিছনে
যা
কিছু
রয়েছে
সে
সবই
তিনি
জানেন।
তাঁর
জ্ঞানসীমা থেকে
তারা
কোন
কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে
পারে
না,
কিন্তু
যতটুকু
তিনি
ইচ্ছা
করেন।
তাঁর
সিংহাসন সমস্ত
আসমান
ও
যমীনকে
পরিবেষ্টিত করে
আছে।
আর
সেগুলোকে ধারণ
করা
তাঁর
পক্ষে
কঠিন
নয়।
তিনিই
সর্বোচ্চ এবং
সর্বাপেক্ষা মহান।(সূরা বাকারা ২:২৫৫ )
لاَ
إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ فَمَنْ يَكْفُرْ
بِالطَّاغُوتِ وَيُؤْمِن بِاللّهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىَ
لاَ انفِصَامَ لَهَا وَاللّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
দ্বীনের ব্যাপারে কোন
জবরদস্তি বা
বাধ্য-বাধকত া নেই।
নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে
পৃথক
হয়ে
গেছে।
এখন
যারা
গোমরাহকারী `তাগুত’দেরকে মানবে না
এবং
আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে
ধারণ
করে
নিয়েছে সুদৃঢ়
হাতল
যা
ভাংবার
নয়।
আর
আল্লাহ
সবই
শুনেন
এবং
জানেন।(সূরা বাকারা ২:২৫৬ )
اللّهُ
وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُواْ يُخْرِجُهُم مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوُرِ
وَالَّذِينَ كَفَرُواْ أَوْلِيَآؤُهُمُ الطَّاغُوتُ يُخْرِجُونَهُم مِّنَ النُّورِ
إِلَى الظُّلُمَاتِ أُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
যারা
ঈমান
এনেছে,
আল্লাহ
তাদের
অভিভাবক। তাদেরকে তিনি
বের
করে
আনেন
অন্ধকার থেকে
আলোর
দিকে।
আর
যারা
কুফরী
করে
তাদের
অভিভাবক হচ্ছে
তাগুত।
তারা
তাদেরকে আলো
থেকে
বের
করে
অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়।
এরাই
হলো
দোযখের
অধিবাসী, চিরকাল
তারা
সেখানেই থাকবে।(সূরা বাকারা ২:২৫৭ )
أَلَمْ
تَرَ إِلَى الَّذِي حَآجَّ إِبْرَاهِيمَ فِي رِبِّهِ أَنْ آتَاهُ اللّهُ الْمُلْكَ
إِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّيَ الَّذِي يُحْيِـي وَيُمِيتُ قَالَ أَنَا أُحْيِـي
وَأُمِيتُ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَإِنَّ اللّهَ يَأْتِي بِالشَّمْسِ مِنَ
الْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ فَبُهِتَ الَّذِي كَفَرَ وَاللّهُ لاَ
يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ
তুমি
কি
সে
লোককে
দেখনি,
যে
পালনকর্তার ব্যাপারে বাদানুবাদ করেছিল
ইব্রাহীমের সাথে
এ
কারণে
যে,
আল্লাহ
সে
ব্যাক্তিকে রাজ্য
দান
করেছিলেন? ইব্রাহীম যখন
বললেন,
আমার
পালনকর্তা হলেন
তিনি,
যিনি
জীবন
দান
করেন
এবং
মৃত্যু
ঘটান।
সে
বলল,
আমি
জীবন
দান
করি
এবং
মৃত্যু
ঘটিয়ে
থাকি।
ইব্রাহীম বললেন,
নিশ্চয়ই তিনি
সুর্যকে উদিত
করেন
পূর্ব
দিক
থেকে
এবার তুমি তাকে
পশ্চিম
দিক
থেকে
উদিত
কর।
তখন
সে
কাফের
হতভম্ব
হয়ে
গেল।
আর
আল্লাহ
সীমালংঘণকারী সম্প্রদায়কে সরল
পথ
প্রদর্শন করেন
না।(সূরা বাকারা ২:২৫৮ )
أَوْ
كَالَّذِي مَرَّ عَلَى قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَى عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىَ
يُحْيِـي هَـَذِهِ اللّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللّهُ مِئَةَ عَامٍ ثُمَّ
بَعَثَهُ قَالَ كَمْ لَبِثْتَ قَالَ لَبِثْتُ يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍ قَالَ
بَل لَّبِثْتَ مِئَةَ عَامٍ فَانظُرْ إِلَى طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ
يَتَسَنَّهْ وَانظُرْ إِلَى حِمَارِكَ وَلِنَجْعَلَكَ آيَةً لِّلنَّاسِ وَانظُرْ
إِلَى العِظَامِ كَيْفَ نُنشِزُهَا ثُمَّ نَكْسُوهَا لَحْمًا فَلَمَّا تَبَيَّنَ
لَهُ قَالَ أَعْلَمُ أَنَّ اللّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
তুমি
কি
সে
লোককে
দেখনি
যে
এমন
এক
জনপদ
দিয়ে
যাচ্ছিল যার
বাড়ীঘরগুলো ভেঙ্গে
ছাদের
উপর
পড়ে
ছিল?
বলল,
কেমন
করে
আল্লাহ
মরনের
পর
একে
জীবিত
করবেন?
অতঃপর
আল্লাহ
তাকে
মৃত
অবস্থায় রাখলেন
একশ
বছর।
তারপর
তাকে
উঠালেন। বললেন,
কত
কাল
এভাবে
ছিলে?
বলল
আমি
ছিলাম,
একদিন
কংবা
একদিনের কিছু
কম
সময়।
বললেন,
তা
নয়;
বরং
তুমি
তো
একশ
বছর
ছিলে।
এবার
চেয়ে
দেখ
নিজের
খাবার
ও পানীয়ের দিকে-সেগুলো পচে যায়
নি
এবং
দেখ
নিজের
গাধাটির দিকে।
আর
আমি
তোমাকে
মানুষের জন্য
দৃষ্টান্ত বানাতে
চেয়েছি। আর
হাড়গুলোর দিকে
চেয়ে
দেখ
যে,
আমি
এগুলোকে কেমন
করে
জুড়ে
দেই
এবং
সেগুলোর উপর
মাংসের
আবরণ
পরিয়ে
দেই।
অতঃপর
যখন
তার
উপর
এ
অবস্থা
প্রকাশিত হল, তখন বলে
উঠল-আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ
সর্ব
বিষয়ে
ক্ষমতাশীল।(সূরা
বাকারা
২:২৫৯ )
وَإِذْ
قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِـي الْمَوْتَى قَالَ أَوَلَمْ
تُؤْمِن قَالَ بَلَى وَلَـكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي قَالَ فَخُذْ أَرْبَعَةً
مِّنَ الطَّيْرِ فَصُرْهُنَّ إِلَيْكَ ثُمَّ اجْعَلْ عَلَى كُلِّ جَبَلٍ
مِّنْهُنَّ جُزْءًا ثُمَّ ادْعُهُنَّ يَأْتِينَكَ سَعْيًا وَاعْلَمْ أَنَّ اللّهَ
عَزِيزٌ حَكِيمٌ
আর
স্মরণ
কর,
যখন
ইব্রাহীম বলল,
হে
আমার
পালনকর্তা আমাকে
দেখাও,
কেমন
করে
তুমি
মৃতকে
জীবিত
করবে।
বললেন;
তুমি
কি
বিশ্বাস কর
না?
বলল,
অবশ্যই
বিশ্বাস করি,
কিন্তু
দেখতে
এজন্যে
চাইছি
যাতে
অন্তরে
প্রশান্তি লাভ
করতে
পারি।
বললেন,
তাহলে
চারটি
পাখী
ধরে
নাও।
পরে
সেগুলোকে নিজের
পোষ
মানিয়ে নাও,
অতঃপর
সেগুলোর দেহের
একেকটি
অংশ
বিভিন্ন পাহাড়ের উপর
রেখে
দাও।
তারপর
সেগুলোকে ডাক;
তোমার
নিকট
দৌড়ে
চলে
আসবে।
আর
জেনে
রাখো,
নিশ্চয়ই আল্লাহ
পরাক্রমশালী, অতি
জ্ঞান
সম্পন্ন।(সূরা
বাকারা
২:২৬০ )
مَّثَلُ
الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ
أَنبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنبُلَةٍ مِّئَةُ حَبَّةٍ وَاللّهُ
يُضَاعِفُ لِمَن يَشَاء وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
যারা
আল্লাহর রাস্তায় স্বীয়
ধন
সম্পদ
ব্যয়
করে,
তাদের
উদাহরণ
একটি
বীজের
মত,
যা
থেকে
সাতটি
শীষ
জন্মায়। প্রত্যেকটি শীষে
একশ
করে
দানা
থাকে।
আল্লাহ
অতি
দানশীল,
সর্বজ্ঞ।(সূরা
বাকারা
২:২৬১ )
الَّذِينَ
يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ ثُمَّ لاَ يُتْبِعُونَ مَا
أَنفَقُواُ مَنًّا وَلاَ أَذًى لَّهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ
عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
যারা
স্বীয়
ধন
সম্পদ
আল্লাহর রাস্তায় ব্যয়
করে,
এরপর
ব্যয়
করার পর সে
অনুগ্রহের কথা
প্রকাশ
করে
না
এবং
কষ্টও
দেয়
না,
তাদেরই
জন্যে
তাদের
পালনকর্তার কাছে
রয়েছে
পুরস্কার এবং
তাদের
কোন
আশংকা
নেই,
তারা
চিন্তিতও হবে
না।(সূরা বাকারা ২:২৬২ )
قَوْلٌ
مَّعْرُوفٌ وَمَغْفِرَةٌ خَيْرٌ مِّن صَدَقَةٍ يَتْبَعُهَا أَذًى وَاللّهُ غَنِيٌّ
حَلِيمٌ
নম্র
কথা
বলে
দেয়া
এবং
ক্ষমা
প্রদর্শন করা
ঐ
দান
খয়রাত
অপেক্ষা উত্তম,
যার
পরে
কষ্ট
দেয়া
হয়।
আল্লাহ
তা’আলা সম্পদশালী, সহিঞ্চু।(সূরা
বাকারা
২:২৬৩ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُبْطِلُواْ صَدَقَاتِكُم بِالْمَنِّ وَالأذَى
كَالَّذِي يُنفِقُ مَالَهُ رِئَاء النَّاسِ وَلاَ يُؤْمِنُ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ
الآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ
فَتَرَكَهُ صَلْدًا لاَّ يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِّمَّا كَسَبُواْ وَاللّهُ لاَ
يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ
হে
ঈমানদারগণ!ত
োমরা
অনুগ্রহের কথা
প্রকাশ
করে
এবং
কষ্ট
দিয়ে
নিজেদের দান
খয়রাত
বরবাদ
করো
না
সে
ব্যক্তির মত
যে
নিজের
ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয়
করে
এবং
আল্লাহ
ও
পরকালের প্রতি
বিশ্বাস রাখে
না।
অতএব,
এ
ব্যাক্তির দৃষ্টান্ত একটি
মসৃণ
পাথরের
মত
যার
উপর
কিছু
মাটি
পড়েছিল। অতঃপর
এর
উপর
প্রবল
বৃষ্টি
বর্ষিত
হলো,
অনন্তর
তাকে
সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে
দিল।
তারা
ঐ
বস্তুর
কোন
সওয়াব
পায়
না,
যা
তারা
উপার্জন করেছে।
আল্লাহ
কাফের
সম্প্রদায়কে পথ
প্রদর্শন করেন
না।(সূরা বাকারা ২:২৬৪ )
وَمَثَلُ
الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمُ ابْتِغَاء مَرْضَاتِ اللّهِ وَتَثْبِيتًا
مِّنْ أَنفُسِهِمْ كَمَثَلِ جَنَّةٍ بِرَبْوَةٍ أَصَابَهَا وَابِلٌ فَآتَتْ
أُكُلَهَا ضِعْفَيْنِ فَإِن لَّمْ يُصِبْهَا وَابِلٌ فَطَلٌّ وَاللّهُ بِمَا
تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ
যারা
আল্লাহর রাস্তায় স্বীয়
ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এবং
নিজের
মনকে
সুদৃঢ়
করার
জন্যে
তাদের
উদাহরণ
টিলায়
অবস্থিত বাগানের মত,
যাতে
প্রবল
বৃষ্টিপাত হয়;
অতঃপর
দ্বিগুণ ফসল
দান
করে।
যদি
এমন
প্রবল
বৃষ্টিপাত নাও
হয়,
তবে
হাল্কা
বর্ষণই
যথেষ্ট। আল্লাহ
তোমাদের কাজকর্ম যথার্থই প্রত্যক্ষ করেন।(সূরা বাকারা ২:২৬৫ )
أَيَوَدُّ
أَحَدُكُمْ أَن تَكُونَ لَهُ جَنَّةٌ مِّن نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ تَجْرِي مِن
تَحْتِهَا الأَنْهَارُ لَهُ فِيهَا مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ وَأَصَابَهُ الْكِبَرُ
وَلَهُ ذُرِّيَّةٌ ضُعَفَاء فَأَصَابَهَا إِعْصَارٌ فِيهِ نَارٌ فَاحْتَرَقَتْ
كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ
তোমাদের কেউ
পছন্দ
করে
যে,
তার
একটি
খেজুর
ও
আঙ্গুরের বাগান
হবে,
এর
তলদেশ
দিয়ে
নহর
প্রবাহিত হবে,
আর
এতে
সর্বপ্রকার ফল-ফসল থাকবে এবং
সে
বার্ধক্যে পৌছবে,
তার
দুর্বল
সন্তান
সন্ততিও থাকবে,
এমতাবস্থায় এ
বাগানের একটি
ঘূর্ণিবায়ু আসবে,
যাতে
আগুন
রয়েছে,
অনন্তর
বাগানটি ভষ্মীভূত হয়ে
যাবে?
এমনিভাবে আল্লাহ
তা’আলা তোমাদের জন্যে
নিদর্শনসমূহ বর্ননা
করেন-যাতে তোমরা চিন্তা-ভাবন া কর।(সূরা বাকারা ২:২৬৬ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ أَنفِقُواْ مِن طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّا
أَخْرَجْنَا لَكُم مِّنَ الأَرْضِ وَلاَ تَيَمَّمُواْ الْخَبِيثَ مِنْهُ
تُنفِقُونَ وَلَسْتُم بِآخِذِيهِ إِلاَّ أَن تُغْمِضُواْ فِيهِ وَاعْلَمُواْ أَنَّ
اللّهَ غَنِيٌّ حَمِيدٌ
হে
ঈমানদারগণ! তোমরা
স্বীয়
উপার্জন থেকে
এবং
যা
আমি
তোমাদের জন্যে
ভূমি
থেকে
উৎপন্ন
করেছি,
তা
থেকে
উৎকৃষ্ট বস্তু
ব্যয়
কর
এবং
তা
থেকে
নিকৃষ্ট জিনিস
ব্যয়
করতে
মনস্থ
করো
না।
কেননা,
তা
তোমরা
কখনও
গ্রহণ
করবে
না;
তবে
যদি
তোমরা
চোখ
বন্ধ
করে
নিয়ে
নাও।
জেনে
রেখো,
আল্লাহ
অভাব
মুক্ত,
প্রশংসিত।(সূরা
বাকারা
২:২৬৭ )
الشَّيْطَانُ
يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِالْفَحْشَاء وَاللّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةً
مِّنْهُ وَفَضْلاً وَاللّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
শয়তান
তোমাদেরকে অভাব
অনটনের
ভীতি
প্রদর্শন করে
এবং
অশ্লীলতার আদেশ
দেয়।
পক্ষান্তরে আল্লাহ
তোমাদেরকে নিজের
পক্ষ
থেকে
ক্ষমা
ও
বেশী
অনুগ্রহের ওয়াদা
করেন।
আল্লাহ
প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ।(সূরা
বাকারা
২:২৬৮ )
يُؤتِي
الْحِكْمَةَ مَن يَشَاء وَمَن يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيراً
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الأَلْبَابِ
তিনি
যাকে
ইচ্ছা
বিশেষ
জ্ঞান
দান
করেন
এবং
যাকে
বিশেষ
জ্ঞান
দান
করা
হয়,
সে
প্রভুত
কল্যাণকর বস্তু
প্রাপ্ত হয়।
উপদেশ
তারাই
গ্রহণ
করে,
যারা
জ্ঞানবান।(সূরা
বাকারা
২:২৬৯ )
وَمَا
أَنفَقْتُم مِّن نَّفَقَةٍ أَوْ نَذَرْتُم مِّن نَّذْرٍ فَإِنَّ اللّهَ يَعْلَمُهُ
وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ
তোমরা
যে
খয়রাত
বা
সদ্ব্যয় কর
কিংবা
কোন
মানত
কর,
আল্লাহ
নিশ্চয়ই সেসব
কিছুই
জানেন।
অন্যায়কারীদের কোন
সাহায্যকারী নেই।(সূরা বাকারা ২:২৭০ )
إِن
تُبْدُواْ الصَّدَقَاتِ فَنِعِمَّا هِيَ وَإِن تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا
الْفُقَرَاء فَهُوَ خَيْرٌ لُّكُمْ وَيُكَفِّرُ عَنكُم مِّن سَيِّئَاتِكُمْ
وَاللّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ
যদি
তোমরা
প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে
তা
কতইনা
উত্তম।
আর
যদি
খয়রাত
গোপনে
কর
এবং
অভাবগ্রস্তদের দিয়ে
দাও,
তবে
তা
তোমাদের জন্যে
আরও
উত্তম।
আল্লাহ
তা’আলা তোমাদের কিছু
গোনাহ
দূর
করে
দিবেন।
আল্লাহ
তোমাদের কাজ
কর্মের
খুব
খবর
রাখেন।(সূরা বাকারা ২:২৭১ )
لَّيْسَ
عَلَيْكَ هُدَاهُمْ وَلَـكِنَّ اللّهَ يَهْدِي مَن يَشَاء وَمَا تُنفِقُواْ مِنْ
خَيْرٍ فَلأنفُسِكُمْ وَمَا تُنفِقُونَ إِلاَّ ابْتِغَاء وَجْهِ اللّهِ وَمَا
تُنفِقُواْ مِنْ خَيْرٍ يُوَفَّ إِلَيْكُمْ وَأَنتُمْ لاَ تُظْلَمُونَ
তাদেরকে সৎপথে
আনার
দায়
তোমার
নয়।
বরং
আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা
সৎপথে
পরিচালিত করেন।
যে
মাল
তোমরা
ব্যয়
কর,
তা
নিজ
উপাকারার্থেই কর।
আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া
অন্য
কোন
উদ্দেশ্যে ব্যয়
করো
না।
তোমরা
যে,
অর্থ
ব্যয়
করবে,
তার
পুরস্কার পুরোপুরি পেয়ে
যাবে
এবং
তোমাদের প্রতি
অন্যায় করা
হবে
না।(সূরা বাকারা ২:২৭২ )
لِلْفُقَرَاء
الَّذِينَ أُحصِرُواْ فِي سَبِيلِ اللّهِ لاَ يَسْتَطِيعُونَ ضَرْبًا فِي الأَرْضِ
يَحْسَبُهُمُ الْجَاهِلُ أَغْنِيَاء مِنَ التَّعَفُّفِ تَعْرِفُهُم بِسِيمَاهُمْ
لاَ يَسْأَلُونَ النَّاسَ إِلْحَافًا وَمَا تُنفِقُواْ مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّ اللّهَ
بِهِ عَلِيمٌ
খয়রাত
ঐ
সকল
গরীব
লোকের
জন্যে
যারা
আল্লাহর পথে
আবদ্ধ
হয়ে
গেছে-জীবিকা র সন্ধানে অন্যত্র ঘোরাফেরা করতে
সক্ষম
নয়।
অজ্ঞ
লোকেরা
যাঞ্চা
না
করার
কারণে
তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে
করে। তোমরা তাদেরকে তাদের
লক্ষণ
দ্বারা
চিনবে।
তারা
মানুষের কাছে
কাকুতি-মিনত ি করে
ভিক্ষা
চায়
না।
তোমরা
যে
অর্থ
ব্যয়
করবে,
তা
আল্লাহ
তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত।(সূরা
বাকারা
২:২৭৩ )
الَّذِينَ
يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ سِرًّا وَعَلاَنِيَةً فَلَهُمْ
أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
যারা
স্বীয়
ধন-সম্পদ ব্যয় করে,
রাত্রে
ও
দিনে,
গোপনে
ও
প্রকাশ্যে। তাদের
জন্যে
তাদের
সওয়াব
রয়েছে
তাদের
পালনকর্তার কাছে।
তাদের
কোন
আশংঙ্কা নেই
এবং
তারা
চিন্তিত ও
হবে
না।(সূরা বাকারা ২:২৭৪ )
الَّذِينَ
يَأْكُلُونَ الرِّبَا لاَ يَقُومُونَ إِلاَّ كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ
الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُواْ إِنَّمَا الْبَيْعُ
مِثْلُ الرِّبَا وَأَحَلَّ اللّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا فَمَن جَاءهُ مَوْعِظَةٌ
مِّن رَّبِّهِ فَانتَهَىَ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللّهِ وَمَنْ عَادَ
فَأُوْلَـئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ
যারা
সুদ
খায়,
তারা
কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে,
যেভাবে
দন্ডায়মান হয়
ঐ
ব্যক্তি, যাকে
শয়তান
আসর
করে
মোহাবিষ্ট করে
দেয়।
তাদের
এ
অবস্থার কারণ
এই
যে,
তারা
বলেছেঃ
ক্রয়-বিক্র য় ও
তো
সুদ
নেয়ারই মত!
অথচ
আল্লা’হ তা’আলা
ক্রয়-বিক্র য় বৈধ
করেছেন
এবং
সুদ
হারাম
করেছেন। অতঃপর
যার
কাছে
তার
পালনকর্তার পক্ষ
থেকে
উপদেশ
এসেছে
এবং
সে
বিরত
হয়েছে,
পূর্বে
যা
হয়ে
গেছে,
তা
তার।
তার
ব্যাপার আল্লাহর উপর
নির্ভরশীল। আর
যারা
পুনরায় সুদ
নেয়,
তারাই
দোযখে
যাবে।
তারা
সেখানে
চিরকাল
অবস্থান করবে।(সূরা বাকারা ২:২৭৫ )
يَمْحَقُ
اللّهُ الْرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللّهُ لاَ يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ
أَثِيمٍ
আল্লাহ
তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন
এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত
করেন।
আল্লাহ
পছন্দ
করেন
না
কোন
অবিশ্বাসী পাপীকে।(সূরা
বাকারা
২:২৭৬ )
إِنَّ
الَّذِينَ آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ وَأَقَامُواْ الصَّلاَةَ وَآتَوُاْ
الزَّكَاةَ لَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ
يَحْزَنُونَ
নিশ্চয়ই যারা
বিশ্বাস স্থাপন
করেছে,
সৎকাজ
করেছে,
নামায
প্রতিষ্ঠিত করেছে
এবং
যাকাত
দান
করেছে,
তাদের
জন্যে
তাদের
পুরষ্কার তাদের
পালনকর্তার কছে
রয়েছে। তাদের
কোন
শঙ্কা
নেই
এবং
তারা
দুঃখিত
হবে
না।(সূরা বাকারা ২:২৭৭ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَذَرُواْ مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا
إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
হে
ঈমানদারগণ, তোমরা
আল্লাহকে ভয়
কর
এবং
সুদের
যে
সমস্ত
বকেয়া
আছে,
তা
পরিত্যাগ কর,
যদি
তোমরা
ঈমানদার হয়ে
থাক।(সূরা বাকারা ২:২৭৮ )
فَإِن
لَّمْ تَفْعَلُواْ فَأْذَنُواْ بِحَرْبٍ مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَإِن تُبْتُمْ
فَلَكُمْ رُؤُوسُ أَمْوَالِكُمْ لاَ تَظْلِمُونَ وَلاَ تُظْلَمُونَ
অতঃপর
যদি
তোমরা
পরিত্যাগ না
কর,
তবে
আল্লাহ
ও
তাঁর
রসূলের
সাথে
যুদ্ধ
করতে
প্রস্তুত হয়ে
যাও।
কিন্তু
যদি
তোমরা
তওবা
কর,
তবে
তোমরা
নিজের
মূলধন
পেয়ে
যাবে।
তোমরা
কারও
প্রতি
অত্যাচার করো
না
এবং
কেউ
তোমাদের প্রতি
অত্যাচার করবে
না।(সূরা বাকারা ২:২৭৯ )
وَإِن
كَانَ ذُو عُسْرَةٍ فَنَظِرَةٌ إِلَى مَيْسَرَةٍ وَأَن تَصَدَّقُواْ خَيْرٌ
لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ
যদি
খাতক
অভাবগ্রস্থ হয়,
তবে
তাকে
সচ্ছলতা আসা
পর্যন্ত সময়
দেয়া
উচিত।
আর
যদি
ক্ষমা
করে
দাও,
তবে
তা
খুবই
উত্তম
যদি
তোমরা
উপলব্ধি কর।(সূরা বাকারা ২:২৮০ )
وَاتَّقُواْ
يَوْمًا تُرْجَعُونَ فِيهِ إِلَى اللّهِ ثُمَّ تُوَفَّى كُلُّ نَفْسٍ مَّا
كَسَبَتْ وَهُمْ لاَ يُظْلَمُونَ ঐ দিনকে
ভয়
কর,
যে
দিন
তোমরা
আল্লাহর কাছে
প্রত্যাবর্তিত হবে।
অতঃপর
প্রত্যেকেই তার
কর্মের
ফল
পুরোপুরি পাবে
এবং
তাদের
প্রতি
কোন
রূপ
অবিচার
করা
হবে
না।(সূরা বাকারা ২:২৮১ )
يَا
أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِذَا تَدَايَنتُم بِدَيْنٍ إِلَى أَجَلٍ مُّسَمًّى
فَاكْتُبُوهُ وَلْيَكْتُب بَّيْنَكُمْ كَاتِبٌ بِالْعَدْلِ وَلاَ يَأْبَ كَاتِبٌ
أَنْ يَكْتُبَ كَمَا عَلَّمَهُ اللّهُ فَلْيَكْتُبْ وَلْيُمْلِلِ الَّذِي عَلَيْهِ
الْحَقُّ وَلْيَتَّقِ اللّهَ رَبَّهُ وَلاَ يَبْخَسْ مِنْهُ شَيْئًا فَإن كَانَ
الَّذِي عَلَيْهِ الْحَقُّ سَفِيهًا أَوْ ضَعِيفًا أَوْ لاَ يَسْتَطِيعُ أَن
يُمِلَّ هُوَ فَلْيُمْلِلْ وَلِيُّهُ بِالْعَدْلِ وَاسْتَشْهِدُواْ شَهِيدَيْنِ من
رِّجَالِكُمْ فَإِن لَّمْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَامْرَأَتَانِ مِمَّن
تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاء أَن تَضِلَّ إْحْدَاهُمَا فَتُذَكِّرَ إِحْدَاهُمَا
الأُخْرَى وَلاَ يَأْبَ الشُّهَدَاء إِذَا مَا دُعُواْ وَلاَ تَسْأَمُوْاْ أَن
تَكْتُبُوْهُ صَغِيرًا أَو كَبِيرًا إِلَى أَجَلِهِ ذَلِكُمْ أَقْسَطُ عِندَ
اللّهِ وَأَقْومُ لِلشَّهَادَةِ وَأَدْنَى أَلاَّ تَرْتَابُواْ إِلاَّ أَن تَكُونَ
تِجَارَةً حَاضِرَةً تُدِيرُونَهَا بَيْنَكُمْ فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَلاَّ
تَكْتُبُوهَا وَأَشْهِدُوْاْ إِذَا تَبَايَعْتُمْ وَلاَ يُضَآرَّ كَاتِبٌ وَلاَ
شَهِيدٌ وَإِن تَفْعَلُواْ فَإِنَّهُ فُسُوقٌ بِكُمْ وَاتَّقُواْ اللّهَ
وَيُعَلِّمُكُمُ اللّهُ وَاللّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
হে
মুমিনগণ! যখন
তোমরা
কোন
নির্দিষ্ট সময়ের
জন্যে
ঋনের
আদান-প্রদান কর, তখন
তা
লিপিবদ্ধ করে
নাও
এবং
তোমাদের মধ্যে
কোন
লেখক
ন্যায়সঙ্গতভাবে তা
লিখে
দেবে;
লেখক
লিখতে
অস্বীকার করবে
না।
আল্লাহ
তাকে
যেমন
শিক্ষা
দিয়েছেন, তার
উচিত
তা
লিখে
দেয়া।
এবং
ঋন
গ্রহীতা যেন
লেখার
বিষয়
বলে দেয় এবং
সে
যেন
স্বীয়
পালনকর্তা আল্লাহকে ভয়
করে
এবং
লেখার
মধ্যে
বিন্দুমাত্রও বেশ
কম
না
করে।
অতঃপর
ঋণগ্রহীতা যদি
নির্বোধ হয়
কিংবা
দূর্বল
হয়
অথবা
নিজে
লেখার
বিষয়বস্তু বলে
দিতে
অক্ষম
হয়,
তবে
তার
অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন
সাক্ষী
কর,
তোমাদের পুরুষদের মধ্যে
থেকে।
যদি
দুজন
পুরুষ
না
হয়,
তবে
একজন
পুরুষ
ও
দুজন
মহিলা।
ঐ
সাক্ষীদের মধ্য
থেকে
যাদেরকে তোমরা
পছন্দ
কর
যাতে
একজন
যদি
ভুলে
যায়,
তবে
একজন
অন্যজনকে স্মরণ
করিয়ে
দেয়।
যখন
ডাকা
হয়,
তখন
সাক্ষীদের অস্বীকার করা
উচিত
নয়।
তোমরা
এটা
লিখতে
অলসতা
করোনা,
তা
ছোট
হোক
কিংবা
বড়,
নির্দিষ্ট সময়
পর্যন্ত। এ
লিপিবদ্ধ করণ
আল্লাহর কাছে
সুবিচারকে অধিক
কায়েম
রাখে,
সাক্ষ্যকে অধিক
সুসংহত
রাখে
এবং
তোমাদের সন্দেহে পতিত
না
হওয়ার
পক্ষে
অধিক
উপযুক্ত। কিন্তু
যদি
কারবার
নগদ
হয়,
পরস্পর
হাতে
হাতে
আদান-প্রদান কর, তবে
তা
না লিখলে তোমাদের প্রতি
কোন
অভিযোগ
নেই।
তোমরা
ক্রয়-বিক্র য়ের সময়
সাক্ষী
রাখ।
কোন
লেখক
ও
সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো
না।
যদি
তোমরা
এরূপ
কর,
তবে
তা
তোমাদের পক্ষে
পাপের
বিষয়।
আল্লাহকে ভয়
কর
তিনি
তোমাদেরকে শিক্ষা
দেন।
আল্লাহ
সব
কিছু
জানেন।(সূরা বাকারা ২:২৮২ )
وَإِن
كُنتُمْ عَلَى سَفَرٍ وَلَمْ تَجِدُواْ كَاتِبًا فَرِهَانٌ مَّقْبُوضَةٌ فَإِنْ
أَمِنَ بَعْضُكُم بَعْضًا فَلْيُؤَدِّ الَّذِي اؤْتُمِنَ أَمَانَتَهُ وَلْيَتَّقِ
اللّهَ رَبَّهُ وَلاَ تَكْتُمُواْ الشَّهَادَةَ وَمَن يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُ آثِمٌ
قَلْبُهُ وَاللّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ
আর
তোমরা
যদি
প্রবাসে থাক
এবং
কোন
লেখক
না
পাও
তবে
বন্ধকী
বন্তু
হস্তগত
রাখা
উচিত।
যদি
একে
অন্যকে
বিশ্বাস করে,
তবে
যাকে
বিশ্বাস করা
হয়,
তার
উচিত
অন্যের
প্রাপ্য পরিশোধ
করা
এবং
স্বীয়
পালনকর্তা আল্লাহকে ভয়
কর!
তোমরা
সাক্ষ্য গোপন
করো
না।
যে
কেউ
তা
গোপন
করবে,
তার
অন্তর
পাপপূর্ণ হবে।
তোমরা
যা
করা,
আল্লাহ
সে
সম্পর্কে খুব
জ্ঞাত।(সূরা বাকারা ২:২৮৩ )
لِّلَّهِ
ما فِي السَّمَاواتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَإِن تُبْدُواْ مَا فِي أَنفُسِكُمْ أَوْ
تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُم بِهِ اللّهُ فَيَغْفِرُ لِمَن يَشَاء وَيُعَذِّبُ مَن
يَشَاء وَاللّهُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
যা
কিছু
আকাশসমূহে রয়েছে
এবং
যা
কিছু
যমীনে
আছে,
সব
আল্লাহরই। যদি
তোমরা
মনের
কথা
প্রকাশ
কর
কিংবা
গোপন
কর,
আল্লাহ
তোমাদের কাছ
থেকে
তার
হিসাব
নেবেন।
অতঃপর
যাকে
ইচ্ছা
তিনি
ক্ষমা
করবেন
এবং
যাকে
ইচ্ছা
তিনি
শাস্তি
দেবেন।
আল্লাহ
সর্ববিষয়ে শক্তিমান।(সূরা
বাকারা
২:২৮৪ )
آمَنَ
الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ
بِاللّهِ وَمَلآئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لاَ نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن
رُّسُلِهِ وَقَالُواْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ
الْمَصِيرُ
রসূল
বিশ্বাস রাখেন
ঐ
সমস্ত
বিষয়
সম্পর্কে যা
তাঁর
পালনকর্তার পক্ষ
থেকে
তাঁর
কাছে
অবতীর্ণ হয়েছে
এবং
মুসলমানরাও সবাই
বিশ্বাস রাখে
আল্লাহর প্রতি,
তাঁর
ফেরেশতাদের প্রতি,
তাঁর
গ্রন্থসমুহের প্রতি
এবং
তাঁর
পয়গম্বরগণের প্রতি।
তারা
বলে
আমরা
তাঁর
পয়গম্বরদের মধ্যে
কোন
তারতম্য করিনা।
তারা
বলে,
আমরা
শুনেছি
এবং
কবুল
করেছি।
আমরা
তোমার
ক্ষমা
চাই,
হে
আমাদের
পালনকর্তা। তোমারই
দিকে
প্রত্যাবর্তন করতে
হবে।(সূরা বাকারা ২:২৮৫ )
لاَ
يُكَلِّفُ اللّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا
اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لاَ تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّنَا
وَلاَ تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا
رَبَّنَا وَلاَ تُحَمِّلْنَا مَا لاَ طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ
لَنَا وَارْحَمْنَا أَنتَ مَوْلاَنَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
আল্লাহ
কাউকে
তার
সাধ্যাতীত কোন
কাজের
ভার
দেন
না,
সে
তাই
পায়
যা
সে
উপার্জন করে
এবং
তাই
তার
উপর
বর্তায় যা
সে
করে।
হে
আমাদের
পালনকর্তা, যদি
আমরা
ভুলে
যাই
কিংবা
ভুল
করি,
তবে
আমাদেরকে অপরাধী
করো
না।
হে
আমাদের
পালনকর্তা! এবং
আমাদের
উপর
এমন
দায়িত্ব অর্পণ
করো
না,
যেমন
আমাদের
পূর্ববর্তীদের উপর
অর্পণ
করেছ,
হে
আমাদের
প্রভূ!
এবং
আমাদের
দ্বারা
ঐ
বোঝা
বহন
করিও
না,
যা
বহন
করার
শক্তি
আমাদের
নাই।
আমাদের
পাপ
মোচন
কর।
আমাদেরকে ক্ষমা
কর
এবং
আমাদের
প্রতি
দয়া
কর।
তুমিই
আমাদের
প্রভু।
সুতরাং
কাফের
সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের
কে
সাহায্যে কর।(সূরা বাকারা ২:২৮৬ )
No comments